সম্মিলিত মুনাজাত কি বিদ’আত?

0সম্মিলিত মুনাজাত জায়েয নাকি বিদ’আত? এ ব্যাপারে বিশেষ করে দুটি মত পরিলক্ষিত হয়। ১. মুস্তাহাব/উত্তম ২. বিদ’আত   যারা বিদ’আত বলে তাদের মধ্যে আবার দুই দল। ১. ফরজ সালাতের পর সম্মিলিত মুনাজাত বিদ’আত ২. যে কোনো সময় সম্মিলিত মুনাজাত বিদ’আত। যারা প্রথম দলের, অর্থাৎ অন্য যে কোনো সময় সম্মিলিত মোনাজাতকে জায়েজ বললেও ফরজ সালাতের পর

দম্ভের খেলা

0বাংলার মুসলিম ধর্মের নামে নিজের মতে চলে, তাইতো জাতি বিভক্ত আজ বহু নানান দলে। ইসলাম নিয়ে বাংলার মুসলিম অনেক বেশি জানে, সেজন্যই তো দেখছি বাংলায় কতোই নিয়ম মানে। ইসলাম নিয়ে লিখতে ইচ্ছে মনে আজি জাগে, কেনো আজকে ইসলাম এতো দলে দলে ভাগে। আল হাদীস ওই ধর্মের প্রচার সহীহ শুদ্ধ বলে, ওরাই নাকি একমাত্র সঠিক নিয়ম

ইমাম গাযালি (র.)

0ইসলাম ধর্মের মধ্যে মুসলিম বিশ্বের শ্রেষ্ঠ দার্শনিক এবং ইসলামিক চিন্তাবিদ ছিল আল গাযালি (র.)। তার পুরো নাম হলো ইমাম আবু হামিদ মুহাম্মদ আল গাযালি (র.)। মুহাম্মদ হলো নাম এবং উপনাম হচ্ছে আবু হামিদ। তিনি ৪৫০ হি: ১০৫৮ খ্রিস্টাব্দে ‘তুস’ নগরে জন্ম গ্রহণ করেন। তার পিতার নাম মুহাম্মদ আততুসি। তিনি ধর্মীয় এবং নৈতিক শিক্ষা অর্জনের পাশাপাশি

রমজান

0মুমিন বান্দার মাঝে আসলো বছর ঘুরে রোজা, নেক আমলে ভরবে জীবন কমবে পাপের বোঝা। রমজান মাসে ফরজ রোজা রাখে মুমিন বান্দা, রোজার পরশ ঘুচবে যত মন্দ সকল ধান্দা। রোজার বরকত বান্দাগণে আমল নেকি পূর্ণ, অন্তর আত্মা কলুষ মুক্ত অহং হবে চূর্ণ। রমজান মাসে পাপের পথটা ছেড়ে ভালোয় ঘেঁষো রোজা রাখে কুরআন পড়ে তাদের সাথে মেশো।

ইমাম আবু হানিফা (রহ.) এর জীবনী- লেখক ডট মি

ইমাম আবু হানিফা (রহ.) জীবনী

1  ইসলাম হচ্ছে একমাত্র মহা সত্য ধর্ম। যেখানে প্রতিটি মুসলমানকে ইসলামের নানান নিয়মকানুন মেনে চলতে হয়। রাসুলুল্লাহ সা. পরবর্তীতে যে কয়জন মনীষী এই ইসলামের খেদমত করে গেছেন, তাদের মধ্যে অন্যতম একজন হলেন  ইমাম আবু হানিফা (রহ.)। যার কৃতিত্বের কারণে  কিয়ামত পর্যন্ত মানুষ তাঁকে স্বরণ করবে। এই মহান বুজুর্গের অবদানকে আমরা কখনোই অস্বীকার করতে পারবো না।

হজরত দাউদ (আ) ও বাদশাহ জুলিয়েট

1হজরত দাউদ (আ) তখনও বেশ ছোট। শিশুকাল পেরিয়ে মাত্র কৈশোরে পা দিয়েছেন। তখন জুলিয়েট নামে এক প্রতাপশালী রাজা ছিল। জুলিয়েটের ছিল অনেক শক্তি ও সাহস। সে অত্যাচারী রাজা হিসেবে পরিচিত ছিল। তার লোভ – লালসার শেষ ছিল না। ধন-সম্পদ ও শান-শওকতের প্রতি তার ছিল প্রবল নেশা। তাই সুযোগ পেলেই সে অন্য রাজ্য আক্রমণ করে তা

তারাবীহ কত রাকাত: বিভ্রান্তি নিরসন —৩

0 পর্ব- ০১ পর্ব- ০২ পর্ব- ০৩ রাসূল সা. কি একই রাতে তারাবীহ ও তাহাজ্জুদ আদায় করেননি?   মানুষ সহজ বিষয়কে কঠিন করে তোলে। তারাবি ও তাহাজ্জুদ দুটোই গুরুত্বপূর্ণ সালাত। অধিকাংশ আলেম ওলামার মতে তাহাজ্জুদ রাসূলের উপর ফরজ ছিলো। তবে ফরজ না হওয়ার পক্ষেও বিভিন্ন দলিলাদি পাওয়া যায়।   তো যাইহোক, পুরো মুসলিম উম্মাহর দাবি,

তারাবীহ কত রাকাত: বিভ্রান্তি নিরসন —২

0 পর্ব- ০১ পর্ব- ০২ পর্ব- ০৩ চার ইমাম মুহাদ্দিসও ছিলেন না, মুহাক্কিকও ছিলেন না! একথা আমি বলিনি বরং স্বঘোষিত সালাফীরাই বলেছে। তাদেরই একজন (‘সালাতুত তারাবীহ’ গ্রন্থের লেখক) লিখেছেন- عدد ركعات صلاة التراويح: ففيه ثلاثة أقوال للعلماء: القول الأول: ركعات التراويح ثمانية – وهو قول المحدثين والمحققين. القول الثاني: ركعات التراويح عشرون ركعة – وبه

রোযায় সুস্থ থাকতে যেসব বিষয় মেনে চলতে হবে

0ইসলামের পাচটি স্তম্ভের মধ্যে রমযান অন্যতম একটি স্তম্ভ। ইসলাম ধর্মে রোযা রাখা খুবই গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত। এর কারন হচ্ছে, আল্লাহ তা আলা রোযার সওয়াব নিজ হাতে দিবেন। আরো একটি গুরুত্বপূর্ণ কারন হচ্ছে, রমযান মাসে রোযা পালনের মাধ্যমে আল্লাহর প্রতি বান্দা আনুগত্য হোন ও বান্দার মধ্যে আল্লাহভীতি প্রবেশ করে। এতে খাটি ঈমানদার হওয়া যায় ও মুমিন হিসেবে

ঈদের খুশি

0ঈদের খুশির সূর্যোদয়ে কাটবে আঁধার কালো, অশান্ত রূপ বিলীন হবে থাকবে মানব ভালো। নিখিল থেকে অশুভ যাক মানব জাতির জন্য, হিংসা বিদ্বেষ ভুলে ঈদের খুশিতে হোক ধন্য। ঈদের বিপুল আনন্দেতে মিলনে আজ হর্ষে শান্তি- সাম্য – ভ্রাতৃত্ব-প্রেম থাকুক সারা বর্ষে। খুশির হিল্লোল প্রাণে কল্লোল ব’য়ে ঈদের খুশি, যাকাত দানে ফিতরা পেয়ে দুখী কাঙাল সুখি। ঈদের