ইতি – ভাস্কর পাল

0ইতি ভাস্কর পাল   ঝরছে পাতা জমছে চিঠি, অতীত হচ্ছে পুরনো স্মৃতি আকাশ মাতছে কখনো রৌদ্রে, কখনো ছাইছে অন্ধরাতে। বসন্ত আসে প্রতি বছরই, আসে না ফিরে হারানো দিন গুলি নতুনের উদয় হয়, একটা ঝাঁপসা রাত্তির পেরিয়ে,, তবু হারানো দিনগুলি রয়ে যায়, কত রাতের স্মৃতি ধরে।।   ইতিহাসের পাতায় ইতির চিঠি, কত গুচ্ছ গুচ্ছ অজানা স্মৃতি

বন্দি হয়েছি – ভাস্কর পাল

0বন্দি হয়েছি ভাস্কর পাল   আমরা আজ বন্দি হয়েছি আধুনিকতার সঙ্গী হয়েছি। ফেসবুক – হোয়াটস্যাপ – ইন্সট্রাগ্রামে নতুন একটা জগৎ গড়েছি। চিঠি লেখা ভুলেছি আমরা মেসেজটাকে আগলে ধরে; নেটওয়ার্ক আজ এনে দিয়েছে জগৎটাকে বন্দি করে।   বিশ্ব-ব্রহ্মান্ডের সকল অজানা ছোট্ট সেই ফোনটাতে, টাইপ করো গুগল – ক্রমে অজানা তথ্য দেবে এনে। সময়ের সাথে আধুনিকতার শিকড়

চক্ষুদান – ভাস্কর পাল

0চক্ষুদান ভাস্কর পাল   হে স্রষ্টা; তোমার হস্তে সৃষ্টি মম দুই নক্ষত্র নয়নও- যাহা তুলিয়া ধরে এ ধরিত্রীর সৌন্দর্য।   কত আছে উদ্ভ্রান্ত জীব, স্রষ্টা তব পদতলে। যারা দেখেনি এ জগতের অপরূপ শোভা, দেখেনি তোমারে…   আমরা সজ্জিত করি চক্ষু জোড়া- রাঙিয়ে তুলি কাজলের টানে। দৃষ্টি হীনরা বড়োই অভাগী, তাদের সুন্দরতা অন্ধকারে।   চক্ষু মোর

অন্তরালে – ভাস্কর পাল

0অন্তরালে ভাস্কর পাল   অজান্তেই অন্তরালে বেঁধেছি তোমারে সেই দিনটি ভুলি কেমনে! সেই তোমায় লেখা প্রথম চিঠি, যা দিতে পারিনি আজও; বলবো বলবো করে তোমায় মনের কথাটা বলা হলো না তবুও! পূর্ণিমার চাঁদ হয়ে এসেছো পাশে, প্রতিটি রাতে আমার আকাশে। অজান্তেই মনের গভীরে তুলেছো জ্বেলে স্বচ্ছ, শান্ত প্রদীপ। সেই প্রদীপের শিখা হয়ে, আমার জীবন আলো

শয়তান, চমৎকার, মানুষ ১১

0শয়তান শয়তানের শয়তানি কেউ দেখেছে?না, শয়তানের শয়তানি কেউ দেখেনি।যদি কেউ দেখত সে নিজেই শয়তান হয়ে যেত। সে শয়তান কে?সে শয়তান হল আমাদের পাড়ার শয়তান মোহাম্মদ আলী। সে কি করে?সে দিনরাত শুধু শয়তানি করে।শয়তানি করতে করতে বলে, আমি তোকে মেরেই ফেলব।সে নাকি একদিন একজনকে মেরে ফেলেওছিল। আমি তার মত হব।না, তার মত হওয়া সম্ভব নয়। তাহলে

ভালোবাসি – ভাস্কর পাল

0ভালোবাসি ভাস্কর পাল   ব্যার্থ হৃদয়, ব্যার্থ অপেক্ষা সময় গিয়েছে থমকে,, তখনই তোমার করুন দৃষ্টি অবাক করিল আমাকে।   নিস্তব্ধতা কাটিয়ে উঠে, স্তব্ধতার ঘোরে; তোমার নামটি হৃদয়ে গেঁথেছি আলতো ছোঁয়া ফেলে।   কঠোরতার শুন্য বুকে, কত না পাথর চেপে ভালোবাসার স্বপ্নতরী বুঁনছি অজান্তে।   গোলাপ কুঁড়ি ফুটছে মানেই, নষ্ট হওয়ার শঙ্কা তোমার প্রতি ভালোবাসাটা এনেছে

মা – ভাস্কর পাল

0মা ভাস্কর পাল   সকাল বেলায় ঘুম ভাঙলে, তোমায় পাশে খুঁজি- দেখতে না পেলে তোমায় মাগো, মা মা বলে ডাকি। প্রথম দিনে আমার মুখে, শুনেছিলে সেই ডাক,, শেষ জীবনেও সেই ভাবেতেই- ডাকার অভিলাষ। ছোট্ট বেলায় সকাল – বিকেল স্নেহ করতে তুমি। গান গেয়ে ঘুম পাড়াতে, নিয়ে আমায় কোলেতে। তোমার হাতের স্পর্শে মাগো ঘুম ভাঙতো যে।

মিটাইয়া দিও – ভাস্কর পাল

0মিটাইয়া দিও ভাস্কর পাল   মোর হৃদয় পিপাসিত ঢলায় দাও অমৃত প্রেমের সুধা বুকের মাঝারে আগলে লইয়া মিটায় দাও ভালোবাসার ক্ষুধা,,   আজই বসন্ত নিশির মৌন প্রেমে, ঝরিয়া পড়ুক পাতার কুঞ্জ চন্দ্র সজ্জিত পূর্ণিমা নিশিতে কেশেতে সাজায়ো পুষ্প পুঞ্জ।।   বর্ষণ নামিলে মেঘলা বৈকালে পরনে পড়িও লাল শাড়ি রক্ত জবার গাঢ় লালে চরণ সাজয়ও আলতা

বাবা – ভাস্কর পাল

0বাবা ভাস্কর পাল   বাবা তুমি এসেছো? ফিরে মোর কাছেতে! কোথা চলে গিয়েছিলে- আমায় একলা ফেলে!   তোমায় ছাড়া কতটা একা হয়ে পড়ি আমি, তবু কেন গেলে ফেলে আমায় একলা করে!   বাবা তুমি এসেছো? যাবে না তো আর- তোমা ছাড়া হয় না সাহস হয় বড্ড ভয়।   আমার এ জীবনে- তুমি একমাত্র দিশা। বাবা

স্বপ্ন – ভাস্কর পাল

0স্বপ্ন  ভাস্কর পাল   স্বপ্ন মানেই মরীচিকা আলোক ধারায় কুহেলিকা, গুঞ্জনের কাকলি বাজে মাঝ পথেতে থেমে গেছে।   ছোট্ট ছেলে বড়ো হলো স্বপ্ন গুলো অতীত হলো- কল্পনাতেই ঝলসে গেছে মাঝ আকাশের সুখতারা।   সেই শিশুটা পথের ধারে বাটি হাতে ভিক্ষা করে- তারও একটা অতীত ছিল স্বপ্ন যদিও অন্য ছিল।   ছোট্ট পাখি টুনটুনিটাও স্বপ্ন দেখে