0ভিক্ষুক ভাস্কর পাল বাটি হাতে পথের ধারে সকাল হতে সন্ধ্যে- চিন্তা স্বপ্ন মুছে ফেলে সব সময়ই ভিক্ষা করে। তারাও হল মানব জাতি খারাপ শুধুই পরিস্থিতি- ভাগ্যের চাকায় তাই তারা ভিক্ষুক নামে পেয়েছে পরিচিতি। তাদের মনেতে হিংসা নেই নেই বেশি লালসা দয়া করে যেটুকু পায় সেটাই তাদের ভালোবাসা। তাদেরও হয়তো স্বপ্ন ছিল
Category: বাংলা কবিতা
0হঠাৎ ভাস্কর পাল হঠাৎ করেই থমকে গেছে আতঙ্ক আজ বাসা বেঁধেছে, মনের গোপনে ছন্দ আজ মৃত্যু ভয়ের শঙ্কা। চলছিল বেশ ছন্দ মিলেই জীবনের সব যুদ্ধ- হঠাৎ এক ভিনদেশি ঝড় করলো সবই স্তব্ধ। তবুও প্রভাতে সূর্যি ওঠে অস্ত যায় আঁধার নামে, স্বপ্নগুলো বন্দি হয়েছে- হৃদয় কোণে অন্ধকারে। ব্যাস্ত শহর, ব্যাস্ত সময় নিত্য
0বণ্য পাখি ভাস্কর পাল গভীর বনের বণ্য পাখি নিজের সকাল নিজেই সাজে- খাবার খোঁজে সকাল হতে বাড়ি ফেরে নিশি রাতে। কিসের চাওয়া কিসের পাওয়া নেই স্বপ্নের কালো পর্দা- সকাল বিকেল উড়ে বেড়ায় নিজের জীবন নিজেই সাজায়। বাসা বোনে খড়কুটোতে সঙ্গ খোঁজে একলা রাতে- ডিম পাড়ে, যত্ন করে ছানা আসে ঘর আলো করে।
0বাগাড় একদিন সকাল বেলা ঘুম থেকে উঠে দেখি কে যেন নেই। আমি তাকে বললাম, তুমি নেই কেন? সে বলে আমি হারিয়ে গেছি, হারাতেই আমার ভাল লাগে। সেই থেকে তাকে খুঁজতে লাগলাম। খুঁজতে খুঁজতে তাকে পেলাম কোন এক বাগাড়ের কাছে। সেই থেকে তার নাম হল, বাগাড়। এখন সে বাগাড় দেখলেই গান গেয়ে উঠে। বলে, বাগাড় ছাড়া
0নিস্তব্ধতা ভাস্কর পাল নিশিথ রাতের অন্ধকারে, স্তব্ধ চোখে চশমা পড়ে; হিজিবিজি কত ভাবনারা সব, কল্পনাতে উঁকি মারে। নিঝুম রাত, কালো চারপাশ অতীতটা আজ হচ্ছে প্রকাশ। ফেলে আসা সব সময় গুলো, ফুটে উঠেছে নিস্তব্ধতায়। আকাশ ফুটেছে পূর্ণ চন্দ্রে জোৎস্না আলোয় রাত্রি সাজে, হারিয়ে আসা দিনের কথা ভাবলে পড়ে অবাক লাগে। একলা ঘরে
0পদধূলি ভাস্কর পাল ঝরছে বৃষ্টি গভীর রাতে বইছে হাওয়া মৃদু স্রোতে। খুব গোপনে মন পুড়েছে অশ্রু জলে আগুন নেভে।। তারারা সব বন্ধু হয়ে চাঁদের বুকে আছড়ে পড়ে। মরণ শুনে কৃষ্ণচূড়া ঝরায় রক্ত অঝোর বেগে।। আসার এলো শ্রাবণ গেলো আসার কথা মিথ্যে হলো। সেই আশাতে রাত্রি গুলোর নিশি স্বপ্ন ভঙ্গ হলো।। অজানা
0দ্বন্দ্ব ভাস্কর পাল গোপনে বেঁধেছে শ্রুতি, অদ্ভুততর অনুভূতি সহস্র চিন্তিত দিবা-নিশি আঁধারের পথে পথ নেমে আসে অজস্র মানুষের মাঝে মানবীর বেশে। শেষ হয়ে আসা শব্দ গুলো গোপনে হয় এলোমেলো মনের সাথে মনের আজ চলিছে প্রবল দ্বন্দ্ব।। জীবনের সুক্ষতা হৃদয়ের পিপাসা অন্তরালে চলিছে বেদনার ঝঞ্ঝা কেবলই চলিছে কেবলই চলিবে বাস্তবতার সাথে হৃদয়ের দ্বন্দ্বতা।
0অসময়ে ভাস্কর পাল ঝরছে বৃষ্টি গভীর রাতে বইছে হাওয়া মৃদু স্রোতে খুব গোপনে মন পুড়ছে অশ্রু জলে আগুন নেভে।। তারারা সব বন্ধু হয়ে চাঁদের বুকে আছড়ে পড়ে। মরণ শুনে কৃষ্ণচূড়া ঝরায় রক্ত অঝোর বেগে।। আসার এলো শ্রাবণ গেলো আষাঢ় কথা মিথ্যে হলো সেই আশাতে রাত্রি গুলোর নিশি স্বপ্ন ভঙ্গ হলো।। অজানা
0ধোঁয়াশা ভাস্কর পাল ঐ যে হলো নতুন সকাল এলো নতুন নতুন নবাগতদের ডাক; শহরেও অবশেষে নিকেষ কালো অন্ধকার দিনের আলোয় ধোঁয়াশা ঘেরা অন্ধকারতা ছেয়েছি। সুবাশিত গোলাপের পাঁপড়িতে অজস্র কীট ঘ্রান পেতে বৃদ্ভ্রান্ত সব পথিক, অপ্রাপ্তির কালো ছায়া ঘিরে ধোঁয়াশা ভরা আকাশ জুড়ে। জ্বলন্ত চিতার আগুনের পিছে মিলিয়ে গেছে অজস্র প্রাণ; ধোঁয়ায় দূষিত
0কলম কথা ভাস্কর পাল কলম তো এক জড় বস্তু বলতে পারে না কথা, গুচ্ছ করে ফুটিয়ে তোলে আপন মনের ভাষা। কলম চিহ্নিত একটি রূপেই চরিত্রটা ভিন্ন… কখনো হয় প্রতিবাদী কখনো করে খুন-ও। মনে আসা আপছা ভাষা কথ্য রূপে যা যায়না বলা সেই ভাষ্য ফুটে ওঠে, লেখ্য রূপে কাগজ পাতায়। কালির সঙ্গে দ্বন্দ্ব বেঁধে