গল্প: অপেক্ষা লেখক:

0

গল্প: অপেক্ষা
লেখক: মো: আবিদ রানা

রিমি প্রতিদিন স্কুল থেকে ফিরেই বারান্দায় বসে। তার চোখ সব সময় খোঁজে একটা চেনা ছায়া—তন্ময়ের ছায়া। ছেলেটা পাশের বাড়িতে থাকে, কিন্তু কখনো সোজাসুজি কথা হয়নি ওদের। শুধু চোখে চোখে কথা হতো। কখনো স্কুলের পথে, কখনো ছাদে দাঁড়িয়ে।

তন্ময় একদিন চলে গেলো—মায়ের চাকরির বদলিতে অন্য শহরে। যাওয়ার আগে একটা চিরকুট রেখে গেলো রিমির বারান্দায়, ফুলের টবে।

লেখা ছিল—
“তোমার চোখে যে অপেক্ষা দেখি, তা কি আমার জন্য? যদি হ্যাঁ, আমি ফিরে আসবো… ঠিক এক বছর পর, এই দিনটাতে।”

রিমি প্রতিদিন সেই দিনটার জন্য অপেক্ষা করে। দিন যায়, মাস যায়। আর আজ—এক বছর পরের সেই দিন।

বিকেলে বারান্দায় বসে রিমি হালকা হাওয়া উপভোগ করছিল। হঠাৎ শুনলো নিচে কেউ বলছে, “রিমি?”

চোখ তুলে দেখে—তন্ময়। আগের মতোই চোখে সেই চেনা হাসি।

রিমির চোখ ভিজে আসে। কিছু না বলেই নিচে নেমে আসে সে। একটুও দেরি না করে।

কারণ ভালোবাসা কখনো শব্দে নয়, চোখেই সব বলে দেয়।


56
বিজ্ঞাপনঃ মিসির আলি সমগ্র ১: ১০০০ টাকা(১৪% ছাড়ে ৮৬০)

0

Abid Rana

Author: Abid Rana

নিচের লেখাগুলো আপনার পছন্দ হতে পারে

প্রতি দান

রাতে থেকে বৃষ্টি হচ্ছিলো, কিছুক্ষণ,বৃষ্টি থেমেছে সবে। সকাল কখন হয়েছে চম্পা জানে না। চম্পা শুনেছে, ভোরের স্বপ্ন সত্যি হয়। জ্যোতিষশাস্ত্র

অ্যাথেনার অলৌকিক হার্প

অনেক অনেক বছর আগে, প্রাচীন গ্রিসের এক ছোট্ট গ্রামে বাস করত এক কিশোরী মেয়ে—নাইরা। সে দরিদ্র ছিল, কিন্তু তার গলায়

নীলচোখা জলপরী

শঙ্খনদী গ্রামের সকাল সবসময় সমুদ্রের শব্দ দিয়ে শুরু হয়। মাটির ঘরগুলোর চালের ফাঁক দিয়ে বাতাস ঢোকে, আর বাতাসের সাথে ভেসে

সময়ের দরজা

মেঘে ঢাকা এক বিকেল। পুরান ঢাকার সরু গলির ভেতরে, ধুলো ধরা এক প্রাচীন বইয়ের দোকানে ঢুকল আরসোহা। ইতিহাসের ছাত্রী সে,

Leave a Reply