0জনমানব—-আর ভূখণ্ড থাকলে কি’হয় দেশ, মুখের ভাষা হরণ হইলে দেশটা হয় যে শেষ। সার্বভৌম —আর সীমানা বৈধ সত্ত্বায় রয়, জনগোষ্ঠীর জন্য সরকার গঠন করতে হয়। সরকার গঠন করবে দেশে দিয়ে সবাই ভোট, সংবিধানের আইনে আছে লিখিত সেই নোট। শাসন নীতি বিচার বিভাগ মুখাপেক্ষী নয়, দেশের মানুষ চলতে ফিরতে পায় না কভু ভয়। স্বাধীন দেশে স্বাধীন
Category: নতুন লেখকদের লেখা
0বাবা মায়ের নির্দেশ মেনে জীবন গড়ে যারা, জীবন পথে সকল কর্মে বেজায় খুশি তারা। বাবা মায়ের আদেশ জারি সন্তান মেনে চলে, সেই সন্তানের জান্নাত যেন মায়ের চরণ তলে। বাবা মায়ের জন্য সন্তান এলো এই না ভবে, মহান রবের সকল সৃষ্টি দেখলো সন্তান তবে। তাদের মনে আঘাত করলে রবের আরশ কাঁপে, মরার পরে কঠিন আজাব রবে
0 শিক্ষকগণে সহাস্যমুখে করেন যে পাঠদান, দিবো মোরা শিক্ষকগণের সবার উপর মান। এই সমাজে জ্ঞাণের বাহক সকল শিক্ষকগণে, শিক্ষক পেশা অতি মহান জানি সকল জনে। বাবা মায়ের পরেই শিক্ষক হয় না কিছুই আর, আমার কাছে বড়ো মহান সকল শিক্ষক স্যার। শিক্ষক হলো মানুষ গড়ার আজব কারিগর, মানুষ হতে চাইলে করবে তাদের উপর ভর। শিক্ষক হলো
0ভাদ্র মাসের বেতাল গরম তাল পেকেছে গাছে, পাকা তালের তাল গুলো যে মোদের বাড়ি আছে। তাল গাছ গুলো অনেক বড়ো দাদির স্মৃতি বহে, তাল গাছের ওই সারি দেখে মা’য়ে আমায় কহে। তাল তোলাতে তাল কুড়াতে দারুণ ভালো লাগে, মায়ের হাতের তালের পিঠা খেতাম তবে আগে। তালের বড়া তালের মিঠাই বানায় মা’য়ে নিজে, গরম গরম খাবার
0শৈশব বেলার মধুর স্মৃতি পড়ছে মনে কার, দল বেঁধে সব বাঁশের সাঁকো হতাম কতো পার। কেউবা দিতো সাঁকো থেকে আচম্বিতে ঝাঁপ, কারোর গায়ে রঙিন পোশাক ধরতো কতো ভাব। বলতো জোরে নবাব পোলা বকা দিতো তার, হইহুল্লোড় …….উচ্ছাস নিয়ে কাদা ছুঁড়ে মার। মাঝ খালেতে ডুব-সাঁতারে যায় গড়িয়ে বেলা। কলার ভেলা ভাসাই সবাই কতই মজা খেলা। খাল
0বিশ্বকাপে —তামিম ছাড়া হতাশ হলো জাতি, দাবার চালে বদলে গেলো বিসিবি বোর্ড রাতি। খান সাহেবের মান কেড়েছে জাতির হতাশ করে, মীর জাফরের ধনুক বিধলো তামিম গেলো পড়ে। খান সাহেবের অর্জন গুলো গেলো সবি ভুলে, সত্য জানলো যখন জাতি বিসিবি যে ফুলে! ওয়ানডে তার সর্বোচ্চ রান সেরা দ্বিতীয় ম্যাচে, ক্যামনে তামিম পড়লো তবে বিসিবির ওই প্যাচে।
0নামাজ পড়ো পাঁচ ওয়াক্ত ওহে মুসলিম গণে, জীবন গড়ো হালাল পথে রাখো প্রভুর সনে। নামাজ যেনো হয়না বৃথাই কপাল কালো করে, কার ডাকেতে দিচ্ছো সাড়া প্রভুর মসজিদ ঘরে। নামাজ কভু হয়না কবুল হারাম রুজি খেলে! মুসলিম হয়ে করছো ভক্ষণ সামনে যাহা পেলে। পাক্কা মুসলিম সমাজ জাতি তোমায় সবে মানে, কেমন মুসলিম মানব তুমি প্রভু কিন্তু
0পৃথিবীতে কি শুরু হলো ,এ বেলায়? মরা – মারী হত্যা, লুটে ভরপুর সব মেতেছে আজ ওরা ভয়ানক খেলায় দিনে দিনে শুরু হয়েছে মৃত্যুর কলরব দিকে দিকে শুধু আমি হাহাকার শুনি, পৃথিবীর চতুর্দিক থেকে ভেসে আসে, তাদের আর্তনাদ সময় যাই শুধু গুনি। আকাশ বাতাস ভারি তাদের দীর্ঘশ্বাসে। বন্ধু!তোদের হরষ ধ্বনি ভেসে আসে বন্ধু! তারা তো তোদেরই
1গল্প লোভ করা ভালো নয় আফছানা খানম অথৈ রাজা লুইফ ছিলেন লোভী স্বভাবের একজন মানুষ।বিশেষ করে স্বর্ণলংকারের প্রতি তার লোভ ছিলো খুব বেশি। তিনি যেখানে স্বর্ণ পেতেন তা কুড়িয়ে এনে সিন্ধুকে ভরে রাখতেন।তিনি উজির নাজির সেনাপতি মন্ত্রিদের বলে দিয়েছেন,প্রজাদের যে কারো কাছে স্বর্ণ পাবে তা যেন কুড়িয়ে এনে রাজাকে দেয়।এই সেরেছে রাজা হুকুম দিয়েছে,উজির নাজির
0শিরো নামে, পৃথিবীর অন্তরালে এক প্রাচীন রাজ্য ছিল, বাতাসে ভেসে আসে লুকানো স্মৃতির মতো তার নাম, শূন্যতায় হারিয়ে যায় জীবনের গল্প— পাহাড়ের ধূসর ছায়ায় পাখির পালকের মতো হালকা, জমে থাকা দুঃখগুলির মতোই ম্লান ছিল রাজ্যের প্রান্তর। তবে শিরো, এক ফিনিক্সের সন্তান, নিভৃত প্রান্তরের সেই অচেনা মাটিতে দাঁড়ায়— যেখানে শীতের পাতা ঝরে পড়ে চুপিসারে যেন কোনো