মহাভারত, পঞ্চপান্ডব, মহাকাব্য, ইতিহাস, যুদ্ধ, যোদ্ধা

মহাভারতের পঞ্চপান্ডব

0মহাভারতের পঞ্চপান্ডব ছিলেন পাণ্ডুর পাঁচ পুত্র- যুধিষ্ঠির, ভীম, অর্জুন, নকুল এবং সহদেব। মুনি দুর্বাসার দেয়া বর কাজে লাগিয়ে কুন্তি ও মাদ্রী সন্তান লাভ করেছিলেন। পাণ্ডুর ক্ষেত্রজ পুত্র ছিলেন তারা পাঁচজন, যুদ্ধক্ষেত্রে তাদের প্রতিপক্ষ ছিল তাদেরই পিতৃকূলজাত ভাই, ১০০ জন কৌরব। তারা শেষ পর্যন্ত যুদ্ধে জয়লাভ করেছিলেন। কুরু বংশ তালিকা রাজা কুরু ছিলেন সংবরণ এবং তপতীর

আল্লাহ এক জন

খ্রিস্টান সন্ন্যাসীদের প্রতি নবীজির অঙ্গীকারনামা

0খ্রিস্টান সন্যাসীদের প্রতি নবীজির অঙ্গীকারনামা একটি ঐতিহাসিক দলিল হিসেবে সমাদৃত। পৃথিবীর প্রাচীনতম গীর্জাগুলোর মধ্যে একটি হচ্ছে সেইন্ট ক্যাথরিনের গীর্জা। সিনাই পর্বতের কাছে অবস্থিত সেই চার্চে এই অঙ্গীকারনামা সংরক্ষিত আছে। আপনি অমুসলিম হলেও এই বিষয়টি পড়ে দেখতে পারেন, ঐতিহাসিক ভিত্তি আছে। ঘটনাটি কি ছিল ৬২৮ খ্রিস্টাব্দে খ্রিস্টানদের একদল প্রতিনিধি ঐ গীর্জা থেকে গিয়ে রাসুলুল্লাহ(সাঃ) এর নিকট

নাজারাথের যিশু

যিশু খ্রিস্টের জন্ম ও অন্যান্য

0 যিশুকে বলা হয় নাজারাথের যিশু। খ্রিস্ট ধর্মের অনুসারীরা তাকে ঈশ্বরের পুত্ররূপী ঈশ্বর এবং মেসিয়াহ মনে করেন। তিনিই খ্রিস্ট ধর্মের কেন্দ্রীয় চরিত্র। যোহন ব্যাপ্টিস্ট তাকে বাপ্তাইজ করেছিলেন। অনেকে তার ঐতিহাসিক অস্তিত্ব অস্বীকার করলেও আধুনিক ইতিহাসবিদেরা তার অস্তিত্ব অস্বীকার করেন না। ফিচার্ড ছবি হিসেবে যিশু খ্রিস্টের ছবি আপনারা দেখতে পাচ্ছেন। যিশু খ্রিস্ট কি সত্যিই ইহুদি ধর্মপ্রচারক

নাস্তিক্যবাদ

নাস্তিকতাবাদ বা, নাস্তিক্যবাদ আসলে কেমন?

0নাস্তিকতাবাদ বলতে আমরা এমন মতবাদকে বুঝি যেখানে ঈশ্বরের বা, কোন সৃষ্টিকর্তার অস্তিত্ব স্বীকার করা হয় না। এর বাইরে আরো কতগুলো মত থাকতে পারে যেগুলো আমরা বাংলা ভাষায় সাধারণত ব্যবহার করি না। অনেক সময় অবিশ্বাসী বুঝাতেও এই শব্দটি ব্যবহার করা হয়, যেমন বেদে অবিশ্বাসীকে নাস্তিক বলা হয়। এমনকি ভূতে অবিশ্বাসীকেও নাস্তিক বলা হয়। ইসলাম ধর্মে অবিশ্বাসী,

জাপানের শিন্টো ধর্ম

জাপানের শিন্টো ও জর্জিয়ার ধর্ম

0শিন্টো ধর্ম বহুঈশ্বরবাদী একটি ধর্ম। শিন্টো(বা, শিন্তৌ) শব্দের অর্থ দেবতার পথ। এই ধর্মে সৃষ্টিকর্তাকে বলা হয় কামি। অসংখ্য স্রষ্টার অস্তিত্ব আছে বলে এই ধর্মের অনুসারীদের বিশ্বাস। যিশু খ্রিস্টের জন্মের ৬৬০ বছর আগেও এই মতবাদের অস্তিত্ব ছিল বলে প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে। জাপানিরা প্রধানত আচারসর্বস্ব এই মতবাদই অনুসরণ করে। এই লেখাটিতে আমি জাপানের শিন্তৌ ধর্ম এর পাশাপাশি

