আরজ আলী মাতুব্বরের লাইব্রেরী

আরজ আলী মাতুব্বর ছিলেন একজন স্বশিক্ষিত দার্শনিক

0 আরজ আলী মাতুব্বর বরিশালের একজন কৃষক এবং একজন মাতুব্বর ছিলেন। পরবর্তীতে তিনি বিজ্ঞান, ইতিহাস, ধর্ম, দর্শন ইত্যাদি বিষয়ে পড়াশোনা করে একজন স্বশিক্ষিত দার্শনিক হয়ে ওঠেন। প্রচলিত ধর্মবিশ্বাস এবং আচরণ নিয়ে তিনি অনেকগুলো প্রশ্ন করেছেন এবং কিছু বিষয়ে নিজের মত ব্যক্ত করেছেন।  আরজ আলী মাতুব্বরের লাইব্রেরী বাংলা একাডেমীর আজীবন সদস্যপদ লাভ করা এই ব্যক্তিটি তার

তাও ধর্ম

তাও ধর্ম এবং ইন, ইয়ান এর ধারনা

0তাও শব্দের অর্থ ‘বিশ্বব্রহ্মান্ডের প্রাকৃতিক উপায় বা, নীতি’ । তাও ধর্ম একই সাথে একটি দর্শন এবং ধর্মবিশ্বাস বলে বিবেচিত। চীনের গ্রামীণ মতবাদ একসময় তাং রাজ্যের রাষ্ট্রীয় ধর্ম হিসেবে আবির্ভূত হয়। লাওৎসি তাওকে এই ধর্মের প্রতিষ্ঠাতা বলে মনে করা হয়। এই ধর্মে  ইন ইয়াং মতবাদের প্রভাব রয়েছে। অমরত্ব লাভের চেষ্টা বা, কৃত্তিম উপায়ে স্বর্ণ তৈরির চেষ্টা

জৈন ধর্মের প্রতীক

জৈন ধর্ম ও ধর্মগ্রন্থ

0বাংলাদেশে জৈন ধর্মের খুব একটা প্রসার দেখা যায় না, তবে ভারতে এই ধর্মের অনেক অনুসারী রয়েছে। এটি বৌদ্ধ ধর্মের সমসাময়িক একটি ধর্মবিশ্বাস। সংস্কৃত শব্দ ‘জিন’ থেকে জৈন শব্দটির উৎপত্তি যার অর্থ জয় করা। সূচিপত্রঃ মৌলিক শিক্ষা ও বিশ্বাস জৈন ধর্মগ্রন্থ ঈশ্বরের ধারণা   মানুষের আকাঙ্ক্ষা, আসক্তি, লোভ, ক্রোধ, অহংকার এগুলোকে যারা জয় করতে পারে তাদেরকে

বৌদ্ধ ধর্ম

বৌদ্ধ ধর্ম দর্শন ও বুদ্ধের শিক্ষা

0বৌদ্ধ ধর্ম বা, দর্শন বলতে কর্মসাধনের এবং আধ্যাত্মিক উন্নতিলাভের এমন পথকে বুঝায় যার মাধ্যমে প্রকৃতির সত্য উন্মোচিত হয়। এই ধর্মের আচারগুলোর মধ্যে আছে ধ্যান যার মাধ্যমে সচেতনতা, দয়া এবং জ্ঞানের অগ্রগতি ঘটে। ইতিহাসবিদদের মতে ২৫০০ বছর আগে সিদ্ধার্থ গৌতমের প্রচারিত একটি ধর্ম হচ্ছে বৌদ্ধ ধর্ম। পূর্ব এবং দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলে  বৌদ্ধ দর্শন বিভিন্নভাবে

ভগবান শ্রীকৃষ্ণ

হিন্দু ধর্ম- উৎপত্তি, ধর্মগ্রন্থ ও অন্যান্য

0পৃথিবীতে টিকে থাকা সবচেয়ে প্রাচীন ধর্মবিশ্বাসের নাম হিন্দু ধর্ম। এটিকে অনুসারীরা অনেকে বলে থাকেন ‘সনাতন ধর্ম’ যার অর্থ প্রাচীন বা, ধ্রুপদী। সবচেয়ে বেশী হিন্দু ধর্মাবলম্বী মানুষের বাস ভারতে। এই দেশের প্রায় ৮৪% মানুষ হিন্দু ধর্মের অনুসারী। দক্ষিণ এশিয়া ছাড়াও পৃথিবীর বেশীরভাগ দেশেই হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা বাস করে। এটি পুনর্জন্মে বিশ্বাসী একটি ধর্ম। হিন্দু ধর্মের উৎপত্তি, ধর্মগ্রন্থ,

