নির্বোধ জাতি

আমি, তুমি, সে, ওরা, আমরা সবাই দুঃসময়ের তরবারি পড়েছে মাথায়, প্রতিদিন হয় হবে দিব শুনে চুল ঝরছে আয় কমছে প্রহর গুনতে গুনতে।   ক্লান্ত শরীর, ডিজিটাল দেশ, জয়নুলের তুলি সড়কের ছবি, রঙ্গিন মৃত্যু, প্রেম চোখের ধূলি, জনগন জনগনের দাবি বৃষ্টিতে ভেসে যায় শহীদ মিনারে মানববন্ধন কার কি তাতে আসে যায়।   অনেকে দিয়েছে রক্ত অনেকে

পদ্মান্ময়

পদ্মা নদীর তীর কবুতর আর শালিকের ভীর একটুখানি আগায়ে দেখি সামনে দাঁড়ায়ে তিনটি ডিঙই আমি বল্লাম নিবি নাকি আমায় যাব ওপাড়ে সে বোল্লো যা ভাগ আকাশে প্রচুর মেঘ কাল বোশেখী এলো বলে আমায় দিলো তাড়িয়ে আমিও নাছোড়বান্দা চেপে বসলাম তার ঘাড়ে অগোত্যা সেও রওনা দিলো ওনন্তের তরে মাঝ পথে গিয়ে পড়লাম সেকি ঝড়ের কবলে কোন

বিষাক্ত নিনাদ

আমাকে তুমি স্বপ্ন দাও, একটা আকাশ দাও—চাদ দেখি। এই চাদ দেখে শেষ করি সমূহ সম্ভাবনা। ধূলোয় ধূসর মরিচিকা…এই জীবন; এই ক্ষন। এইসব কারণ বাতুলতা। বিষাক্ত নিনাদ ক্লান্ত করেছে সত্মা। উন্নাসিকতার দেয়াল পেরিয়ে বন্দী —বদ্ধ জানালায়। এখানেই শুয়ে দেখি —কতটা নিষ্পাপ হলে মুক্তি পাবো মহাকাল থেকে। আমি ঢেলে দেই নর্দমায় এই তল্লাটে আছে যত অশ্লীলতা। বুকের

শেকড়ের টান

কবিতার নামঃ শেকরের টান কবির নামঃশেখ সাইমুম এইচ.এ = পাখীরা ছুটে চলে আকাশের ঐ দূর দূরান্তে, দিন শেষে সে ফিরে তার নীরে। সব কিছু তার শেকড়ের টানেই ফিরে আসে, সব থেকে বেশি পছন্দ করে সে ঘরে ফিরতে। সেখানে গেলে সে দেখবে কত আপনজন, দেখবে ভালবাসার প্রিয় স্বজন। এটাই হচ্ছে শিকরের প্রতি ভালবাসা, মাঝি নাৌকা চালিয়ে

খোকার ঘুম

  মা শোনাল গল্প কত ঘুমের দেশের গান, ঘুম ত নাই খোকার চোখে কল্প লোকের বাণ।   ঘুটঘুটে রাত তারার ঝলক পূর্নিমারই রাত সবাই ঘুমায়,খোকা জেগে মা বসে তার সাথ।   নিদমহলের নীল পরীরা ঘুম নিয়েছে কেড়ে– “চাঁদের দেশে যাব আমি নইলে-চাঁদটা দাও পেড়ে”।   “ডালিম কুমার কোন দেশেতে কোথায় বা তার ঘর”? প্রশ্ন কত

ফুলের বাগান

  ফুল বাগিচায় রঙ্গীন ফুলের অনেক সমারোহ, জুঁই, চামেলী, কলমী, গাঁদা ভ্রমর, পাখীর মোহ।   চালতা, পলাশ, ছাতিম ফুলে ঘুম ভাঙ্গানী গায় ওপার মেঘের ঢল নেমেছে আপনি ভিজে যায়।   কেয়া, টগর, হাসনাহেনার গন্ধে মাতাল মৌ– শিউলী, চাপা, চালতা, জারুল রঙের নানান ঢেউ।   কৃষ্ণচূড়া কানে কানে বসন্তরে ডাকে, গোলাপ,জবা মিষ্টি হেসে আনমনা- জেগে থাকে।

স্বপ্ন গুলো বাক্স-বন্দী

স্বপ্ন গুলো বাক্স-বন্দী কলমের কালি আজও ফুরাইনি শুধু সময় পাল্টেছে কবিতা গান আরো কত হাবিজাবি যা ইচ্ছে তাই লেখা থাকতো স্বপ্ন নামক ডাইরিতে হাজারো রঙিন স্বপ্ন সাজানো হতো প্রতি রাতে শুধু সময় পাল্টেছে আজ ঠিক আছে কাল আরো ভালো হবে নয়ত পরশু আমি ঠিকই পারব অথবা দুইদিন বাদে আমায় সবাই চিনবে শুধু সময় পাল্টেছে দীর্ঘদিনের

বুবুর বিয়ে

রাত পোহালেই বুবুর বিয়ে মেহমান ভরা ঘর, কাছে, পাশে তারে আর পাবোনা ! বুবু কি হবে পর ?   বুবু ছাড়া এই ঘর চারিধার, খালি খালি লাগে, সব যে আঁধার মন বসে না কোন কাজে আর– বুবু কি হবে পর ?   শিশুকাল থেকে এক সাথে থাকা আদরের বুবু মোর, চেনা ঘর ফেলে চলে যায়

আবার হবে দেখা

  লিখলাম যত গান লিখলাম যত কবিতা একদিন তো হারিয়ে গেলে দিলে না তো আর দেখা, শুধু একটি কাগজে লিখেছিলে আবার হবে দেখা। সেই থেকে আজ আঠারো বছর তোমার জন্য করছি অপেক্ষা কত বৈশাখ গেল কত শ্রাবন আসিলো এত কাল পরেও পেলাম না তোমার দেখা। কত সৃস্তি মোনে পড়ে ক্ষনিকের সেই জিবন চলায় আজ আমি

জম্নধাত্রী

স্বার্থহীন তার ভালোবাসা কেউ তো তা জানেনা, তুমি কি তাকে দেখেছ কখোন সে আমার জম্নদাত্রী মা । গোলাপের ভালবাসায় থাকে কাঁটা প্রেমিকের ভালবাসায় থাকে ব্যাথা, মনে যার নাই অহংকার হিংসা তুমি কি তাকে দেখেছ কখোন সে আমার জম্নদাত্রী মা। আছে শুধু ভালবাসা নেই কোন চাওয়া অসুখে কতকাল তার চোখে দিয়েছে জলধারা, বাড়ি থেকে পালানোর রাত