0শিরক কী, মানুষ কীভাবে শিরক করে ইসলামই একমাত্র ধর্ম যেখানে স্রষ্টা অর্থাৎ আল্লাহ তার কোনো ক্ষমতাতেই কাউকে অংশীদার সাব্যস্ত করেননি। আল্লাহই একমাত্র একক ইলাহ যিনি সমস্ত ক্ষমতার অধিকারী। সৃষ্টির শুরু থেকেই আল্লাহ তাওহিদের এই একটি বাণীই প্রচার করেছেন। তারপরও যুগে যুগে মানুষ আল্লাহর বিভিন্ন ক্ষমতার সাথে তাঁর সৃষ্টিকে অংশীদার সাব্যস্ত করেছে। আর এই অংশীদার করাই
Category: ইসলাম ধর্ম
0ইসলাম হচ্ছে ওহী বিশিষ্ট সুশৃঙ্খলিত এবং আদর্শিক একমাত্র ধর্ম। অর্থাৎ পবিত্র কুরআন এবং রাসূলের জীবনাদর্শ (হাদিস ও সুন্নাহ) এই দুই মিলিয়েই হচ্ছে পরিপূর্ণ ইসলাম। পবিত্র কুরআনকে অনুসরণ করতে হলে অবশ্যই রাসূলের জীবনাচরণকে প্রতিটি মুমিনের জীবনে প্রতিফলিত করাতে হবে। কেননা রাসূলুল্লাহর (সা.) পরিপূর্ণ জীবনাচরণই হচ্ছে ইসলামের মডেল। রাসূলুল্লাহর (সা.) ভালোবাসা এবং জীবনাদর্শ ব্যতীত কোনো মুসলিম দাবিদার
0কুরআন বিমুখীতার পরিনতি ইসলাম একটি পরিপূর্ণ জীবনবিধান। যে জীবনবিধানের মূল সংবিধান হলো কুরআন। একজন মুমিনের প্রকৃত কর্তব্য হলো কুরআনকে জানা। এবং সেই অনুযায়ী রাসূলের সা. আদর্শে ইসলামের আনুগত্য করা। সুতরাং যারা কুরআন জানে না, বুঝে না, কিংবা জানা ও বুঝার চেষ্টাও করে না তারা কখনোই প্রকৃত ঈমানদার তথা মুমিন হতে পারে না। তাই যারা কুরআন
0বিশ্বের সেরা কিছু মুসলিম আবিষ্কারক শুধু খ্রিস্টান বা বিধর্মীরাই জ্ঞান -বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎতে এগিয়ে আছে এমন ভুল ধারণা আমাদের মতো অধিকাংশ মানুষেরই রয়েছে। যুগ যুগ ধরে খ্রিস্টান বা বিধর্মী বিজ্ঞানী, চিকিৎসক,আবিষ্কারক ও বিশেষজ্ঞদের নাম-জীবনকথা এবং ইতিহাস জেনে আসছি৷ অথচ জ্ঞান -বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি চর্চায় মুসলমানগণ সমান দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন। এ প্রচেষ্টা ও অবদানের উপর
0কবরের প্রশ্ন এবং আমাদের অজ্ঞতা কবর, প্রতিটি মানুষেরই নির্ধারিত একটি গন্তব্য। জন্ম যেমন সত্য, মৃত্যুর পর কবরের বিভীষিকাও তেমন সত্য। আল্লাহ্ মানুষকে সৃষ্টি করেছেন পরীক্ষা করার জন্য। এই পরীক্ষার প্রথম ধাপ হচ্ছে কবর। কবরে পরীক্ষিত বিষয় কী কী হবে তাও তিনি রাসুলুল্লাহ সাঃ এর মাধ্যমে আগেই জানিয়ে দিয়েছেন। আমাদের উপমহাদেশের সকল আলেম উলামারা প্রতিনিয়তই বিভিন্ন