বেদ ডাউনলোড করুন

হিন্দু ধর্মগ্রন্থ বেদ(pdf ফাইল) ডাউনলোড করে নিন

0মোট চারটি বেদের অর্থাৎ ঋগ্বেদ, সামবেদ, যজুর্বেদ এবং অথর্ববেদ এর ডাউনলোড লিংক আমরা দিয়ে দেবো। আপনারা এখান থেকে ডাউনলোড করে নিতে পারবেন। বেদ হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে প্রাচীন এবং পবিত্র একটি ধর্মগ্রন্থ। এটিকে বলা হয় অপৌরুষেও, যার অর্থ যা কোন মানুষের সৃষ্টি নয় বা, অলৌকিক। বেদ এর স্রষ্টা হিসেবে মহাভারতে ব্রহ্মার উল্লেখ পাওয়া যায়। বেদে সর্বমোট

পারস্য

জেন্দাবেস্তা(জেন্ট এভেস্টা)- পারস্যের প্রাচীন ধর্মগ্রন্থ

0 জেন্দাবেস্তা হচ্ছে ইরানের প্রাচীন জরুথ্রুষ্টীয় ধর্মের(বা, পারসিকদের) প্রধান ধর্মগ্রন্থের নাম। এটিকে অনেক সময় এভেস্তাও বলা হয় যা লেখা হয়েছে এভেস্তিয়ান ভাষায়। এই ভাষাটি বেদের ভাষা সংস্কৃতের মতই পুরনো। জেন্দাবেস্তা সম্পর্কে আরো কিছু তথ্য এভেস্তা অর্থ মূলনীতি বা, ভিত্তি। হিন্দু ধর্মের অনুসারীদের মতো জরুথ্রুষ্টীয় ধর্মাবলম্বীরাও দাবি করে যে এটিই সবচেয়ে প্রাচীন ধর্ম। এই লেখাগুলো ইউরোপের

আরজ আলী মাতুব্বরের লাইব্রেরী

আরজ আলী মাতুব্বর ছিলেন একজন স্বশিক্ষিত দার্শনিক

0 আরজ আলী মাতুব্বর বরিশালের একজন কৃষক এবং একজন মাতুব্বর ছিলেন। পরবর্তীতে তিনি বিজ্ঞান, ইতিহাস, ধর্ম, দর্শন ইত্যাদি বিষয়ে পড়াশোনা করে একজন স্বশিক্ষিত দার্শনিক হয়ে ওঠেন। প্রচলিত ধর্মবিশ্বাস এবং আচরণ নিয়ে তিনি অনেকগুলো প্রশ্ন করেছেন এবং কিছু বিষয়ে নিজের মত ব্যক্ত করেছেন।  আরজ আলী মাতুব্বরের লাইব্রেরী বাংলা একাডেমীর আজীবন সদস্যপদ লাভ করা এই ব্যক্তিটি তার

তাও ধর্ম

তাও ধর্ম এবং ইন, ইয়ান এর ধারনা

0তাও শব্দের অর্থ ‘বিশ্বব্রহ্মান্ডের প্রাকৃতিক উপায় বা, নীতি’ । তাও ধর্ম একই সাথে একটি দর্শন এবং ধর্মবিশ্বাস বলে বিবেচিত। চীনের গ্রামীণ মতবাদ একসময় তাং রাজ্যের রাষ্ট্রীয় ধর্ম হিসেবে আবির্ভূত হয়। লাওৎসি তাওকে এই ধর্মের প্রতিষ্ঠাতা বলে মনে করা হয়। এই ধর্মে  ইন ইয়াং মতবাদের প্রভাব রয়েছে। অমরত্ব লাভের চেষ্টা বা, কৃত্তিম উপায়ে স্বর্ণ তৈরির চেষ্টা

জৈন ধর্মের প্রতীক

জৈন ধর্ম ও জৈন ধর্মগ্রন্থ

0বাংলাদেশে জৈন ধর্মের খুব একটা প্রসার দেখা যায় না, তবে ভারতে এই ধর্মের অনেক অনুসারী রয়েছে। এটি বৌদ্ধ ধর্মের সমসাময়িক একটি ধর্মবিশ্বাস। সংস্কৃত শব্দ ‘জিন’ থেকে জৈন শব্দটির উৎপত্তি যার অর্থ জয় করা। মানুষের আকাঙ্ক্ষা, আসক্তি, লোভ, ক্রোধ, অহংকার এগুলোকে যারা জয় করতে পারে তাদেরকে বলা হয় জিন এবং তাদের আচরিত ধর্মমতকে বলা হয় জৈন