ঘূর্ণিঝড়ের নামের তালিকা

উপকূলীয় জীবন

ঘূর্ণিতে গুড়িয়ে স্বপ্ন বিধ্বস্ত হয়ে লোকালয়, বানে প্লাবিত চারপাশ শুধু ক্ষুধা আর হাহাকার। বিলীন সব গৃহ মলিন সব মুখ, নেই আর ঠাঁই নেই আর বাসস্থানের অধিকার। ভাঙ্গনে ভেঙ্গেছে বুক দুঃখ কেড়েছে সুখ বিলীন শেষ চিহ্ন, নেই স্বজনের সমাধি আর। নির্ঘুম জেগে চোখ জাগে শুধু বেদনা, ঝরিয়ে বহু অশ্রু চোখে অশ্রু জমে না আর। দৃষ্টি জুড়ে

খোকার ঘুম

  মা শোনাল গল্প কত ঘুমের দেশের গান, ঘুম ত নাই খোকার চোখে কল্প লোকের বাণ।   ঘুটঘুটে রাত তারার ঝলক পূর্নিমারই রাত সবাই ঘুমায়,খোকা জেগে মা বসে তার সাথ।   নিদমহলের নীল পরীরা ঘুম নিয়েছে কেড়ে– “চাঁদের দেশে যাব আমি নইলে-চাঁদটা দাও পেড়ে”।   “ডালিম কুমার কোন দেশেতে কোথায় বা তার ঘর”? প্রশ্ন কত

ফুলের বাগান

  ফুল বাগিচায় রঙ্গীন ফুলের অনেক সমারোহ, জুঁই, চামেলী, কলমী, গাঁদা ভ্রমর, পাখীর মোহ।   চালতা, পলাশ, ছাতিম ফুলে ঘুম ভাঙ্গানী গায় ওপার মেঘের ঢল নেমেছে আপনি ভিজে যায়।   কেয়া, টগর, হাসনাহেনার গন্ধে মাতাল মৌ– শিউলী, চাপা, চালতা, জারুল রঙের নানান ঢেউ।   কৃষ্ণচূড়া কানে কানে বসন্তরে ডাকে, গোলাপ,জবা মিষ্টি হেসে আনমনা- জেগে থাকে।

স্বপ্ন গুলো বাক্স-বন্দী

স্বপ্ন গুলো বাক্স-বন্দী কলমের কালি আজও ফুরাইনি শুধু সময় পাল্টেছে কবিতা গান আরো কত হাবিজাবি যা ইচ্ছে তাই লেখা থাকতো স্বপ্ন নামক ডাইরিতে হাজারো রঙিন স্বপ্ন সাজানো হতো প্রতি রাতে শুধু সময় পাল্টেছে আজ ঠিক আছে কাল আরো ভালো হবে নয়ত পরশু আমি ঠিকই পারব অথবা দুইদিন বাদে আমায় সবাই চিনবে শুধু সময় পাল্টেছে দীর্ঘদিনের

বুবুর বিয়ে

রাত পোহালেই বুবুর বিয়ে মেহমান ভরা ঘর, কাছে, পাশে তারে আর পাবোনা ! বুবু কি হবে পর ?   বুবু ছাড়া এই ঘর চারিধার, খালি খালি লাগে, সব যে আঁধার মন বসে না কোন কাজে আর– বুবু কি হবে পর ?   শিশুকাল থেকে এক সাথে থাকা আদরের বুবু মোর, চেনা ঘর ফেলে চলে যায়

আবার হবে দেখা

লিখলাম যত গান লিখলাম যত কবিতা একদিন তো হারিয়ে গেলে দিলে না তো আর দেখা, শুধু একটি কাগজে লিখেছিলে আবার হবে দেখা। সেই থেকে আজ আঠারো বছর তোমার জন্য করছি অপেক্ষা কত বৈশাখ গেল কত শ্রাবন আসিলো এত কাল পরেও পেলাম না তোমার দেখা। কত সৃস্তি মোনে পড়ে ক্ষনিকের সেই জিবন চলায় আজ আমি একা

জম্নধাত্রী

স্বার্থহীন তার ভালোবাসা কেউ তো তা জানেনা, তুমি কি তাকে দেখেছ কখোন সে আমার জম্নদাত্রী মা । গোলাপের ভালবাসায় থাকে কাঁটা প্রেমিকের ভালবাসায় থাকে ব্যাথা, মনে যার নাই অহংকার হিংসা তুমি কি তাকে দেখেছ কখোন সে আমার জম্নদাত্রী মা। আছে শুধু ভালবাসা নেই কোন চাওয়া অসুখে কতকাল তার চোখে দিয়েছে জলধারা, বাড়ি থেকে পালানোর রাত

মৃত্যু…

  যত উপার্জন, খ্যাতি সম্মান ধূলাসম এইখানে, নিশ্চুপ এক কালব্যাধি সে মৃত্যুর অবদানে।   কত কালের কত নবাব, রাজা শাসক, জমিদার— মিশে গেছে কালের অতল গর্ভে খোঁজ কে বা রাখে তার?   এক সময় যে প্রতাপে, সুনামে চলেছে শক্তিধর, নিভে গেছে সে বাতি উজ্জ্বল হারিয়েছে যাযাবর।   কে জানে কবে কোনদিন কার মৃত্যুর আসে দিন,