রাস তাফারি

রাস্তাফারি, মানি এবং ক্রামা ধর্ম

0এটিকে অনেক সময় রাস্তাফারি উচ্চারণ না করে উচ্চারণ করা হয় রাস তাফারি ধর্ম। এটি একটি আব্রাহামিক ধর্মবিশ্বাস এবং সম্ভবত একমাত্র ইব্রাহিমীয় ধর্ম যেটির উৎপত্তি আফ্রিকার জ্যামাইকায়। ১৯৩০ সালে এই ধর্মের উৎপত্তি, সে হিসেবে এটি একেবারেই নবীণতম ধর্ম। রাজনৈতিক আন্দোলন হিসেবেও এটি গড়ে ওঠে। প্রটেস্ট্যান্ট খ্রিস্টান এবং আফ্রিকান রাজনৈতিক সংস্কৃতি এটির মূল বিশ্বাসের সাথে মিশে আছে।

মর্মনিজম আব্রাহামিক ধর্ম

মর্মনিজম

0 মর্মনিজম বা, লেটার ডে সেইন্টদের খ্রিস্ট ধর্মের একটি শাখা বলা চলে, তবে বেশীরভাগ খ্রিস্টানরাই তাদের খ্রিস্টান বলে স্বীকার করতে চান না। এর প্রতিষ্ঠাতা জোসেফ স্মিথ। এটিকে অনেক সময় বাহাই ধর্মের মত চতুর্থ আব্রাহামিক ধর্ম বলে ডাকা হয়। এরা কিন্তু নিজেদের খ্রিস্ট ধর্মের অনুসারি বলেই দাবি করে। খ্রিস্ট ধর্মের প্রচলিত বিশ্বাসের সাথে মর্মনিজমের পার্থক্য প্রধান

বাহাই ধর্মের পবিত্র স্থান

বাহাই ধর্ম এবং এর প্রসার

2বাহাই ধর্মকে অনেকে ইসলাম ধর্মের শাখা বলে মনে করেন। ওরা কুরআনকে আল্লাহর বাণী বলে মেনে নেয়, মুহাম্মদকে রাসূল বলে মেনে নেয়। বিভিন্ন ধর্মের মহাপুরুষদের এই ধর্মের অনুসারীরা মেনে নেয়। ইব্রাহিম, মূসা, ঈসা, বুদ্ধ, জরুথ্রুষ্ট এদের সবাইকে নবী বলে স্বীকার করে। এবং সবাই স্রষ্টার নির্দেশ অনুযায়ী ধারাবাহিকভাবে কাজ করেছেন। ওরা নিজেদেরকে এমন মানুষ বলে মনে করে

ইসলামের মৌলিক বিশ্বাস

ইসলাম ধর্মের মৌলিক বিশ্বাসগুলো কি কি?

0 ‘ইসলাম’ শব্দের অর্থ আত্মসমর্পণ এবং এই শব্দের উৎপত্তি আরবি শব্দমূল ‘সলম’ থেকে যার অর্থ শান্তি। ইসলামিক পরিভাষায় একমাত্র সৃষ্টিকর্তা আল্লাহর কাছে আত্মসমর্পণ করে শান্তি লাভ করার ধর্মকেই বলা হয় ইসলাম ধর্ম। একমাত্র আল্লাহকে সৃষ্টিকর্তা হিসেবে বিশ্বাস এবং মুহাম্মদ(সাঃ) কে সর্বশেষ বার্তাবাহক(স্রষ্টার) বলে মেনে নেয়াটা ইসলামের মৌলিক শিক্ষা। যারা এই ধর্ম অনুসরণ করে তাদেরকে বলা

খ্রিস্ট ধর্মের মূলনীতি

খ্রিস্টান ধর্মের ইতিহাস, উদ্ভব ও বিকাশ

0খ্রিস্ট ধর্ম নাজারাথের যিশুর জীবন এবং শিক্ষার উপর প্রতিষ্ঠিত। এই ধর্মে বিশ্বাসীরা মনে করে, যিশু ঈশ্বরের পুত্র, যিনি পিতা ছাড়াই মাতা মেরীর গর্ভে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। এই ধর্মে বিশ্বাসীরা খ্রিস্টান নামে পরিচিত, তাদের ধর্মগ্রন্থের নাম বাইবেল। বিশ্বাসীরা মনে করে ওল্ড টেস্টামেন্টে ইহুদি জাতির ইতিহাস এর বর্ণনা যেমন আছে তেমন যিশুর আগমনের ব্যাপারে ইঙ্গিতও দেয়া আছে, আর