পঞ্চপান্ডব কারা

পঞ্চপান্ডব আসলে কারা? চলুন জেনে নেই

পঞ্চপান্ডব মূলত প্রাচীন ভারতীয় মহাকাব্য মহাভারতে ধর্মের পক্ষে থাকা পাঁচ ভাইকে বলা হয়। বাংলাদেশ ক্রিকেট এবং বাংলা সাহিত্যের পঞ্চপান্ডবের ধারণাটাও সেখান থেকেই এসেছে। কুরু বংশের রাজা পাণ্ডুর পাঁচ পুত্রকে পান্ডব বলা হতো। তারা দুর্যোধন, দুঃশাসন সহ কৌরবদের ১০০ ভাইয়ের সাথে যুদ্ধে জয়লাভ করেছিলেন।  শব্দটি বাংলা সাহিত্যের পাঁচজন বিখ্যাত কবিকে বুঝাতে ব্যবহৃত হয় যারা স্বমহিমায় অন্যদের

চর্যাপদ কথন

বাংলা সাহিত্যের আদি নিদর্শন চর্যাপদ লেখা হয়েছে সপ্তম থেকে দ্বাদশ শতাব্দির মধ্যে। এই সময়ে বাংলায় পাল রাজাদের রাজত্ব ছিল। পাল রাজারা ছিলেন বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী। চর্যাপদের কবিরা এই সময়ে চর্যাগুলো রচনা করেছিলেন। লেখাটিতে যা যা থাকছে- চর্যাপদের পদকর্তাদের নাম চর্যাপদে নিম্নবর্গীয় মানুষের পরিচয় চর্যাপদের রচয়িতাদের ধর্মমত চর্যাপদের সমাজচিত্র চর্যাপদের পদকর্তাদের নাম চর্যাপদের পদকর্তাদের সংখ্যা নিয়ে মতভেদ

ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর যা কিছু করেছেন

ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর এর প্রকৃত নাম ঈশ্বরচন্দ্র বন্দোপাধ্যায়। তবে, তিনি স্বাক্ষর করতেন ঈশ্বরচন্দ্র শর্মা নামে। বিদ্যাসাগর উপাধিটি সংস্কৃত ভাষা ও সাহিত্যে তাঁর অসাধারণ পাণ্ডিত্যের স্বীকৃতিস্বরূপ নামের সাথে যুক্ত হয়েছে। বাংলাদেশের পাঠ্যপুস্তকে তাঁর লেখা গদ্য এবং সংস্কারমূলক কর্মকাণ্ডের বর্ণনা পড়ানো হয়। ভারতের পশ্চিমবঙ্গের পশ্চিম মেদিনীপুরে ‘বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালয়’ নামে একটি বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে। বিদ্যাসাগর সেতু তাঁর নামেই উৎসর্গীকৃত। লেখাটিতে

ফারিয়া মুরগীর বাচ্চা গলা টিপে টিপে মারে- মেহেদী উল্লাহ

“ফারিয়া মুরগীর বাচ্চা গলা টিপে টিপে মারে”- এরকম উদ্ভট নামের কারণেই হয়ত এই বইটি নিয়ে প্রচুর আলোচনা হচ্ছে। এই বইটি নিয়ে জানার জন্য আমি গুগোলের শরণাপন্ন হয়েছিলাম। গুগোল আমাকে Goodreads, মানবকন্ঠ, যুগান্তর এবং রকমারি থেকে কিছু লেখা দেখালো। দেখে যারপরনাই আনন্দিত হলাম। ফারিয়া কিভাবে মুরগীর বাচ্চা গলা টিপে টিপে মারে? এই প্রশ্নের উত্তর জানতে হলে

সিলেটি ভাষা স্বতন্ত্র, নাকি উপভাষা

সিলেটি ভাষা খুব সম্ভবত বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম জনগোষ্ঠীর ভাষা। উইকিপিডিয়ায় আর্টিকেল দেখতে গিয়ে অবাক হলাম- ওদের নাকি নিজস্ব বর্ণমালাও আছে। বাংলাদেশ ছাড়াও ভারতের আসাম, ত্রিপুরা, মণিপুর, মেঘালয় এবং যুক্তরাজ্যের কিছু অঞ্চলের মানুষেরা এই ভাষায় কথা বলে। বাংলা ট্রিবিউনে একটা আর্টিকেল পড়লাম- ব্রিটেনের কিছু কিছু স্কুলে মাতৃভাষা হিসেবে বাংলার পাশাপাশি সিলেটি ভাষাও শেখানো  হচ্ছে। “তুমি কেমন

মঙ্গল শোভাযাত্রা

বাংলা নববর্ষ প্রচলন করেন কে? আকবর/বিক্রম

বাংলা নববর্ষ প্রচলন করেন কে? এই প্রশ্নের উত্তর আমরা এই লেখার মাধ্যমে খোজার চেষ্টা করব। বাংলা বর্ষপঞ্জি অনুসারে বছরের প্রথম দিনকে বলা হয় পহেলা বৈশাখ। বছরের ১২ মাস হচ্ছে- বৈশাখ, জৈষ্ঠ্য, আষাড়, শ্রাবণ, ভাদ্র, আশ্বিন, কার্তিক, অগ্রহায়ন, পৌষ, মাঘ, ফাল্গুন ও চৈত্র। এর শুরুর ইতিহাস নিয়ে বিভ্রান্তির ব্যাপারটা অনেকেরই অজানা।আজকে সেটা নিয়ে কিছু লিখতে যাচ্ছি।