0প্রাণের ভাষা ভাস্কর পাল অ-আ-ক-খ থেকে শুরু করে ‘৺ ‘-র চাঁদ এই ভাষাতে রয়েছে অমৃতের স্বাদ। মায়ের গন্ধ লুকিয়ে বাংলা ভাষাতে- ‘মা’ ডাকটি বাঙালির প্রথম ধ্বনি যে। বাংলা হলো, আমাদের দেহের বর্ম বাংলাই বাঙালির জীবনের কর্ম। বাংলায় রয়েছে সুখের পরশও বাংলায় লুকিয়ে জীবনও রসদ। গর্বিত বাঙালি বাংলার এই সুরে বাংলা ভাষাতে মোরা ‘মা’
Category: বাংলা কবিতা
0বৈশাখ ভাস্কর পাল কাটছে বছর সময় চলছে বয়ে চৈত্র কেটে বৈশাখ আসে নতুন সুরে বসন্তের শেষে নতুন ঋতু এসেছে বাতাসে বাতাসে গ্রীষ্মের সাড়া পড়েছে। নবীনের আহবানে প্রকৃতি মেতেছে নব নব ফুলে-ফলে বৈশাখ এসেছে। এলো হে বৈশাখ নবীনের সূচনাতে মনে মনে বৈশাখী ছন্দ সাড়া ফেলেছে। বৈশাখ মানে পুরাতনের হয় ইতি বৈশাখ মানে উৎসবে মাতে
0ভোর ভাস্কর পাল অন্ধরাত্রি কাটিয়ে, ফুটে উঠল রবি নদীর জলে শান্ত আলোর প্রতিচ্ছবি। পাখির ডাকে ঘোষিত হল এক ভোর ফুটিল আলো কেটে গেল রাতের ঘোর। প্রস্ফুটিত প্রকৃতির অপূর্ব স্নিগ্ধতা চারিদিকে ছড়িয়ে পড়েছে ম্লান আভা পুষ্প কুড়ি ফুটে ওঠে ভোরের আলোতে জীব সকল যোগ দেয় যে যার কাজে।। পাখি দল উড়ে চলে খাবারের খোঁজে,
0সবুজ সকাল ভাস্কর পাল আমার সকাল আমার মতোই থমকে গেছে আজ- সেই সকালে শুনি না আর মধুর পাখির ডাক। সকাল হয়তো রোজই হয়, ফোটে না আলো আর তরুণ রবি ডুবে গেছে দিয়ে চিরকালের সাঁঝ। আমার সকালে নেই যে আলো, আছে গাছে ঢাকা অন্ধকার তাইতো আজ আমার আকাশ আমার কাছে সবুজ লাজ। দেখবো বলে
0এক মুঠো স্বপ্ন ভাস্কর পাল অপমানের বোঝায় ভেঙেছে মন যতবারই চেয়েছে বেহায়া মন দেখতে স্বপ্ন ততবারই; হারাচ্ছে সেই মানুষ গুলো, যারা স্বপ্ন দেখতে বলেছিল হারায়নি তবুও বোঝা বোঝা কত বানী যা দিয়েছিল। আগুনের আঁচে স্বপ্ন আজ উত্তপ্ত, খুবই জ্বলন্ত,, আকাশের বুকে মাথা রেখে শুনি চারিদিক স্তব্ধ। নদীর গহ্বরে সোনা যায় কতই না আর্তনাদ,
0দিগন্তের ওপারে ভাস্কর পাল নীলিমাচ্ছন্ন এ দিগন্ত পরশিছে হৃদয়ে ভাসাইয়া অনুভূতি বিস্তৃত দিগন্তে কত অজানাই না গোপনে রয়েছে কত স্তব্ধতার ছোঁয়া মিলিবে- শেষহীন ঐ দিগন্তের ওপারে।। এ দিগন্ত বিস্তৃত দূর হতে বহু দূরে শেষ হয়েছে কোথা, নাহি খোঁজ মেলে। দিগন্তের ওপারে নাহি আছে জানা ঘোর অন্ধকারে লুকিয়ে কত কল্পনা অজানা।। ভূ-ধরাতল হতে
0শহুরে কথা ভাস্কর পাল কত অলি-গলি, কত চেনা পথও ধূলি- কত ছোটো-ছোটো কল্প, বাঁধে এক গল্প। চেনা পথ চেনা মন, হারিয়ে কত সুর- বাঁধে গিটারের তার, বাজে সময়ের টোন। হারাচ্ছে কত, হারিয়েছে কত, হারাবে পরেও স্মৃতির খাতায় থাকবে গাঁথা, পুরোনো সেই কথা। লুকিয়ে রাখা কত না চিহ্ন, হয়েছে আজ ভিন্ন- শহরের
0বসন্তের সুরে ভাস্কর পাল বসন্তের তুলির টানে, ফাগুনের সুরেলা ছন্দে রঙিন মেঘের ছোঁয়ায়, স্বপ্ন তরী ভাসে। শিমুল – পলাশের সেই মিষ্টি ঘ্রান দিগন্তের গোধূলি নিস্পন্দে, লেগেছে বসন্তের পরশ। বসন্ত উৎসবে মেতেছে চারপাশ রঙে-রঙে হয়েছে নবাগতদের আলাপ। বসন্ত আলিঙ্গন করেছে প্রকৃতিকে, নর-নারী আবিরে রাঙিয়েছে অনুভূতিকে। বসন্ত মানেই উল্লাসে বাঙালি আবিরে রাঙাবে
0একঘেয়েমি ভাস্কর পাল রোজ ঘুম ভাঙলে, আকাশে কেন চাঁদ দেখি না! দিনের শেষে রোজ কেন আলো ফোটে না? এই একঘেয়েমি আর যে আমার ভালো লাগে না। নতুন রঙে কেন যে সব শুরু হয় না! একঘেয়েমির রেশটাকে ভাসিয়ে দিয়ে আকাশেতে, নতুন করে গড়বো জীবন, নতুন গানের ছন্দে। রোজই কেমন দিন কেটে যায়, করবো ভেবে হয়
0অজানা পাখি ভাস্কর পাল মনের ঘরেতে গোপন সুরেতে, বাস বেঁধেছে অজানা পাখি- সে পাখি দেখিনি কভু বঙ্গদেশে নতুন নাকি? যে পাখি রূপ নিয়েছে অজানা বেশে! রক্তিত তার চক্ষু জোড়া পালকে উজ্জ্বল আলোক ছটা কণ্ঠ শুনে মনে হবে, মায়াবী এক রূপকথা। বাস বেঁধেছে অন্তর জুড়ে হৃদয় ভরেছে রঙিনতায় তবু মনে শঙ্কা জাগে, জাগে অজানা ভয়;