0 বিজয় পেতে ঝরে গেলো অযুত তাজা প্রাণ, বিনিময়ে —পেলো জাতি স্বাধীনতার মান। ৭১’এর বিজয় এনে দিলো একটা স্বাধীন দেশ, স্বার্থের লাগি দেশটা যেনো করতে চাইলো শেষ। অযুত প্রাণের দামে কেনা বিজয়ের ওই সাধ, বিজয় মুছতে ফ্যাসিবাদী এঁকে ছিলো ফাঁদ। দুই হাজার চব্বিশ সালে আগষ্টের ওই পাঁচ, ফ্যাসিবাদের নীল নকশা করতে পারে আঁচ। পাঁচ আগষ্টে
Category: নতুন লেখকদের লেখা
0আমরা সবাই দেশের জন্য ঐক্যবদ্ধ রবো, দেশের ভূমি রক্ষা করতে শহীদ মোরা হবো। বাঁচার মতো বাঁচতে মোরা স্বাধীন করি দেশ, বিজয় নিয়ে করছি সেদিন গোলামির দিন শেষ। দেশ সীমান্তে নজর রাখো কামান করো তাক, ট্রিগার চেপে বুলেট ছাড়ো এলে যুদ্ধের ডাক। সজাগ থাকো বীর সেনানী সব বাহিনীগণ, দেশের জন্য জীবন দিতে করতে হবে পণ। যুদ্ধের
1ভারত যদি উল্টো পাল্টা করে একটা শব্দ, নোবেল জয়ী দেশ শাসকের হাতেই হবে জব্দ। বহু বছর দেয় নি জবাব ধরেছি যে ধৈর্য, ঢিল ছুঁড়লে পাট-কেল খাবে করবো নাকো সহ্য। বঙ্গ দেশটা নিয়ে তোমার জ্বলে কেনো গা, দেশটা নিয়ে কল নাড়ালে ভেঙ্গে দিবো পা। সাগর রক্ত ঢাল তে পারি আমরা এমন জাত, বীর বাঙ্গালী দেশের জন্য
0ভারত কর্তা ফন্দি আঁটে দেশ ভাগের আগ, বঙ্গ দেশটা দুই ভাগেতে করে দিলো ভাগ। সুযোগ পেয়ে সবি নিলো দেশ ভাগের পর, ইচ্ছে মতই নিতোই সবি মাথায় করে ভর। সাধুর বেশে ভাগের পরে দেশটা লুটে খায়, তাতে দেখি পেট ভরেনি দখল নিতে চায়। পঞ্চাশ কিম্বা তাহার বেশি খাচ্ছে নিজের মতো, তাল বাহানা করে আবার সুযোগ নিতো
0 খেতখামারে রৌদ্র তাপে শরীর পোড়ে রোজ, কেমন ভাবে জীবন যাচ্ছে কেউ রাখে না খোঁজ। ঝড় বাদলে ফসল ফলায় দিচ্ছে তুলে ভাত, সম্বন্ধতায় কতো মশাই প্রশ্ন তোলে জাত। চৈত্র খরায় খেতখামারে জীবন কেটে যায়, ঝলসে যায় যে শরীরখানি লাগে ব্যথা গায়। চাষের কাজে অর্থের জন্য পায় না ব্যাংক ঋণ, পাওনা ঋণে দেনার ভারে যাচ্ছে কেটে
0পাকা ধানের ফলন দেখে বেজায় খুশি চাষী, সোনালী ধান কাটবে চাষী মুখে দারুণ হাসি। ধানের আঁটি নিয়ে আসছে সোনার তরী ভেসে, খামার মাঝে ভিড়বে তরী গোধূলির ওই শেষে। পাকা ধানের চিত্তাকর্ষক দিচ্ছে মনে দোলা, আনবে কেটে উঠান মাঝে ভরবে চাষী গোলা। নতুন ধানের পিঠা পায়েস গড়বে ঘরে ঘরে, মায়ের হাতের ভাপা পিঠা খাবে মনটা ভরে।
0ভাবনা’র প্রিয় কবি ****************হাবিবুল ইসলাম কবি মোঃ রুহুল আমিন একজন বিশিষ্ট কবি ব্যক্তিত্ব। সৃজনশীল লেখা লেখির মাধ্যমে ফেসবুক জগতে তিনি বেশ পরিচিতি। আমরা ফেসবুকের পেজে চোখ রেখে তার লেখা সৃজনশীল কবিতাগুলো পড়ার সুযোগ পাই।তিনি তার টাইম লাইনে নিজের লেখা গুলো পোস্ট করে বিশেষ শ্রেণীর পাঠক তৈরি করতে সক্ষম হয়েছেন। আমি নিজেও একজন তার কবিতার নিয়মিত
1ছোটগল্প:খোকনদার বরই গাছ মো.রিমেল রহমতপুর গ্রামের সরকারী স্কুলের মাঠের পাশ দিয়ে সোজা একটি রাস্তা গেছে।রাস্তার পূর্ব দিকে খোকনদার বাড়ি।বাড়ির পূর্বদিকে কিছু বরই গাছ আছে।আবার রাস্তার ধারে একটা বড় বরই গাছ আছে।সকাল বেলা,একটু পরে টুপ টুপ আওয়াজ শোনা গেল।বুঝতে বাকি রইল না খোকনদার বরইগাছ থেকে বরই পাড়া হচ্ছে। শুক্রবার সকালে পাড়ার বাচ্চাকাচ্চারা খেলতে গেল ক্রিকেট।সরকারী স্কুলের
0আমরা সবে গাছ-গাছালি কেটে করছি বাড়ি, আবাস ভেঙে গেছে পাখির দিচ্ছে তাই পাড়ি। কোথায় গেলো পাখির মেলা বলতে গিয়ে থামি, পাখির থাকা আবাস খানি ভাঙছি তুমি আমি। বাড়ির পাশে একসময়ে পাখির ছিল ঝাঁক, মন জুড়িয়ে যেতো সবার শুনে পাখির ডাক। নেইতো আজি বাড়ির পাশে নানা পাখির মেলা, গাছের ডালে সাঁঝের বেলা করতো তারা খেলা। আহার
0সাক্ষীর নীরবতা নুর হোসেন ভূঁইয়া টুনা-টুনির ছোট্ট সংসার, শহরের গলির ধারে বসবাস তাদের— নতুন বিয়ে, নতুন আশা, স্বপ্নে তারা দিশাহারা।স্বামী একটা চাকরি করে, সকাল যায় কাজে— রাতে ফিরে চুপটি করে, বউ যেন তার মনের মাঝে।মাঝে মাঝে কথার ঝড়, ঝগড়ার তিক্ত স্বাদ, স্বপ্ন ভেঙে নেমে আসে, অভাবের কালো বাঁধ। ধীরে ধীরে রাতের ফেরা, দেরির অজুহাত,