0সুখপাখি গুলো যাচ্ছে উড়ে দেখছি আমি চুপটি করে। চাইছি আমি দিতে ধরা ভাবছি আমি এ কেমন পীড়া! ভাবনাগুলো থামুক এবার চলতে হবে আমার একার রাস্তাটা যে কাটায় ভরা কিন্তু স্বপ্ন তো আমার আকাশ ছোঁয়া! পথটা যে আরো অনেক বাকি দিতে হবে আমার একার পাড়ি শুনতে হবে কটু কথা কিন্তু সংগ্রাম তো আমার রক্তে মিশা! দেখছো
Category: বাংলা কবিতা
0 মনের সুগন্ধি নড়ে, ঘোড়ে বেড়ায় জঙ্গলে জঙ্গলে। গন্ধ বিধুর আমার অঙ্গনে, স্বাদ নিতে চাই বঙ্গ বনে। এই গানে রস কবিতার ছন্দে, দুঃখ চলে যায় বড় আনন্দে। মনের ক্রন্দন অতিবৃদ্ধে, যা ঘটে মাঝে মাঝে। সুখ সুখ সুখ কি আর পাই, অতি বিলাসী দুঃখে মন পুড়ে চায়। এক বুক শ্বাস মনের গন্ধে, পিলপিল শব্দ মহা আনন্দে।
0 তোমার শহরে নাইমুর রহমান দূর্জয় এসেছিলাম প্রিয়, তোমার শহরে আবছা আলোর নিস্তব্ধ এই শহরে। তখনো বইছিলো শীতল হওয়া, গাছের পাতা বেয়ে পড়ছিলো বিন্দুকণা! বৃষ্টি হয়েছিলো এই শহরে,এ তারই আভা। তোমার শহরে এসেছিলাম প্রিয়, তোমাকেই অনুভব করছিলাম তখনো! হয়তোবা তুমি খুব কাছেই ছিলে, এই শহরের কোনো এক কোনায়। যদিও নেই তোমার থেকে বিদায়, তবুও! ভালো
0 বৃক্ষের ঝরা মরমরে পাতা বিছায়ে পরে আছে, তারি চারিপাশে। একদা সতেজ ছিলো, তারই সাক্ষী হয়ে। কতো সময় কেটে গেছে, কেটে গেছে কতো দিবস রজনী। দিন গুলি আসবে আর না ফিরে, সবুজ রং লেপ্টে দেবে না কেউ গায়ে। আগামী দিনের বৃক্ষলতাদি, বাতাসে দুলে তারাও ঝরে যাবে। পরে রবে বৃক্ষতলে অলস দুপুরে। 0
0যার কথা ভাবলে আমার মাথা ঠিক থাকেনা তার নাম ক্লিওপেট্রা। তাকে আমি একবার দেখেছি পাহাড়ের গুহায়, একবার দেখেছি নদীর কিনারে, একবার দেখেছি মিসিসিপি নদীতে সাঁতার কাটতে। যখন সে নদী পার হতে পারছিলনা তখন তাকে আমি নদী পার হতে সাহায্য করেছিলাম।আজ সে আমার দুয়ারে বসে আছে তাকে আমি কি দেব? তাকে আমি লাল বেনারসি শাড়ি দেই
0মহাননেতা বঙ্গবন্ধু আফছানা খানম অথৈ বাংলাদেশ ছিলো পরাধীন ছিলো না স্বাধীনতা, পশ্চিমারা শাসন করতেন কামলা খাটত বাঙালীরা। দিনেদিনে বেড়ে উঠে অত্যাচার, অবিচার,নির্যাতন, বাঙালীরা সইতে পারলো না ভীনদেশীদের শোষণ নির্যাতন। এদেশের অর্জিত অর্থ নিয়ে যেতেন পশ্চিমারা তাদের দেশে, বঞ্চিত হতেন বাঙালীরা সকল সুযোগ সুবিধা থেকে। প্রতিবাদী জনতা রুখে দাঁড়ালো তাদের অধিকার আদায়ের জন্য, ছাড় দিলো না
1বৃষ্টি ভেজা দিন মুহিববুল্লাহ জিয়া বৃষ্টি হচ্ছে সকাল থেকে মেঘাচ্ছন্ন আকাশ, উড়িয়ে নিচ্ছে মোর ছাতাখান কালবৈশাখীর বাতাস। ছোটবেলায় বৃষ্টি হলে চলে যেতাম মাঠে, খেলা শেষে কাঁদা মেখে চলে যেতাম ঘাটে। হাত পা সবি ধুয়েমুছে চলে আসতাম ঘরে, মটর ভাজা খেয়ে সবাই ঘুমাই যেতাম খাটে সূর্য মামা দেয় না আলো বৃষ্টি হচ্ছে বলেই, তাইতো সবাই ঘুমাই
0বীর তুমি? তুমি বীর? চণ্ডাল মস্তকে বসিয়া, উঁচু করিয়াছ শির। উচিত নহে , তোমার এ কার্য। নিজে অমান্যে আইন করিয়াছো তুমি ধার্য। পাহাড়সম ধন, তুমি করিয়াছো লুট, সত্যবাণী কাহারে সুধাও, নিজেই হইয়া ঝুট? ওহে! নিজকে কী ভাবো তুমি ফেরাউন, নমরুদ, নাকি প্রভুত্ব তোমার অসীম? লুটেপুটে গ্রাস করিলে তুমি, যাহা ছিল অন্যের ধন। মনুষ্য নহে তুমি,
0কালের সাক্ষী হয়ে ঘাত-প্রতিঘাতে জর্জরিত ফিলিস্তিনি হারিয়েছে শত প্রাণ, এখনো কাঁদে মায়ের আঁচল খানি। যেই দেশ ছিল স্বাধীন মুক্ত, অন্যের দুঃখে কাঁদিতো প্রাণ তারাই আজ বঞ্চিত তারা ভূমিহীন, নেই অধিকার-মান। ইতিহাস বলে, লক্ষ ইহুদি নিধনযজ্ঞে জার্মানীর হিটলার যে প্রাণে পেল নিস্তার, হলো না ঠাঁই সে দেশে থাকার। সেই ভূমিহীন বৃদ্ধা-বনিতাকে বুকে তুলে নিলো যারা তারাই
0বিশ্বকবি যোগ মোহন ঠাকুর হাঁটতে ছিলেন রাস্তা ধরে। হঠাৎই একটি লোক এসে বলল, ধর এ ফুলটি নাও।কবি বললেন, ফুল নেব কেন? লোকটি বলল, তুমি কবি তাই।কবি বললেন, কবি হলেই ফুল নিতে হবে? লোকটি বলল, হ্যাঁ।কবি বললেন, না, আমি ফুল ভালবাসিনা।” তাহলে?” ” আমি মানুষ ভালবাসি।”তাহলে আমাকে কিছুক্ষণ ভালবাস। ” না, তোমাকে ভালবাসার মত সময় এখন