1পৃথিবীতে আল্লাহ জ্বীন এবং মানুষকে সৃষ্টি করেছেন শুধুমাত্র আল্লাহর ইবাদতের জন্য। অর্থাৎ জ্বীন এবং মানুষ দুনিয়াতে তাদের জীবন অতিবাহিত করবে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য। আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করতে পারাটা হচ্ছে “হিদায়াত “। অর্থাৎ যারা আল্লাহর রহমতে হিদায়াত প্রাপ্ত তাঁরাই শুধুমাত্র ইবাদতের মাধ্যমে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করতে পারে। প্রতিটি মানুষের হিদায়াত প্রাপ্ত হওয়াটা একমাত্র আল্লাহর হাতে।
0 পবিত্র কুরআন একটি ঐশী গ্রন্থ। যা সরাসরি আল্লাহর কাছ থেকে মুহাম্মদ সাঃ এর মাধ্যমে বিশ্ববাসীর জন্য প্রেরিত হয়েছে। এই কুরআন আল্লাহ্ কেন নাযিল করলেন? কুরআন থেকে কী পাওয়া যাবে? কুরআন কাদের জন্য রহমত? কুরআন থেকে কারা হিদায়াত পাবে? কুরআনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য কী? ইত্যাদি প্রশ্নের উত্তর আমরা পাওয়ার চেষ্টা করবো ইনশাআল্লাহ। কুরআন এসেছে আল্লাহর
0মুসলিমরা সম্বোধনের ক্ষেত্রে আসসালামু আলাইকুম বলে থাকে। ইহুদি এবং খ্রিস্টানদের মাঝেও শ্যালম(হিব্রু ভাষায় সালামের সমার্থক শব্দের) প্রচলন আছে। এই লেখাটিতে সালামের বৈশিষ্ট্য, প্রচলিত ব্যবহার এবং প্রকৃত অর্থ তুলে ধরার চেষ্টা করবো। প্রচলিত প্রয়োগ বাংলাদেশে আসসালামু আলাইকুম কথাটি সাধারণত বয়সে বা, পদমর্জাদায় বড় কাউকে সম্মান দেখানোর জন্য ব্যবহার করা হয়(ব্যতিক্রমও আছে)। অনেকে জোর করে তার অধীনস্থদের
0পবিত্র কুরআনের পরে ইসলামি জ্ঞানের দ্বিতীয় ও বিশুদ্ধতম উৎস হলো হাদিস।আমাদের সমাজে বহু হাদিস প্রচলিত আছে।কিন্তু কেউ একটি বাণী শুনিয়ে শেষে রাসূল বলেছেন ট্যাগ লাগিয়ে দিলেই কি তা হাদিস হয়ে যায়? আজকে আমরা আলোচনা করব সেই বিষয়েই। এই বাংলা অঞ্চলে কুরআন হাদিসের সহিহ জ্ঞান রাখে এই সংখ্যাটা নিতান্তই কম।এমনকি মাদরাসা ফারেগ অনেক তথাকথিত আলেমও তাদের
0রহমাতুল্লিল আলামীন (সংক্ষিপ্ত জিবনী) -বাংঙ্গালি কবি সাইমুন খান আইয়ামে জাহেলিয়াত যুগে যখন চরম উচ্ছৃঙ্খলতা, পাপাচার, দুরাচার, ব্যাভিচার, মিথ্যা,কন্যা শিশু হত্যা,ধর্ষন, লুন্ঠন, মদ্যপান, জুয়ায় ভরপুর ছিল। অন্যায়-অপরাধ, দ্বন্ধ-সংঘাত, সন্ত্রাস-নৈরাজ্য, নৈরাশ্য আর হাহাকার বিরাজ করছিল ঠিক এমন সময় মানবতার মুক্তির দিশারী সর্বশ্রেষ্ঠ মহামানব ও খাতামুন নাবিয়্যীন