জীবন যুদ্ধ – ভাস্কর পাল

0জীবন যুদ্ধ ভাস্কর পাল   জীবন তো এক যুদ্ধ মঞ্চ লড়াই চলছে ধেয়ে, কোথাও হচ্ছে সময় স্তব্ধ সুপ্ত গল্পে যাচ্ছে ভরে। ঘূর্ণিপাতে ঝড় উঠেছে কোথাও চলছে বিপর্যয়। প্রকৃতির এ লীলা খেলা জীবন মাঝে বয়ে যায়। বাটি হাতে পথের ধারে নেমেছে কত শিশু সকল, জীবন যুদ্ধে নেমে পড়েছে দু-বেলা খাবারের জন্য। বিশ্ব মাঝে চলছে যে এক

মধ্য রাতে – ভাস্কর পাল

0মধ্য রাতে ভাস্কর পাল   মধ্য রাতে কল্পনাতে হাজারও স্বপ্ন বদ্ধ চোখে- অন্ধকারে নিস্তব্ধতায় আলোকচিহ্ন হাতড়ে খোঁজে।   আকাশের বুকে অন্ধ রাতে, রাত জাগা সব মিটমিটে তারা ক্লান্ত হয়েও দিচ্ছে আলো জ্বলছে – নিভছে জোনাকি ধারা।   হারানো স্বপ্ন আজও খুঁজি একলা রাতের অন্ধকারে, কাটিয়ে আসা সময় গুলো ফিরে পেতে চাই নতুন করে।   মধ্যকালীন

মেঘের নৌকো – ভাস্কর পাল

0মেঘের নৌকো  ভাস্কর পাল   ঈশান কোণের নীল আকাশে পাল তোলা এক নৌকা সাজে, মেঘ পিওনের চিঠি নিয়ে নৌকা লয়ে মাঝি আসে।   নির্জন এক ক্লান্ত দুপুর নিদ্রিত সব মানুষ জন, আকাশ হতে মেঘের নৌকো আসবে নিয়ে বার্তা কখন!   অপেক্ষাতেই কাটছে দিন মেঘের মাঝে দাঁড় বাইছে, গোধূলির সেই করুন রবি সাঁঝ বাতির গান গাইছে।

কোকিলের কুহু – ভাস্কর পাল

0কোকিলের কুহু ভাস্কর পাল   বসন্ত আজ প্রকাশ পায় না এই শহরের বুকে, কোকিলের সেই কুহু তানটা আজ হারিয়ে গেছে।   বসন্ত আনে রঙের ছোঁয়া রঙিন করতে ভুবন, কোকিলের সেই কুহু কুহু গান বসন্তকে জানায় আহ্বান।   শহরে আজ যায় না শোনা কোকিলের কলরব, অনেকেই আজ ভুলেছে তাই বসন্তের কোকিল রাজ।   গ্রাম্য মাঝে আজও

আমার শহর – ভাস্কর পাল

0আমার শহর ভাস্কর পাল   আমার শহর বড্ডো শান্ত কলরব যায় না শোনা, আমার শহর সুস্থ সবল বাতাসে মেশেনি ধোঁয়া।   আমার শহর শব্দহীন মনুষ্যর কানে বধিরতা, আমার শহর বড্ডো লাজুক মুখে নেই কথ্য ভাষা।   আমার শহরেও সন্ধ্যে নামে সূর্যি অস্ত গেলে- চাঁদ ওঠেনা মোর শহরে অমাবস্যায় থাকে ছেয়ে।   আমার শহরে আসা নিষেধ

শুকতারা – ভাস্কর পাল

0শুকতারা ভাস্কর পাল   দিবা আকাশের পূর্ব দিকে চিহ্নিত আমি লক্ষণ রূপে- আসলে তো শুক্র গ্রহ রূপভেদী নক্ষত্র মাঝে।   সন্ধ্যা আকাশে পশ্চিম পানে সন্ধ্যাতারা রূপে ভূষিত করে, একই স্থানে স্থির থাকি উজ্জ্বল এক জ্বলন্ত সৃষ্টি।   মিটমিটে তারা নই যে আমি নেই আমার নিদ্রা – ক্লান্তি দিন রজনী উজ্জ্বলিত একই ধারায় আলোকিত।   মহাকাশের

স্বপ্নতরী – ভাস্কর পাল

0স্বপ্নতরী ভাস্কর পাল   স্বপ্নতরী যাচ্ছে ভেসে দূর অজানা পথে, ঝোড়ো বেগে বইছে বাতাস দুলতে – দুলতে যাচ্ছে।   দূর ঠিকানায় পৌঁছে যাবে স্বপ্ন গুচ্ছ নিয়ে, আসবে ফিরে স্বপ্নতরী স্বপ্ন পূরণ করে।   অপেক্ষাতে চেয়ে থাকবো নদীর পারে দিন গুনবো- সূর্যি উঠবে অস্ত যাবে, আকাশ পানে তারা দেখবো।   স্বপ্নতরী হারিয়ে যাবে আসবে না আর

প্রাচীন স্তুপ – ভাস্কর পাল

0প্রাচীন স্তুপ ভাস্কর পাল   চিহ্নিত সেই অকপট সজ্জিত কত প্রাচীন ভুবন, চির কল্পনার গল্প রূপে স্থান পেয়েছি ইতিহাসে।   প্রাচীন সেই সভ্যতা গুলো ধ্বংস স্তুপে ধুলিমা লিপ্ত- কত সভ্যতার শিকড় সব নদীর জলে লুকিয়ে আজও।   উন্নত এই বিশ্ব মাঝে হারানো কত সুপ্ত প্রাণ যুগান্তরেও লেগেছে এক প্রাচীন স্তুপের জীবাশ্ম টান।   মাটির গভীরে,

বাঁকা চাঁদ – ভাস্কর পাল

0বাঁকা চাঁদ ভাস্কর পাল   চিত্রপটের চিত্র আঁকে পূর্ণিমার ওই চন্দ্র চাঁদকে নিয়ে রোমাঞ্চকর কত না লেখা গল্প।   পূর্ণিমার সেই পূর্ণ চন্দ্র তাকে নিয়ে ওঠে কত না কল্প চিহ্নিত সৌন্দর্যের প্রতীক কারো কাছে ঝলসানো রুটি।   অমাবস্যার গভীর অন্ধকারে চন্দ্র সেদিন লুকিয়ে পরে, কিছু দিনের প্রতীক্ষাতে বাঁকা চাঁদ আসে পূর্ণ রূপে।   কারো কল্পনার

কেন? – ভাস্কর পাল

0কেন? ভাস্কর পাল   নীচু – উঁচু হোক না জাতি আসলে তো সবাই মানুষ কেন মানুষ আজ, নিজের হাতেই মনুষত্বটা করছে শেষ!   মন্দির-মসজিদ-গির্জা হোক ঈশ্বর তো একই- কেন তবে ধর্ম ভেদে দরজার প্রান্তে তালা – চাবি।   জাতি ভেদে মানুষ আলাদা ধর্ম ভেদে রক্ত লাল কেন তবে ধ্বনি – গরিবের বন্ধুত্বটা হয় না আজ!