নাম (৪)

0বারে বারে একটি কথাই মনে হয়,’ তুমি আমার নয় তুমি আমার নয়’। অথচ কে যেন বলছে তুমি আমার। আসলে কি তুমি আমার?  না, তুমি অন্য একজনের। সেই একজনের নাম আমায় বল, আমি তার নাম পাল্টে দেব। যদি নাম না পাল্টায়? বলব, তুমি এমন নাম নিয়ে চল কেন,  তোমার অন্য একটি নাম গ্রহণ করা উচিত। সে

শীতলক্ষ্যা ( রূপক কবিতা, প্রেমের কবিতা)

0তুমি যখন হাস তখন চেয়ে থাকতে ইচ্ছে হয়।অথচ আজ তুমি একবারও হাসলেনা, এ কেমন! বল যেদিন শীতলক্ষ্যার পাড়ে বেড়াতে যাবে সেদিন হাসবে কিনা।তানাহলে যে আমার শীতলক্ষ্যাই ব্যর্থ হয়ে যাবে। শীতলক্ষ্যাকে কে কি দিয়েছে বলতে পার।আমি দিতে চাই সবচেয়ে সুন্দর ফুল। তুমি হাসবে কিনা বল। যদি হাস খিলখিলিয়ে উঠবে দাঁত। আমি শুধু চেয়ে থাকব, বলব, এ

ফুল (৮)

0ধর পৃথিবীতে কোন সমুদ্র নেই, সবাই ভাবল কোথায় গেলে সমুদ্র পাওয়া যায়, কোথায় গেলে সমুদ্র পাওয়া যায়। শেষ পর্যন্ত দেখা গেল কোন এক নদীর ধারে সমুদ্র। তখন কি হবে?  এখানে আগে আসলেতো সমুদ্র দেখতে পেতাম।অর্থাৎ নদী দেখতে চেয়ে সমুদ্র দেখতে পাওয়া। এখন বল তুমি আমার হবে কিনা। আমার হলে এমন একটি ফুল দেব যার কোন

উপন্যাস পর্ব সাত মেয়েদের জীবনে বিয়ে একবার হয় আফছানা খানম অথৈ

0উপন্যাস পর্ব “সাত” মেয়েদের জীবনে বিয়ে একবার হয় আফছানা খানম অথৈ আজ সরকারী ছুটি সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ।নয়ন এখনো শুয়ে আছে।মনের জগত খুলে প্রিয়তমাকে নিয়ে ভাবছে। একের পর এক ভাবনা গুলো মনের দুয়ারে এসে দোল খাচ্ছে।যতই ভাবনার অবসান ঘটাতে চাইছে ততই দোর খুলে যাচ্ছে।শান্তার মিষ্টি মায়াবী চেহারা বারবার তার চোখের সামনে ভেসে উঠছে।শিহরনে শিহরিত দেহমন

লাশ ( ৩)

0দিনরাত চব্বিশ ঘণ্টা পত্র লেখত সে।প্রতি পত্রেই বলত আমি তোমাকে ভালবাসি, আমি তোমাকে ভালবাসি। আমি যেতামনা।একদিন গিয়ে দেখলাম মৃত। এই কি হয়েছে, কি হয়েছে?  তোমার জন্য জীবন দিয়েছে। আজ তার জন্মদিন, এ লাশ আমি কিভাবে সৎকার করব! সৎকার করতে গিয়ে যদি দেখি লাশ একটুও কথা বলছেনা তাহলে কি আমি মরে যাব?  আসলেই আমার মরে যাওয়া

ফুলের সৌরভ (৫)

0যদি কোনদিন আর এই পৃথিবীতে ফুল না ফুটে আমি কি তোমাকে ভালবাসব? অবশ্যই বাসব,কারন,তুমিই আমার কাছে সবচেয়ে সুন্দর ফুল। এই পৃথিবীতে কবে কখন সুন্দর ফুল’ ফুটেছে কেউ কি বলতে পারবে?  জানি পারবেনা, তাইতো তুমি সবচেয়ে সুন্দর ফুল।তোমার মা তোমার কি নাম রেখেছে জানিনা, তবে তোমার নাম হওয়া উচিত সবচে’ সুন্দর ফুল। ধর ধরিত্রীতে কেউ নেই

বেনারসি শাড়ির ফাঁকে ফাঁকে ( প্রেমের কবিতা)

0এখানে কুকুর বসে থাকে, এখানে পাখি ঘুমায়; এখানে তুমি যেওনা, এখানে গেলে তুমি কষ্ট পাবে। জানি যেখানেই থাক তুমি আমার গান গাও, তুমি সে গানই গেয়ো।তুমি যা চাও তাই পাবে, যদি বল জাপান থেকে চায়ের কেতলি এনে দিতে, এনে দেব, তবু তুমি সে গানই গেয়ো। কেউ কি তার প্রেমিকার মন রেখে অন্য কারো মন জয়

ভালবাসার নাম দীপশিখা

0জানি তুমি সুন্দর, কবিতার মত সুন্দর। তুমি আমাকে ভালবাসনা। তাইতো তোমাকে আমার একটুও সুন্দর লাগছেনা। তুমি যদি বলতে কথা কবিতার মত, গাইতে গান সরস্বতীর মত কতইনা ভাল লাগত।তুমি একটুও সে কাজ করনা, তাইতো তোমাকে আমার ভাল লাগছেনা।যত যাই কর ভালবাসাকে অপমান কোরোনা।ভালবাসাকে অপমান করলে ঈশ্বরও যে সইতে পারেনা।তুমি আমাকে এ পর্যন্ত যত কথা দিয়েছ সবচেয়ে

প্রিয়া (৯)

0যদি আকাশের দিকে তাকাই মনে হয় আকাশ হাসছে, যদি পাথারের দিকে তাকাই মনে হয় পাথার হাসছে। আসলে কি কিছু হাসছে?  কিছুই হাসছেনা।হাসছ শুধু তুমি যেই তোমাকে আমি ভালবাসি। কারন আমি এমন কিছু করেছি যা তোমার ভাল লাগেনা। আমি এমন কাজ করতে গেলাম কেন! হে ঈশ্বর আমাকে শুধু তার কথা মত চলার তওফিক দান কর।তার কথা

প্রিয়া নামের পুতুল খেলা

0জানি তুমি এখন আর জানালার গ্রীল ধরে দাঁড়িয়ে থাকনা।জানালার গ্রীল ধরে দাঁড়িয়ে থাকতে তোমার ভাল লাগেনা। কেউ একজন তোমাকে বলেছে, “তুমি কেন জানালেন গ্রীল ধরে দাঁড়িয়ে থাক! ” তুমি আমাকে তার নাম বলঃ আমি এক্ষুণি জিজ্ঞেস করব।আমার প্রিয়া জানালার গ্রীল ধরে দাঁড়িয়ে থাকবে না কি করবে তার কি! আমার প্রিয়া যা ইচ্ছা তা করবে, তাকে