0আমি যাকে ভালবাসি তার চোখ সুন্দর, নাক সুন্দর, ঠোঁট সুন্দর, এমন কিছু নাই যা সুন্দর নয়।শুধু সুন্দর নয় তার হাসি।সে হাসলে যেন পিপীলিকা ভেংচি মারে।একদিন বললাম, এই তুমি এমন হাসি হাস কেন? বলে, এমন না হাসলে আমার ভাল লাগেনা। বললাম, মানে? বলে, তোমাকে ভেংচি না মারলে আমার ভাল লাগেনা।এখন আমি তাকে রোজ রাতে স্বপ্ন দেখি,
Category: নতুন লেখকদের লেখা
0 উপন্যাস পর্ব “ছয়” মেয়েদের জীবনে বিয়ে একবার হয় আফছানা খানম অথৈ মইন আহমেদ মেয়ের জন্য নতুন ডিজাইনের একটা দামী থ্রি- পিস এনে বললেন, ঝুমা কাল কলেজে এই জামাটা পরে যাবি কিন্তু। কেন বাবা? ঝুমাকে দেখতে আসবে কথাটা শুনলে হয়তো সে লজ্জা পাবে।তাই মইন আহমেদ বললেন, কেন আবার,নতুন জামা এনেছি পরে যাবি,এ আর কি। জ্বী
0 সকালে উঠে নেতার কথা ভাবি মনে মনে, নেতার আদেশ মেনে তবে থাকি নেতার সনে। সকল কাজে নেতার কথা মেনে যেনো চলি, বিপদাপদে পাশে থাকবো শপথ করে বলি। নেতার কথায় সব খানেতে রোজি ছুটে যাই, তার বিনিময় কার্ডের চাউল মাসিক ভাতা পাই। নেতার ভোটে জেতার জন্য সবি করতে পারি, নেতার মার্কায় ভোট না দিলে ধোলাই
0রেমাল যেন ঘূর্ণিপাকে রাক্ষুসে এক ঝড়, নদীর বুকে বিলীন হলো বসত বাড়ি ঘর। দানব রূপে ছোবল দিলো বিনাশ করে গেল, নদীর জলে আপন ভিটা বিলীন সবি হলো। স্রোতের পানে গোরু ছাগল ভাসলো আরো ঘর, এক নিমিষে ছিনিয়ে নিয়ে আমায় করে পর! সব হারিয়ে এক জীবনে বেঁচে থাকাই দায়, এমন ক্ষতি আদৌ কি তবে মেনে নেওয়া
0উপন্যাস পর্ব “পাঁচ” মেয়েদের জীবনে বিয়ে একবার হয় আফছানা খানম অথৈ রাত শেষ প্রভাতের সুচনা হলো।গাছের মগডালে বসে পাখি গুলো কিচির মিচির ডাকছে।মুয়াজ্জিনের কণ্ঠে ফজরের আযান ধ্বনি বেজে উঠল।শান্তার মাতা রাজিয়া বেগম অজু করে পবিত্র হয়ে নামাজ পড়লেন।তারপর স্বামীকে বললেন, ওগো আপনার সারা জীবন এভাবে যাবে নাকি?নামাজ রোজা করবেন না,ওঠেন নামাজ পড়তে। স্ত্রী কথা যেন
2 সালাত আদায় ও অতপর : —————————————- বেশ কিছুদিন আগে , ঢাকার সংসদ ভবন রোডে আসাদ গেইট যাওয়ার পথে ট্রাফিক জ্যামের মধ্যেই যাত্রিবাহি বাসে বসেছিলাম। বাস থেকে দেখলাম লোকটি পিকআপ ভ্যানে বসে মাগরিবের নামায পড়ছিলেন ! (আমার নিজের হাতের মুঠো ফোনের ক্যামেরায় তোলা ছবি সংযুক্ত করা হয়েছে) মাশাল্লাহ। আল্লাহ প্রাপ্তির কত সুদর্শন চিত্র। দেখে ভাল
0ভালবাসার কারনে জগত ছেড়েছেন লাইলী, ভালবাসার কারনে জগত ছেড়েছেন মজনু, ভালবাসার কারনে জগত ছেড়েছেন শিরি, ভালবাসার কারনে জগত ছেড়েছেন ফরহাদ, আরো কত কে ভালবাসার কারনে জগত ছেড়েছেন। অথচ আমি জগত ছাড়তে পারলামনা।এমন কেউ কি আছে যে আমাকে ভালবাসার কারনে জগত ছাড়ার সুযোগ করে দেবে? যদি থাকে আমি তাকে ফুলের মালা পরাব, গলায় হীরের আংটি পরাব,
0রোনালদোকে ভালবাসত বিদ্যা দেবী, বিদ্যা দেবীকে ভালবাসত রোনালদো। রাত বিরাতে ছুটে আসত, কেউ কাউকে ছাড়া বাঁচতনা।একদিন বিদ্যা দেবী দেখে রোনালদো পানিতে ভাসতেছে। এই তুমি পানিতে ভাস কেন? ভাসিনা, সাঁতার কাটি।তাহলে আমিও সাঁতার কাটব।না না সাঁতার কাটা সম্ভব নয়, তুমি ডুবে যাবে। ডুবলে ডুবব তবুও সাঁতার কাটব।সাঁতার কাটতে গিয়ে দেখলেন এক বিরাট অজগর। রোনালদো কোন রকমে
0পুকুর ধারে মাছ ধরতে গিয়ে দেখে পুকুরে মাছ নেই। কে নিয়েছে, কে নিয়েছে? একজন ধরে নিয়ে গেছে। যাও তাকে ধরে আন।তাকে এনে কি হবে, সে তো সব মাছ খেয়ে ফেলেছে। তাহলে? তোমাকে নিজেই মাছ ধরতে হবে। কেমন? তুমি নেমে দেখ আর কোন মাছ বাকী আছে কিনা। এই কথা শুনে কবি পানিতে নেমে পড়লেন।নেমে দেখলেন পুকুরে
0বাবাও ভাল মাও ভাল। অথচ ছেলে ভালনা।ছেলে হয়েছে তার দাদার মত। ছেলে এখন যাকে দেখে বলে তুই আমার দাদা,তুই আমার দাদা।কেউ যদি তাকে কিছু বলে অমনি মারে এক ঘুষি।মা বাবা এই ছেলে’ নিয়ে চিন্তিত । কি করবে ভেবে পাচ্ছেনা।একদিন নিয়ে গেল ডাক্তারের কাছে। ডাক্তার বলে একে তো ভাল করা সম্ভব নয়, এ হয়েছে দাদার মত।বলে,