ভেংচি (৩)

0

আমি যাকে ভালবাসি তার চোখ সুন্দর, নাক সুন্দর, ঠোঁট সুন্দর, এমন কিছু নাই যা সুন্দর নয়।শুধু সুন্দর নয় তার হাসি।সে হাসলে যেন পিপীলিকা ভেংচি মারে।একদিন বললাম, এই তুমি এমন হাসি হাস কেন? বলে, এমন না হাসলে আমার ভাল লাগেনা। বললাম, মানে?  বলে, তোমাকে ভেংচি না মারলে আমার ভাল লাগেনা।এখন আমি তাকে রোজ রাতে স্বপ্ন দেখি, তাকে কি করা বলেনতো।

নদীর ধারে গেলেও সে ভেংচি মারে, পাহাড়ের কাছে গেলেও সে ভেংচি মারে, গাছের আগায় উঠলেও সে ভেংচি মারে ; কি করি বলেনতো।মাঝে মাঝে  মন চায় আমার তাকে রশি দিয়ে বেঁধে কিছুক্ষণ ভেংচি মারি।কিন্তু আমি তো সে ভেংচি পারিনা।

সিদ্ধান্ত নিয়েছি আগামী বছর যখন কেল্লায় যাব তাকে সাথে করে নিয়ে যাব, বলব, এবার কত ভেংচি মারতি পারস মার্।যদি  না পারে কেল্লার ভিতরে আস্তানা গেড়ে রেখে দেব ভেংচির বিদ্যা যাতে ভাল করে জানা হয়ে যায়।

একদিন, দুইদিন, তিনদিন, চারদিনের দিনেতো ভেংচির বিদ্যা পুরোপুরি আয়ত্ত্বে এসে যাবে। তখন না হয় ইচ্ছে মত ভেংচি কেটে চলে আসব।

ভেংচি মারতে  গিয়ে যদি সে লাথি মারে আমিও লাথি মারব , বলব, ভেংচি না মারলে আমার একটুও ভাল লাগেনা।


56
বিজ্ঞাপনঃ মিসির আলি সমগ্র ১: ১০০০ টাকা(১৪% ছাড়ে ৮৬০)

0

মোঃ আরিফ হোসেন

Author: মোঃ আরিফ হোসেন

আমার জন্মস্থান বাংলাদেশের চাঁদপুর জেলার ফরিদগঞ্জ উপজেলা। জন্ম তারিখ ০১/০১/১৯৮৪।আমি জাহাঙ্গীরনগরবিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএ থেকে বিবিএ পাস করেছি ।আমি মোঃ আরিফ হোসেন নামে কবিতা লিখি। এছাড়া আমার মোঃ আরিফ সর্দার নামে একটি কবিতার বই বেরিয়েছে, নাম, কনকচাঁপা দোদুল দোল।আমার ফেসবুক একাউন্ট এর নাম মোঃ আরিফ হোসেন ( সেখানে গিয়েও আমার কবিতা পড়তে পারেন)

নিচের লেখাগুলো আপনার পছন্দ হতে পারে

বিবেক-অন্ধ জাতি

কালিমার ওই মর্ম বেদীন ওরা বুঝলো ঠিক। বিপথগামী জাতির প্রতি ছড়াল শত ধিক। এই কালিমার নিশান রেখে অন্য নিশান ধরে,

শিক্ষক ও সংস্কৃতি

সংস্কৃতি যে মনের আলো জাগায় নতুন দীপ্তি, তা ছাড়া কি শিক্ষকতায় আসবে মনের তৃপ্তি? মনন মাঝে শিল্প নাচে মেটায় প্রাণের

অন্তরালে তুমি

প্রভু তুমি সব জায়গায় আছো জানি তাও, পাগল হয়ে তোমায় খুঁজি একটু দেখা দাও। বুকের মাঝে আছো প্রভু জীবন-স্বামী হয়ে,

অনুতাপের সিজদা

সারা জীবন সিজদা দিলাম প্রভুর পাওয়ার তরে, আসল সিজদা হয়নি দেওয়া রইলো কাযা পড়ে। বাহির পানে রইলো নজর ভেতর ছিল

Leave a Reply