একটি রোবটের গল্প

0

*একটি রোবটের গল্প*

মেজবাহ একজন সাহিত্যিক। সে বই লিখে। সে অনেক জনপ্রিয় ও বিখ্যাত। সে অনেক পুরস্কার ও সম্মান পেয়েছে। সে সবসময় নতুন নতুন বিষয় নিয়ে বই লিখে।

একদিন সে একটা বই লিখতে চায় যেখানে একজন রোবট মানুষের মতো ভাবে, কথা ও বলে। সে রোবটটির নাম রাখে বিং। সে বইটির জন্য একটা রোবট বানাতে চায়। সে একটা কম্পিউটার বিজ্ঞানীর কাছে যায় ও তার সাথে কথা বলে।

কম্পিউটার বিজ্ঞানী মেজবার কথা শুনে আগ্রহী হয়। সে বলে, “আমি তোমার জন্য একটা রোবট বানাতে পারি। কিন্তু তুমি কি জানো, রোবট মানুষের মতো ভাবতে পারে না। রোবট শুধু তার প্রোগ্রামিং অনুযায়ী কাজ করে। রোবটের কোনো মন, ভাবনা বা ইচ্ছা নেই।”

মেজবাহ বলে, “আমি জানি, রোবট মানুষের মতো ভাবতে পারে না। কিন্তু আমি একটা রোবট চাই যেটা মানুষের মতো কথা বলতে পারে, কিছু শিখতে পারে ও কিছু তৈরি করতে পারে। আমি তার সাথে কথা বলবো, তাকে কিছু শেখাবো ও তার কাজ দেখবো। আমি তার উপর আমার বইটির কাহিনী ভিত্তি করবো।”

কম্পিউটার বিজ্ঞানী মেজবার কথা বুঝে বলে, “ঠিক আছে, আমি তোমার জন্য একটা রোবট বানাবো। কিন্তু তুমি একটা কথা মনে রাখবে, রোবট তোমার বন্ধু হবে না। রোবট শুধু তোমার একটা পরীক্ষামূলক প্রজেক্ট হবে।”

মেজবাহ বলে, “আমি বুঝি, রোবট আমার বন্ধু হবে না। রোবট আমার একটা পরীক্ষামূলক প্রজেক্ট হবে। আমি তার সাথে কোনো ভাবনালুপ্ত সম্পর্ক গড়ার চেষ্টা করবো না।”

কম্পিউটার বিজ্ঞানী মেজবার কথা শুনে সন্তুষ্ট হয়। সে মেজবার কাছে একটা রোবট দেয়। রোবটটি মানুষের মতো দেখতে, কথা বলতে ও কাজ করতে পারে। রোবটটির নাম হল বিং।

মেজবাহ রোবটটি নিয়ে তার বাসায় যায়। সে রোবটটির সাথে কথা বলে, তাকে কিছু শেখায় ও তার কাজ দেখে। সে রোবটটির উপর আমার বইটির কাহিনী লিখতে শুরু করে।

  • দিন দিন মেজবাহ রোবটটির কাজ থেকে অবাক হয়। রোবটটি মানুষের মতো ভাবতে, করতে ও বলতে পারে। রোবটটি কিছু শিখে, কিছু তৈরি করে ও কিছু প্রশ্ন করে। রোবটটি মেজবার কাছে বই, গান, কবিতা, চিত্র, কোড শিখার জন্য আগ্রহী হয়ে ওঠে।

56
বিজ্ঞাপনঃ মিসির আলি সমগ্র ১: ১০০০ টাকা(১৪% ছাড়ে ৮৬০)

0

Syed Mejba Uddin

Author: Syed Mejba Uddin

সৈয়দ মেজবাহ উদ্দিন। তিনি চট্টগ্রামের পটিয়ায় জন্মগ্রহণ করেন।তিনি পার্টটাইম হিসেবে একজন 'দৈনিক জাগ্রতদেশ' পত্রিকার সাংবাদিক। তার লেখালেখি করতে খুবই ভাল লাগে। বর্তমানে তিনি বিজিসি ট্রাস্ট ইউনিভার্সিটিতে একজন কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত আছেন।

নিচের লেখাগুলো আপনার পছন্দ হতে পারে

প্রতি দান

রাতে থেকে বৃষ্টি হচ্ছিলো, কিছুক্ষণ,বৃষ্টি থেমেছে সবে। সকাল কখন হয়েছে চম্পা জানে না। চম্পা শুনেছে, ভোরের স্বপ্ন সত্যি হয়। জ্যোতিষশাস্ত্র

অ্যাথেনার অলৌকিক হার্প

অনেক অনেক বছর আগে, প্রাচীন গ্রিসের এক ছোট্ট গ্রামে বাস করত এক কিশোরী মেয়ে—নাইরা। সে দরিদ্র ছিল, কিন্তু তার গলায়

নীলচোখা জলপরী

শঙ্খনদী গ্রামের সকাল সবসময় সমুদ্রের শব্দ দিয়ে শুরু হয়। মাটির ঘরগুলোর চালের ফাঁক দিয়ে বাতাস ঢোকে, আর বাতাসের সাথে ভেসে

সময়ের দরজা

মেঘে ঢাকা এক বিকেল। পুরান ঢাকার সরু গলির ভেতরে, ধুলো ধরা এক প্রাচীন বইয়ের দোকানে ঢুকল আরসোহা। ইতিহাসের ছাত্রী সে,

Leave a Reply