0রিমা একটি ছোট হস্তশিল্পের ব্যবসা চালান। তার হাতে তৈরি গহনা ও নকশাদার পণ্যগুলোর গুণগত মান চমৎকার হলেও, ক্রেতাদের কাছে পৌঁছানোর সুযোগ ছিল সীমিত। দোকানে আসা কয়েকজন ক্রেতাই কেবল তার পণ্যগুলো দেখতে পেতেন। বন্ধুদের পরামর্শে রিমা অনলাইনে তার ব্যবসার উপস্থিতি তৈরি করেন। প্রথমে ফেসবুকে পেজ খোলেন, এরপর ধীরে ধীরে ইনস্টাগ্রাম ও ই-কমার্স সাইটে যুক্ত হন। অল্প
Category: নতুন লেখকদের লেখা
0গল্প মিথ্যে অপবাদ আফছানা খানম অথৈ ভালোবেসে বিয়ে করেছেন রাকিব ও মুনিয়া।মুনিয়ার বাবা মা এ বিয়ে মেনে না নিলেও রাকিবের বাবা মা পুত্রবধুকে সাদরে বরন করে নিয়েছেন।ভালোই কাটছে তাদের দিনকাল।কিছুদিন মা-বাবার সঙ্গে তাকার পর রাকিব বউকে নিয়ে তার গন্তব্যস্থানে ফিরে গেল। বেশ ভালোই আছে তারা।খাচ্ছে দাচ্ছে ঘুমাচ্ছে আমোদ ফুর্তি করছে।মাঝে মাঝ বিভিন্ন জাগায় ঘুরে বেড়াচ্ছে।ভালোবাসা
0পশ্চিমারা ইংরেজিতে মগজ ধোলাই করে, বিশ্বটাকে লাটাই বানায় রাখবে বুঝি ধরে। ভাষার শক্তি টানছে কাছে যাদুকরের মতো, এমন প্যাঁচে পড়ছে সবাই করছে মাথা নত। পশ্চিমার ওই ভাষার মোহে যাদু বানের গন্ধ, তার নিশ্বাসে অনেক জাতি হচ্ছে আজি অন্ধ। ওদের আছে শাসন করার ডলার ভাষা শক্তি, ইংলিশ ভাষার প্রেমে পড়ে করে ওদের ভক্তি। সেই সুবাদে দেয়
0সফল হবার স্বপ্ন দেখলে নির্ণয় করো দিক, সময় জ্ঞানে চিন্তা ভাবনা করতে হবে ঠিক। বিশ্বাস নিয়ে ধারণ করো অর্জন গুলো পাবে, উচ্চে উঠার স্বপ্ন আঁকলে পৌঁছে সেথায় যাবে। লক্ষ্য ছাড়াই সফল হওয়া এতো সহজ নয়, দিকটা পেলে লক্ষ্য পৌঁছে সফল ব্যক্তি কয়। দিকটা ছাড়া বৃথাই যাবে জীবন চলার গতি, সফল হওয়া কঠিন তবে যতই থাকুক
0শিশুর হাতে থাকার কথা যে বয়সে বই, সেই বয়সে খেত খামারে টানে আজি মই। শিশুর দিয়ে কঠোর শ্রমে চলে যতো কাজ, শিশু শ্রমিক কামলা নিয়ে মালিক লাভে আজ। ইটের ভাটায় দৈহিক শ্রমে পাচ্ছে নাকো ছাড়, একটা ভুলে মুচড়ে ধরছে মালিক পক্ষ ঘাড়। হোটেল কাজে খাবার নিয়ে খাটে দিবা রাত, ভাঙলে প্লেট পিঠের উপর পড়ে দুড়ুম
0তিন অক্ষরে বিজয় যেন প্রায় ত্রিশ লক্ষ প্রাণ, জীবন দিলো বিজয় পেতে রেখো তাদের মান। আগমনীর বার্তা থাকুক পাঠ্য বইয়ের পাতা, রক্তে মাখা স্মৃতি লিখুন রবে হৃদয় গাঁথা। গেলো খোকা মুক্তিযুদ্ধে একাত্তরের রাতে, বিজয় নিয়ে ফিরবে বলে অস্ত্র নিলো হাতে। মাকে রেখে যুদ্ধে গেলো এলো না আর ফিরে, খোকার তরে মায়ের হৃদয় যাচ্ছে জানি চিরে।
0অত্যাচারীর শোষণ থেকে ফিরে পেতে বাক, সবাই মিলে দেশ স্বাধীনের দেয় বিজয়ের ডাক মায়ের ছেলে মুক্তিসেনা অস্ত্র নিলো হাতে, বিজয় পেতে যুদ্ধ করে আঁধার কালো রাতে, দেশের জন্যে যুদ্ধে গেলো জীবন বাজি রেখে, কাঁপতে থাকে শত্রু সেনা ওদের সাহস দেখে। মাথায় বেঁধে কেতন খানি করে যুদ্ধের পণ, ভাবে সবাই বিজয় শেষে পাবো সুখের ক্ষণ। বীরের
0শব্দের শক্তি যেমন ভাবে ভেঙ্গে দিতে পারে তেমন করে গড়তে পারো শব্দের শক্তি ভারে। দেখলে ওঁরাই ধরবে টেনে হতাশ করে দিয়ে, উঠতে হবে নিজের উপর দৃঢ় বিশ্বাস নিয়ে। শব্দের ভারে অক্ষম বললে সক্ষম হয়ে যাও, সবই সম্ভব নিজের থেকেই শুনতে যদি পাও। নিখুঁত কেহ নয়তো ভবে ত্রুটি যুক্ত আছে, তাইতো সবে ইচ্ছা সাহস শক্তি নিয়ে
1কবিতা ঘুষ ছাড়া চাকরী কোথায়? আফছানা খানম অথৈ লেখাপড়া শেষ চাকরীর পালা, চাকরী পেলে দু:খ ঘুচবে শান্তি পাবে খালা। পরীক্ষায় সেই হয়েছে ভালো ফলের আশ, পত্রিকায় ফল প্রকাশ হগা করিম পাশ। পাশ করেছে তারা গ্রামে কি আনন্দ, খালা বকে সে বকে লোকে বলে মন্দ। কিছুদিন পার হয়েছে বেঁধে গেছে দ্বন্দ, সুদে করে ঘুম দিয়েছে চাকরী