অস্তিত্ব মম- ভাস্কর পাল

0অস্তিত্ব মম ভাস্কর পাল   জীবনের এই ছোট্ট খাঁচায় বিরাট এক মস্ত বাঁধন, অস্তিত্বের পরিহাসে- জীবনটা আজ অচল।   অন্ধকারেই হচ্ছে কত বাস্তব গুলো অবাস্তব, ভাগ্য চক্রের রথের চাকায় অস্তিত্ব আজ হচ্ছে শেষ।   অকারণেই কত চিহ্ন অজান্তেই যাচ্ছে মুছে- নিজেরই আজ অস্তিত্ব নেই নিজের দেহের মাঝে।   নিজের ভাগ্য অন্যের হাতে হচ্ছে লেখা খুব

ইচ্ছে – ভাস্কর পাল

0ইচ্ছে ভাস্কর পাল   ইচ্ছে কি আর বাস্তব হয়? ইচ্ছে যে আজ কল্পনাতে, অনিচ্ছাটাকেই ইচ্ছে করে মাথায় করে যাচ্ছি নিয়ে।   বর্তমানের তালে তালে চলতে গিয়ে পথ- ইচ্ছে গুলো মনের ঘরেতে বন্দি হয়েছে আজ।   ইচ্ছে করে অনেক কিছুই কিন্তু যায় না করা, ইচ্ছাটাকে কলমে গেঁথে করছি আজ শব্দ নিয়ে খেলা।   সব ইচ্ছের দাম

একাকিত্বতা – ভাস্কর পাল

0একাকিত্বতা  ভাস্কর পাল   আকাশ – রবি মিশেছে যেখানে নীল সমুদ্রের পারে- একাকিত্বতার সঙ্গী হয়ে ঢেউ এর ধ্বনি বাজে।   সকাল সকাল কর্ম ব্যাস্ত ঘুমন্ত সেই রবি- সন্ধ্যে হলেই ফিরে আসে ক্লান্ত হয়ে ঘরের দ্বোরে।   মাতাল হয়ে ওঠে যখন প্রবল ঝোড়ো হাওয়া সমুদ্র তীরের বালু রাশিরা তখন হয় সঙ্গী আমার।   মধ্যরাতের সেই আকাশে

বিপর্যয় – ভাস্কর পাল

0বিপর্যয় ভাস্কর পাল   বিপর্যয়ে বাড়ি ফিরে বাবা দাড়িয়ে গলা জলে, থমকে গিয়ে খুঁজতে থাকে হারিয়ে যাওয়া গৃহ তাদের।   চিহ্ন নেই সেই নিবেসের চিহ্ন নেই বউ – সন্তানের; পাগল হয়ে হাতড়ে খোঁজে জমানো টাকার কৌটা টাকে।   শিশু তার বড্ডো ছোটো মায়ের কোলে খেলা করে, চিহ্ন নাহি পাইলো তাদের বাবার চোখে জল ঝরে।  

মেঘলা দুপুর – ভাস্কর পাল

0মেঘলা দুপুর ভাস্কর পাল   সকাল থেকেই আকাশ কেমন ঘনিয়ে ছিল অন্ধকারে- হঠাৎ এক গর্জনের সহিত বর্ষণ নামলো ভর দুপুরে।   ঝড়ের বেগে বইছে বাতাস ধূলি ওরে চারিধারে- পাখিরা সব দ্রুত বেগে বাড়ির দিকে যাচ্ছে উড়ে।   এক চমকে আকাশ সাজে বজ্র – ঝলকে মাতিয়ে তোলে- অসমাপ্ত বৃষ্টি নামে চারিদিকে জল ঝরে।   থামলো গিয়ে

দাবা – ভাস্কর পাল

0দাবা ভাস্কর পাল   ষোলো ষোলো গুটি নিয়ে দুইটি দলের যুদ্ধ- সাদা – কালো মিলে মিশে হয়েছে এলোমেলো।   রাজা আছে – মন্ত্রী আছে আছে কত সিপাই অশ্ব – গজ – নৌকা নিয়ে লেগেছে মহা লড়াই।   ৬৪ টা স্থানের মধ্যে ৩২ টা দখল করে- যুদ্ধ মঞ্চে নেমে পড়েছে মগজাস্ত্র সচল করে।   দাবা খেলা

পড়ন্ত বিকেল – ভাস্কর পাল

0পড়ন্ত বিকেল ভাস্কর পাল   স্তব্ধ স্তব্ধ মুহূর্ত সব বন্দি হলো কলম খাতায় স্বপ্নরা আজ বাঁধলো বাসা দিনের শেষে চোখের পাতায়।   রৌদ্র মাখা ক্লান্ত দিবস অপেক্ষায় গুনছে সময় নিশি রাতের কোমলতায় পরশ মিলবে চোখের কোণায়।   বৈকালে সেই বকুলতলে মধুর ছায়ায় নিদ্রা নামে পথিকরা সব বাড়ি ফেরে সাড়া দিনের কর্ম সেড়ে।   মৃদু বাতাস

বসন্তের রঙে – ভাস্কর পাল

0বসন্তের রঙে ভাস্কর পাল   বসন্তের রঙ ঝড় তুলেছে পরশ করিব তারে, উন্মুক্ত আজ বসন্ত প্রেম রঙ্গীত সেই ঋতু জুড়ে।   পাতা ঝরানোর দিনের সাথে কোকিলের সেই কুহু কুহু তান, বসন্ত আজ এসেছে দ্বোরে রঙের ছোঁয়ায় জুড়ায় প্রাণ।   নানা সুরের ছন্দ জুড়ে রঙিনতার প্রেমের ঘোরে, এ বসন্তের আবির রঙে সজ্জিত প্রেম হৃদয় জুড়ে।  

সাদা মেঘ – ভাস্কর পাল

0সাদা মেঘ ভাস্কর পাল   নীল আকাশে পুঞ্জ পুঞ্জ সাদা মেঘের কত কুঞ্জ অচেনা ঠিকানায় যায় ভেসে দূর হতে বহু দূরে।   রোদ ঝলমল নীল আকাশে সাদা মেঘের গুচ্ছ- আকাশটাকে সাজিয়ে তোলে করে অপরূপ সজ্জিত।   সাদা মেঘের পুঞ্জ গুলো নানান আঁকার নেয়- কত কিছু প্রকাশ করে নীল আকাশের গায়।   শরতের নীল আকাশে সাদা

অন্ধকারে – ভাস্কর পাল

0অন্ধকারে  ভাস্কর পাল   যখন নেভে সূর্য বাতি আঁধার নামে এ ধরাতলে- নিশি রাতের সূর্যি হয়ে চন্দ্র ফোটে আকাশ মাঝে।   নয়ন জোড়া বন্ধ করলে আঁধার নামে সবার চোখে চক্ষুহীনদের চিরকালই- অন্ধকার জীবন মাঝে।   আঁধার আবার ভিন্ন স্বাদেও নেমে আসে জীবন মাঝে- একলা ঘরের একলা আকাশে আঁধার কেউ উপভোগ করে।   আবার কেউ অন্ধকারকে