নতুন লেখা প্রকাশ

কপিরাইট ফ্রি ছবির জন্য–  Pixabay বা, Pexels ব্যাবহার করতে পারেন।

ওয়েবসাইট সংক্রান্ত আলোচনার জন্য রয়েছেআলোচনা কক্ষ

উপরের মেনুবারে আরো কিছু অপশন পাবেন।

মোট লেখার সংখ্যাঃ 78  মোট মন্তব্য সংখ্যাঃ 11

নিজের সব লেখা দেখুন, প্রকাশ করুন, ড্রাফট তৈরি করুন

সরাসরি লেখা প্রকাশ করতে নিচের ফর্মটি ব্যবহার করুন-

Please log in to submit content!

 

  1. অন্য কারো লেখা অন্য কোন জায়গা থেকে কপি করে এখানে প্রকাশ করা যাবে না
  2. কোন ব্যক্তি বা, গোষ্ঠীকে প্রত্যক্ষ বা, পরোক্ষভাবে আক্রমণ করে কিছু লেখা যাবে না
  3. রাষ্ট্রীয় নীতিমালা মেনে চলতে হবে
  4. এখানে প্রকাশিত লেখার সম্পূর্ণ কৃতিত্ব এবং দায়ভার লেখকের নিজের, lekhok.me এর নয়।
  5. এখানে বর্ণিত নীতিমালা ভঙ্গ করলে তাকে সাময়িক বা, স্থায়ীভাবে নিষিদ্ধ করা হবে।
  6. লেখায় হ্যাকিং, ক্রাকিং, উগ্র যৌনতা, বিটকয়েন, ক্যাসিনো এগুলোর প্রচার করা যাবে না।

সর্বশেষ প্রকাশিত লেখাগুলোঃ

মোট চারটি বেদের অর্থাৎ ঋগ্বেদ, সামবেদ, যজুর্বেদ এবং অথর্ববেদ এর ডাউনলোড লিংক আমরা দিয়ে দেবো। আপনারা এখান থেকে ডাউনলোড করে
শিন্টো ধর্ম বহুঈশ্বরবাদী একটি ধর্ম। শিন্টো শব্দের অর্থ দেবতার পথ। এই ধর্মে সৃষ্টিকর্তাকে বলা হয় কামি। অসংখ্য স্রষ্টার অস্তিত্ব আছে
নাস্তিকতাবাদ বলতে আমরা এমন মতবাদকে বুঝি যেখানে ঈশ্বরের বা, কোন সৃষ্টিকর্তার অস্তিত্ব স্বীকার করা হয় না। এর বাইরে আরো কতগুলো
যিশু খ্রিস্ট
যিশুকে বলা হয় নাজারাথের যিশু। খ্রিস্ট ধর্মের অনুসারীরা তাকে ঈশ্বরের পুত্ররূপী ঈশ্বর এবং মেসিয়াহ মনে করেন। তিনিই খ্রিস্ট ধর্মের কেন্দ্রীয়
বাংলা সাহিত্যের আদি নিদর্শন চর্যাপদ লেখা হয়েছে সপ্তম থেকে দ্বাদশ শতাব্দির মধ্যে। এই সময়ে বাংলায় পাল রাজাদের রাজত্ব ছিল। পাল
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর এর প্রকৃত নাম ঈশ্বরচন্দ্র বন্দোপাধ্যায়। তবে, তিনি স্বাক্ষর করতেন ঈশ্বরচন্দ্র শর্মা নামে। বিদ্যাসাগর উপাধিটি সংস্কৃত ভাষা ও সাহিত্যে