0ইমাম আবু হানীফা র. ও তাঁর ছাত্রদের মতবিরোধ: সংশয় নিরসন . আজ এক অবুঝ ভাইকে দেখলাম, সে বলছে- ইমাম আবু ইউসুফ ও মুহাম্মদ রাহ. এক-তৃতীয়াংশ ফতোয়ার ক্ষেত্রে ইমাম আবু হানীফা রাহ.-এর বিরোধিতা করেছেন। এর মানে ইমাম আবূ হানীফা রা. ভুল ফতোয়া দিয়েছিলেন। 📗 জবাব ১. এটাকে বিরোধিতা বলে না। বরং মতভিন্নতা, মতবিরোধ,
Category: ইসলাম ধর্ম
1আহলে হাদীস কারা —৩ আগে পড়ুন- আহলে হাদীস কারা —১ আহলে হাদীস কারা —২ 📒 লা-মাযহাবদের দ্বিতীয় দলীলের খণ্ডন তাদের দ্বিতীয় দলীল হচ্ছে আহমদ বিন হাম্বলের বক্তব্য। তারা লিখেছে- “ইমাম আহম্মদ হাম্বল রহ. বলেন- أَنْبَأَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ رِزْقٍ، نا أَبُو جَعْفَرٍ مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ بْنِ حَمْدَانَ الْهَمَذَانِيُّ، قَالَ: سَمِعْتُ أَبَا
0আহলে হাদীস কারা —২ আগে পড়ুন- আহলে হাদীস কারা —১ 📗 আহলে হাদীস হওয়ার শর্ত ইবনে তাইমিয়্যাহ রাহিমাহুল্লাহ হাদিসের উপর আমল করার শর্তের পূর্বে আরও তিনটি শর্ত লাগিয়েছেন। ১. দৃঢ়ভভাবে হাদীস মুখস্থকরণ, ২. গভীর থেকে হাদিসের মা’রিফাত অর্জন, ৩. হাদিসের বাহ্যিক ও আভ্যন্তরীণ বুঝ অর্জন। এগুলো প্রত্যেকটি এমন শর্ত যে এর থেকে কেবল একটি
0সিরিজের সবগুলো লেখা- পর্ব- ০১ পর্ব – ০২ পর্ব- ০৩ সুলতান মাহমূদ গযনবীর হানাফী থেকে শাফে’ঈ হওয়ার কল্পকাহিনী —২ [বলে রাখা ভালো, আমি কোনো জবাবমূলক লেখা লিখতে গিয়ে প্রথমে দেখে থাকি, ঐ বিষয়ে আমার পূর্বে কেউ জবাব দিয়েছে কিনা, যদি দিয়ে থাকে এবং তা স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়, তবে আমি ঐ কাজে আর হাত দিই না।
0খুতবাহ চলাকালীন সুন্নত পড়ার বিধান হানাফীদের ওপর একটি আপত্তি, হানাফীরা নাকি সহীহ হাদীস বাদ দিয়ে য‘ঈফ হাদীসের উপর আমল করে! খুত্ববা চলাকালীন নামায আদায়ের বিধান নাকি সহীহ হাদীস দ্বারা প্রমাণিত। কিন্তু হানাফিরা য‘ঈফ হাদীসের ভিত্তিতে তা আমল করে না বরং মাকরূহ মনে করে। 📗 লা-মাযহাব বন্ধুদের দলীল عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ
0৪০০ হিজরীর পূর্বে কি মাযহাব ছিলো না? মিডিয়া জগতে একটি মিথ্যা প্রপাগান্ডা প্রচার হতে দেখা যায় যে, মাযহাবের আবিষ্কার নাকি ৪০০ হিজরির পরে; এর পূর্বে নাকি মাযহাব ছিলো না! আজ আমরা এর সত্যতা নিয়ে আলোচনা করবো। 📗 ৪০০ হিজরীর পূর্বে মাযহাব ইমাম ইবনে তাইমিয়া রাহিমাহুল্লাহ বলেন- والاوزاعي امام اهل الشام
0সাজদাহ’র সময় রাফ’উল ইয়াদায়নের সবগুলো হাদীস কি য’ঈফ? —২ 📒 অভিযোগ ইমাম নাসা’ঈ বর্ণিত সাজদাহ’র সময় রাফ’উল ইয়াদায়নের হাদীসটির সনদে কাতাদা ও ইবনে আবূ আরূবাহ নামক দু’জন মুদাল্লিস রাবী রয়েছেন, তাঁরা হাদীসটি ‘আন’যুক্ত বর্ণনা করেছেন। আর উসুল হচ্ছে, মুদাল্লিস রাবীর ‘আন’যুক্ত হাদীস গ্রহণযোগ্য নয়। 📗 আমাদের জবাব প্রথমেই বলে রাখি, এই হাদীসে উল্লেখিত দু’জন রাবীর
0 এক লা-মাযহাব বন্ধুর দাবি, সাজদাহ’র সময় রাফ’উল ইয়াদাইন করার প্রত্যেকটা হাদীস নাকি য’ঈফ। এখন আমরা প্রমাণ করে দিবো, লা-মাযহাব বন্ধুরা জালিয়াতি ও অশিক্ষায় কতটা এগিয়ে। আর তাদের মনমতো হাদীস না হলে কীভাবে তারা একটি টাটকা সহীহ হাদীসকে য’ঈফ ও জাল বানিয়ে দেয়! হাদীস নং ১ এ সংক্রান্ত নাসা’ঈ বর্ণিত প্রথম হাদীস عَنْ مالِكِ بْنِ
0কুরআনের আয়াত অস্বীকার করে ইমাম আ’যমের সমালোচনা: এটাও নাকি জারাহ-তা’দীল আল্লাহ তা’আলা সকল মানুষকেই ‘ফিতরাত’ অর্থাৎ স্বভাবধর্ম ইসলাম -এর উপর সৃষ্টি করেছেন। কেউই মায়ের গর্ভ থেকে অমুসলিম হয়ে আসে না; বরং তার মাতা-পিতাই তাকে অমুসলিম বা ইয়াহুদি-খ্রিষ্টান বানায়। এ বিষয়টা তো সবাই জানে; তবুও আমি এখানে পাঁচটি দলীল উল্লেখ করছি। দলীল —১ فَأَقِمْ وَجْهَكَ لِلدِّينِ
1তাহকীক-তাখরীজসহ ও সম্পাদিত ‘ফাযায়েলে আমাল’ নামক কিতাবের ভূমিকাতেই ধোঁকাবাজি | ও আমাদের খণ্ডন —১ 📒 বিরোধীদের আপত্তি আজকে কেবল শুরুর একটি ভুল নিয়ে আলোচনা পেশ করার চেষ্টা করছি। আর সেটা কি কেবলই ভুল নাকি খেয়ানত সেটা বিজ্ঞ পাঠকগণই বিবেচনা করবেন। মাওলানা যাকারিয়া সাহারানপুরি তার উর্দু কিতাবের ভূমিকায় লিখেছেন: حمد وصلوٰۃ کے