0আহলে হাদীসের ইমাম কি স্বয়ং রাসূল: ইবনে কাসীর রহ. এর বক্তব্যের জবাব একটা কথা প্রচার করা হয় যে আহলে হাদিসের ইমাম নাকি স্বয়ং রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম। এবং এই ব্যাপারে ইমাম ইবনে কাসীর রহ. এর উদ্ধৃত একটি বক্তব্যও রেফারেন্স হিসেবে পেশ করা হয়। বক্তব্যটি হচ্ছে এই— তিনি তাঁর গ্ৰন্থে একটি কওল উদ্ধৃত করেছেন,
Category: ইসলাম ধর্ম
1পবিত্র কুরআনের পর যে কিতাবটি বিশ্বের সকল মুসলমানদের নিকট খুবই গুরুত্বপূর্ণ এবং আস্থাভাজন, সেটি হচ্ছে “সহিহ বুখারি শরিফ।” আর পৃথিবীতে জ্ঞানের এক উজ্জ্বল আলোকবার্তিকার নাম হচ্ছে ইমাম বুখারি (রহ.)। বিশেষকরে হাদিস শাস্ত্রে তাঁর অবদানের কারণে তাঁকে সবাই হাদিসের সম্রাট হিসেবে আখ্যায়িত করে। আজ আমরা এই জ্ঞানী গুণী মানুষটির জীবনী জানার চেষ্টা করব ইনশাআল্লাহ। ইমাম বুখারির
0কাদিয়ানীর মাযহাব: কাদিয়ানী হানাফী নাকি আহলে হাদীস কথিতত আহলে হাদিসরা প্রচার করে বেড়ায়, কাদিয়ানী নাকি হানাফি ছিলো। আজকের প্রবন্ধে আমরা জানবো, কাদিয়ানী আসলে হানাফী ছিলো নাকি আহলে হাদীস ছিলো। 📗 কাদিয়ানী তথাকথিত আহলে হাদীস থেকে একজন মূলত কাদিয়ানী লা-মাযহাব বা কথিত আহলে হাদীস ছিলো। সে হানাফী মাযহাব ছেড়ে দিয়ে মনের খায়েশ মেটাতে
1ইমাম ইবনু আবিদ দুনইয়া।পুরো নাম আবদুল্লাহ ইবনু মুহাম্মাদ ইবনি উবাইদ ইবনি সুফইয়ান ইবনি কাইস আল-কারশি। বাগদাদে ২০৮হিজরিতে (খৃ.৮২৩)জন্ম গ্রহণ করেন। পিতা মুহাম্মাদ ইবনু উবাইদ ছিলেন খ্যাতিমান মুহাদ্দিস (হাদিসবিশারদ)।বেশ কয়েকজন আব্বাসী শাসককে ছোটবেলায় পড়িয়েছেন তিনি ;তাদের মধ্যে মু’তাদিদ ও তার ছেলে মুকতাফি বিল্লাহ’র নাম বিশেষভাবে উল্লেখযোগ।তিনি ছিলেন অত্যন্ত বাকপটু ;উপদেশ দেওয়ার সময় শ্রোতাদেরকে খুব সহজে হাসাতে
4“মুহাম্মদ” (সা.) হচ্ছেন দুনিয়া এবং আখিরাতের একমাত্র মুক্তির দূত। মহান সৃষ্টিকর্তা “আল্লাহ” সুবহানা তা আলার পরই যার স্থান, তিনি হচ্ছেন হযরত মুহাম্মদ (সা.)। ইসলামকে মানতে হলে অবশ্যই রাসুল (সা.) কে জানতে এবং মানতে হবে। রাসুলুল্লাহ (সা.) কে জানা এবং মানা ছাড়া ইসলাম পরিপূর্ণ নয়। হযরত মুহাম্মদ (সা.) সম্পর্কে বলতে গেলে কখনোই তা সম্পূর্ণ করা যাবে
1শায়খ নাসীরুদ্দীন আলবানী: সংক্ষিপ্ত পর্যালোচনা তাঁর সম্পর্কে সালাফী মুহাদ্দিস শায়খ আবূ মুসআব তালা’আত বিন ফুয়াদ আল-হালওয়ানী হাফি. বলেন- الألباني ليس إمامًا، بل هو جهمي مرجئ، والجهمية لا يُسمون أئمة ولا يُترحم عليهم عند السلف. إن كان هذا يطلق عليه إمامًا، فجهم بن صفوان إمام. كما أفسد علم الحديث، وخالف الأئمة النقاد وتطاول عليهم،
0সিরিজের সবগুলো লেখা- পর্ব- ০১ পর্ব – ০২ পর্ব- ০৩ সুলতান মাহমুদ গযনবীর হানাফী থেকে শাফে’ঈ হওয়ার কল্পকাহিনী —৩ (তৃতীয় পর্ব বোঝারর জন্য প্রথম ২ পর্ব পড়ে নেওয়া আবশ্যক) ১২. এই ঘটনা যদি সত্য হতো অর্থাৎ হানাফী মাযহাব যদি এতই ঠুনকো হতো যে দুই রাক’আত সালাত দেখেই সুলতান হানাফী মাযহাব ত্যাগ করেছেন, তাহলে
0আহলে হাদীস বনাম হানাফী মাযহাব: কোনটি মানবো (পর্ব ৩) বলে রাখা ভালো, আমাদের দৃষ্টিতে হানাফী, মালেকী, শাফে’ঈ, হাম্বলী সকল মাযহাবই সমান গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু তবুও কেন আপনি অন্যান্য মাযহাব রেখে হানাফী মাযহাবই মানবেন সে কারণটাই বলার প্রয়াস পাবো আজকের পর্বে। সিরিজের সবগুলো লেখা- পর্ব- ০১ পর্ব – ০২ পর্ব- ০৩ প্রথমে আমরা আলোচনা করবো, মাযহাব
0আহলে হাদীস বনাম হানাফী মাযহাব: কোনটি মানবো (পর্ব ২) [গত পর্বে আমরা আলোচনা করেছিলাম, নব্য আহলে হাদিস মতবাদ কেন মানা যাবে না। এবং এর পক্ষে আমরা দলীলসহ আটটি কারণ উপস্থাপন করেছি। আজ আমরা আরো কিছু কারণ আলোচনা করবো] সিরিজের সবগুলো লেখা- পর্ব- ০১ পর্ব – ০২ পর্ব- ০৩ 📗 আহলে হাদীস মতবাদ কেন মানা যাবে
0আহলে হাদীস বনাম হানাফী মাযহাব- কোনটি মানবো? এমন প্রশ্ন অনেকেরই মাথায় আসে। কিন্তু আমি মনে করি, প্রশ্নটি এভাবে আসা উচিত নয় এবং আসাটা সঠিকও নয়। বরং প্রশ্নটি এভাবে হতে পারে যে, মাযহাব চারটি; তো আমি কোনটি মানবো? সিরিজের সবগুলো লেখা- পর্ব- ০১ পর্ব – ০২ পর্ব- ০৩ অর্থাৎ যদি মানার প্রশ্ন আসে, তাহলে চার