তোমার ঐ দুই চোখে আমি দেখেছি অনেক ভালোবাসা

0  তোমার ও দুই চোখে আমি দেখেছি অনেক ভালোবাসা, তোমার ও দুই চোখে আমি পেয়েছি প্রেমের ভাষা। তোমার পরশ পেয়েই আমি জানলাম প্রেমের গভীরতা, তোমায় কাছে পেয়েই পরিপূর্ণ হলো ‘ভালোবাসা’ শব্দটা। আমার রসহীন কাব্যমালা রস পেল তোমার হাসিতে, আমার প্রাণহীন জীবনধারা প্রাণ পেল তোমার আগমনে। তোমার বিরহেই বুঝলাম কবিতা কী বস্তু, কল্পনা-ভাবনা-আবেগ এর আগে আমার

গরমের তাপে

0শিরোনাম – গরমের তাপে কলমে – সুচন্দ্রিতা ঘোষাল চক্রবর্তী তারিখ – ১৭.০৪.২৩ দহন তাপে, ভুগছে সবাই সূর্য হয়েছে রাগী। পৃথিবীর মাটি, চৌচির দশা দুর্দশার আইনজারী। প্রবল তেজে, ভয়াবহতা বৈশাখের বেসুরো কথা। নববর্ষের, এ কি রূপ চৈত্রের পর, এ কী ব্যথা? নদীর বুকে, মাটির ফাটল পুকুর, দীঘির অভাব। গরমের দিনে,কড়াল তেজে হাঁসফাঁস সবার ভাব। বাচ্ছা, বুড়ো,

নীলপরি

0কবিতা: নীলপরি কলমে: মুক্তা আক্তার     পলাশ ফুলে ফুটন্ত বৃক্ষ গগণ নীলে উড়ন্ত পক্ষী। ছোট বুকে মেঠো পথে, তার মাঝে তুমি নীলপরি।   সেদিন যেন উদাস মনে হয়েছিল দেখা কবির সনে। ছোট ছোট প্রয়াসে রাঙিয়ে, নাম দিলেন নীলপরি।   নাহ, গায়ের রং নীল নয় দৃষ্টিতেই সবিনয়। রূপসী মেয়ে নহে- তবুও নাম দিলেন নীলপরি।  

জন্মভূমি বাংলাদেশ

0  এই রক্ত সবুজ কন্ঠে অর্জিত অমৃত বাণী বাংলাদেশ। শত অশ্রুর চেতনারূপ বিশ্ব বিধাতার অগোচরে ঠাঁই, মোদের জন্মভূমি বাংলাদেশ।   শতাধিক রক্তের হিল্লোল সূর্যোলোক শোকায়িত লাল অজস্র বর্ষনে। ভাষাতে বেদনার প্রশমিত স্বাধীনতার উজ্জ্বল চেতনার মণি, মোদের জন্মভূমি বাংলাদেশ।   বেদনায় কাতরাতে কাতরাতে জিহ্বায় উচ্চারিত মুক্তি স্বাধীনতা। হানাদারদের ইস্পাতের আঘাতে- হাজার বছরের প্রেক্ষাপটে অভিনবত্ব, মোদের জন্মভূমি

কবরের অভিযাত্রী

0আকাশ পানে এক টুকরো সাদা মেঘ তরুলতারা যেন আজ হয়ে গেছে গম্ভির পাখিদের কণ্ঠে আজ নেই কোন গান মাটির বুকে যাচ্ছে এক আদম সন্তান । চাকচিক্ক যার ছিল নিত্ত সঙ্গী আজ সে সাদা কাফনে বন্দী বিদায় পৃথিবী ! শুনছে তবুও পারছে না বলতে । দাঁড়িয়েছে আদম সন্তানেরা কম্পিত হৃদয়ে করে দিও ক্ষমা আদম সন্তানকে জান

মুক্তি আবার চাও

0নামাজ পড়ো রোজা রাখো ওগো মুমিন ভাই, হালাল খাদ্য…. প্রথম শর্তই কবুল হবার তাই। দৈনিক নিয়ম মেনেই পাঁচবার পড়ো নামাজ রোজ, হারাম খেয়ে…..নামাজ মাঝেই প্রভুর করো খোঁজ। সহজ ভেবেই নামাজ আদায় করো জীবন ভর, আসলেই কি ..ওই আগুনের আছে মনে ডর। সুদের টাকার ….মাল-সামানা ভোজন করে খাও, নামাজ পড়ে…প্রভুর নিকট মুক্তি আবার চাও। এমন সহজ

পরিবর্তিত পাঠক

0শিরোনাম – পরিবর্তিত পাঠক কলমে – সুচন্দ্রিতা ঘোষাল চক্রবর্তী তারিখ – ০৯.০৪.২৩ আগেই বোধহয়, ছিলো ভালো নেটের ছিলো না রাজ। সময় পেলে, সাহিত্য চর্চা বাঙালির আর এক কাজ। মোড়ের মাথার, চায়ের দোকান সকাল থেকে ভিড়। চা এর সাথে, নামতো হেসে গানের কথা আর মীর। পাঠক সমাজ, আজো আছে নেই ভেতর জাগা টান। একটা কিছু, সৃষ্টি

কবিতা:- কালবৈশাখী

0  শিরোনাম – বৈশাখের বার্তা কলমে – সুচন্দ্রিতা ঘোষাল চক্রবর্তী তারিখ – ০৯.০৪.২৩ কালবৈশাখী বৈশাখের দস্যু ধৈর্যহীন নির্ভয় তুমি আছড়ে পড়ো,প্রবল বেগে আতঙ্ক ছড়ায় মনের ভেতর ঘরে। কলঙ্কিত আক্রোশে ভেঙেছে কতো গাছ তবুও তুমি অতন্দ্র তেজি দুঃসহ চমক আব্যাহত নীড়হারা ঝড়। কালবৈশাখী মাভৈঃ মাভৈঃ ক্লান্তিহীন অনিমিখি মান শাশ্বত, ভাস্বর তুমুল প্রলয়ে পড়েছো বাঁধা, কালো মেঘের

চলো মুসলিম

0বজ্র হুংকার চলো মুসলিম। আছে হিম্মত সামনে চল, বিপুল ধ্বংসে গুড়িয়ে দাও, ছাড়ো কামান কালানল। লড়াই করো বীরের মতো। নিপাত করো কাফের দল, দেখাও আজি তেজি দেহের আছে অটুট শক্তির বল। নিষ্ঠুর দানব বেদ্বীন জাতি মোদের আজি চক্ষুশূল। মুজাহিদ বীর ভাঙ্গরে কপাট উপড়ে ফেলো দূষিত মূল। ছিনিয়ে আজ আনবো বিজয় চল রে মুজাহিদের দল, শহীদ

শ্লোগানে কাঁপুক বিশ্ব

0ওহে মুসলিম কেনো ঐক্যর আজি দ্বার ও কপাট বদ্ধ। ফিলিস্তিনে লাশের মিছিল সাম্য মৈত্রী বন্ধন ঋদ্ধ। চল মুজাহিদ আপন বলে আঘাত হানো ধ্বংস নাশে। মানবতার শত্রু জালিম হোক ইসরাইল আজি লাশে। জ্বলন্ত ওই বিস্ফোরণে অগ্নিকুণ্ডে উঠছে ঘোলা। আকাশ বাতাস কম্পিত হয় পড়ছে জ্বলে অগ্নিগোলা, বীরের জাতি তোলো হুঙ্কার শ্লোগানে আজ কাঁপুক বিশ্ব কম্পিত হোক জালিম