গল্প বড় বোন আফছানা খানম অথৈ

0#গল্প বড় বোন আফছানা খানম অথৈ বাবার মৃত্যুর পর সংসারের হাল ধরেছিল বড় মেয়ে রেহানা। তখনও তার নিজের বয়স খুব বেশি নয়। ছোট তিন ভাই-বোন—বীথি, রিশাত ও নুহা—আর অসহায় মা। সংসারে উপার্জন করার মতো আর কেউ নেই। রেহানা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক। স্কুলের বেতন দিয়েই কোনো রকমে সংসার চলে। কিন্তু সংসারের খরচ, ভাই-বোনদের পড়াশোনা, মায়ের

নূপুর হয়ে থাকব তোমার পায়ে

0যখন দেখি তোমার ঐ সুন্দর নূপুর পা দুটি আহা, মন আমার মিশে যায় তোমার মধ্যে একেবারেই! তোমার পায়ের ঐ সৌন্দর্যের কাছে জগতের রূপ কিছুই নয়। নূপুর পরা পা দুটি আহা, রূপকথার যেন কন্যাটি! যদি হতে পারতাম তোমার পায়ের নূপুর জীবন হ’ত ধন্য তোমার পায়ে বাস করে। যখন তুমি হেঁটে যাবে পথে আমি বাজব…. আমার শব্দেই

গল্প কেউ নেই পাশেব

0#গল্প কেউ নেই পাশে আফছানা খানম অথৈ লেদু মিয়ার বয়স একশ পাঁচ বছর। বহু বছর আগে তাঁর স্ত্রী পৃথিবী ছেড়ে চলে গেছেন। তখন অনেকেই দ্বিতীয় বিয়ের পরামর্শ দিয়েছিল। কিন্তু ছোট্ট ছেলের মুখের দিকে তাকিয়ে তিনি আর সংসার পাতেননি। নিজের সুখ-স্বপ্ন বিসর্জন দিয়ে একমাত্র সন্তানকে মানুষ করাই ছিল তাঁর জীবনের একমাত্র লক্ষ্য। কত কষ্টই না করেছেন!

দ্বিত্ব

0দ্বিত্ব বিপ্রতীপ অপু কী ব্যাপার এমন স্তব্ধ হয়ে বসে আছো ক্যানো? অফিস থেকে ফিরে নিজের রুমে ঢুকে স্বামীকে রকিং চেয়ারে ঝিম মেরে বসে দুলতে দেখে ঝেঁঝিয়ে উঠলো রোজী। আজ স্বামীকে নিজের আগে ঘরে দেখে একটু অবাকও হলো। তাড়াতাড়ি ফিরলে যে?  অফিসে কোনো ঝামেলা হয়েছে? ড্রেস চেঞ্জ করতে করতে আবারও প্রশ্ন করলো রোজী। কিন্তু রাজীব নিরুত্তর।

গল্প

0#গল্প রূপকথা আফছানা খানম অথৈ পৃথিবীর সব প্রেমই কি পূর্ণতা পায়? কিছু প্রেম জন্ম নেয় শুধু হৃদয়ের গোপন কুঠুরিতে, নিঃশব্দে বেড়ে ওঠে, আর একদিন না-বলা কথার ভারে চিরদিনের জন্য হারিয়ে যায়। রূপকথা—নামের মতোই সে ছিল স্বপ্নের এক রাজকন্যা। তার চোখে ছিল শ্রাবণের গভীরতা, হাসিতে ছিল ফাগুনের রঙ, আর কণ্ঠে ছিল মায়াভরা এক কোমল সুর। তাকে

ভোরের আলো

0সকাল বেলার মিষ্টি আলোয় মেলো দুটি চোখ, বই খাতাটি হাতে নিয়ে পড়তে বসা হোক। নতুন কিছু শিখবো মোরা, জুড়াবে এই প্রাণ; লেখাপড়ায় গড়বো জীবন, দেশের রাখবো মান। জ্ঞানের আলো ছড়িয়ে তো ঘুচবে কালো রাত, সবার সাথে চলবো মিলে বাড়িয়ে এই হাত। পাখির ডানায় স্বপ্ন মেলে ছুটবো আকাশ পান, বিশ্বভুবন জয় করে আজ গাইবো জয়ের গান।

অনন্ত প্রস্থান

0কিসের জন্য এই ধরাতে মানুষ রূপে আসা, যেতেই হবে জেনেও তবে বাঁধো মোহের বাসা। মিথ্যে মায়ার এই বাঁধনে বৃথাই মরি কেঁদে, দিন শেষে তো ফিরতে হবে শূন্য হাতটি বেঁধে। খাঁচার পাখি অচিন দেশে উড়বে ডানা মেলে, সবাই তোমায় ভুলে যাবে মাটির ঘরে ফেলে। সময়-স্রোতের অতল টানে ভাসবে মলিন প্রাণ, পরম খাতার শেষ পাতাতে পুড়বে মায়ার

কবিতা কষ্টে ঘেরা জীবন আফছানা খানম অথৈ

0কবিতা কষ্টে ঘেরা জীবন আফছানা খানম অথৈ কষ্ট ঘেরা জীবন মোদের, কেউ দেখে না ফিরে, দুঃখের বোঝা মাথায় নিয়ে চলি একা ধীরে। পথে পথে ঘুরি আমি, পথই আমার ঠাঁই, এই জীবনে আপন বলে নেওয়ার কেউ নাই। বাবা গেল, মাও চলে গেল, আমি হলাম একা, শূন্য বুকের গভীর ব্যথায় কাটে জীবন ফাঁকা। এই জীবন চলার পথে

বিবেক-অন্ধ জাতি

0কালিমার ওই মর্ম বেদীন ওরা বুঝলো ঠিক। বিপথগামী জাতির প্রতি ছড়াল শত ধিক। এই কালিমার নিশান রেখে অন্য নিশান ধরে, পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়েই মুসলিম দাবি করে। খোদার দুশমন দ্বীনের শত্রু জানে মুসলিম জাতি, ক্যামনে তবেই মুসলিম হয়ে ওদের জন্য মাতি। লোক-দেখানো মুসলিম ওরা, তাই তো মেসি-ভক্ত, ভিনদেশি এক গুণের মোহে ঈমান হলো শক্ত! জীবন

শিক্ষক ও সংস্কৃতি

0সংস্কৃতি যে মনের আলো জাগায় নতুন দীপ্তি, তা ছাড়া কি শিক্ষকতায় আসবে মনের তৃপ্তি? মনন মাঝে শিল্প নাচে মেটায় প্রাণের তৃষা, সেই আলোতেই শিক্ষক তো কাটায় মনের দিশা। পুঁথিগত বিদ্যা কেবল ভুল ধারণা ভাঙে? সংস্কৃতির রঙ না থাকলে মন কি কভু রাঙে? প্রকৃতি আর চারপাশেই শিক্ষা নতুন জাগে, সংস্কৃতির ছোঁয়া পেলে সবই ভালো লাগে। নতুন