গল্প ভালোবাসায় পরিপূর্ণতা আফছানা খানম অথৈ

1ভালোবাসায় পরিপূর্ণতা আফছানা খানম অথৈ রাকিব পরিবারের ছোট ছেলে।সরকারী কলেজের অধ্যাপক। পাঁচ বছর ধরে চাকরী করছে।কিন্তু বিয়ে করতে রাজী হচ্ছে না।অবিভাবকের পক্ষ থেকে যতবার বিয়ের চাপ দেয়া হয়,সে না করে দেয়।ভাবীরা মজা করে জিজ্ঞেস করে, রাকিব পছন্দ-টছন্দ আছে নাকি?কারো জন্য কি অপেক্ষা করছ?থাকলে নি:সংকোচে বলতে পার।আমরা সাদরে তাকে বরণ করব। রাখিব বিরক্ত হয়ে বলল, ভাবী

গল্প সভ্যতার করুণ সংকট আফছানা খানম অথৈ

0সভ্যতার করুণ সংকট আফছানা খানম অথৈ প্রাইমারী স্কুল টিচার আশিকুর রহমান চাকরী থেকে অবসর নিয়েছেন।কিন্তু এখনো টিচিং ভুলতে পারেননি।তাই পাড়া প্রতিবেশী ছেলে মেয়েদের পড়া দেখিয়ে দেন প্রায়ই সময়।ঝরে পড়া শিক্ষার্থীদের আগের মতো বিদ্যালয়মুখী করার জন্য যথাসাধ্য চেষ্টা করেন।গরীব দুঃখী ছেলে-মেয়েদের মাঝে মাঝে কাগজ কলম কিনে দেন।প্রাথমিক শিক্ষা বাধ্যতামুলক তা অশিক্ষিত লোকদের বুঝিয়ে বলেন।প্রায় অনেকে উনার

গল্প চোর সাজল প্রেমিক আফছানা খানম অথৈ

0চোর সাজল প্রেমিক আফছানা খানম অথৈ মিতা কলেজে পড়ে,ইন্টারমিডিয়েট ফাস্ট ইয়ার। আজ কলেজে নবীন বরন অনুষ্ঠান। একটু সাজু গুজু না করলে কেমন হয়। তাছাড়া মিতা একটু রোমান্টিক স্বভাবের। সাজু গুজু তার লাইফের একটা পার্ট। না সাজলে নিজেকে বেমানান মনে হয়। তাই খুব করে অলংকারাদি পরে সাজু গুজু করে তবে বের হলো। অনুষ্ঠান শেষ, সে বেরিয়ে

গল্প ডিভোর্সি মেয়ে আফছানা খানম অথৈ

0ডিভোর্সি মেয়ে আফছানা খানম অথৈ তানহার বিয়ে হতে না হতে ডিভোর্স হয়ে যায়।শিক্ষিত সুন্দরী চাকরীজীবি তবুও সংসার টিকাতে পারলো না।ভেঙ্গে গেল।একমাত্র মেয়ে বাবা-মায়ের আদর আহলাদে বড়।তাই শ্বশুর বাড়ির লোকজনের কটু কথা একটু ও সহ্য করতে পারলো না।যত আদরের মেয়ে হোক শ্বশুর বাড়ির লোকজনের চোখে সে বউ। তাকে একটু কটু কথা শুনতে হয়।প্রতিবাদ করা যায় না।মানিয়ে

গল্প ভুয়া লটারি আফছানা খানম অথৈ

0ভুয়া লটারি আফছানা খানম অথৈ সাহেদ এম.এ পাশ। বর্তমানে বেকার। বিভিন্ন পদে চাকরীর জন্য ইন্টারভিউ দেয়া শুরু করেছে, দু’চারটা ইন্টারভিউতে তো চাকরী হবে না, কমছে কম শতাধিক দিতে হবে। এরপরও হবে কি না সন্দেহ। বর্তমানে চাকরীর যে হাড্ডা হাড্ডি লড়াই। কে কত বেশি ঘুষ দিতে পারবে, উর্ধবতন মহলে কার কত আত্নীয়-স্বজন, আছে। তার উপরে উর্ধবতন

গল্প পতিতা আফছানা খানম অথৈ

0পতিতা আফছানা খানম অথৈ সাজেদা ম্যাট্টিক পাশ করেছে।ইন্টারে ভর্তি হবে,ঠিক সেই মূহূর্তে তার বাবা গাড়ি এক্সিডেন্ট করে।ডান পা ভেঙ্গে যায়।টাকার অভাবে চিকিৎসা করাতে না পারায় তিনি পঙ্গু হয়ে বিছানায় পড়ে থাকেন।সাজেদার বাবা অটো চালাতেন।তার ইনকামে সংসার চলত।এখন তিনি পঙ্গু হয়ে পড়ে আছেন। সংসার চলবে কিভাবে? চিন্তায় পড়ল সাজেদা।কোন উপায় না পেয়ে সে অটো চালানোর সিদ্ধান্ত

গল্প কবর আফছানা খানম অথৈ

0কবর আফছানা খানম অথৈ লিয়ন’র বড় ভাই আতিক’র বিয়ে।লিয়ন সেজে-গুজে ভাই’র সঙ্গে গেল।কনে পক্ষের লোকজন বরকে বরন করে নিলো।তারপর বর স্টেজের সামনে গিয়ে দাঁড়ালো, দুজন তরুণী স্টেজের সামনে দাঁড়ানো।একজন কনের আপন বোন অন্যজন চাচাতো বোন।ইয়ং ছেলেরা কিছু সময় ওদের সঙ্গে তর্ক করলো।লিয়ন কিন্তু কোনকিছু না বলে তাকিয়ে তাকিয়ে দৃশ্যটা দেখল।প্রথম দেখাতে কনের ছোট বোনকে লিয়নের

গল্প পরাজিত প্রেমিক আফছানা খানম অথৈ

0পরাজিত প্রেমিক আফছানা খানম অথৈ কাফি সবেমাত্র ডিগ্রী শেষ করেছে।এখনো চাকরী হয়নি।সে পায়েল নামের এক মেয়ের সঙ্গে ভালোবসার সম্পর্ক গড়ে তুলেছে।পায়েলেরও ইন্টার ফাইনাল পরীক্ষা শেষ হয়েছে।বাবা এবার মেয়ের বিয়ে দেয়ার জন্য তোরজোড় শুরু..। পায়েল বিষয়টা কাফিকে জানায়।কাফি ঘটক মারফত পায়েলের বাবার কাছে বিয়ের প্রস্তাব পাঠায়।পায়েলের বাবার এক কথা বেকার ছেলের সঙ্গে কখনো মেয়ে বিয়ে দেবে

গল্প যৌতুক আফছানা খানম অথৈ

0যৌতুক আফছানা খানম অথৈ আফরা জাহান রিদি সবেমাত্র ইন্টারমিডিয়েট ফাস্ট ইয়ারে ভর্তি হলো।বাবা হাই স্কুল টিচার মা গৃহিণী। দু’ভাইয়ের এক বোন।রিদি দেখতে শুনতে মন্দ না,মিষ্টি চেহারা,মায়াবী চোখ,কাজল কালো ভ্রু,সব মিলিয়ে খুব কিউট একটা মেয়ে।বিয়ের প্রস্তাব, প্রেমের প্রস্তাব, অনেক এসেছে কোনটাতে কান দেয়নি রিদি।একদিন সাজ সকালে বাবা আবদুল মোতালেব মাস্টারের দরজায় ঘটক এসে ডাক দেয়, মাস্টার

গল্প ভুয়া প্রেম আফছানা খানম অথৈ

0ভুয়া প্রেম আফছানা খানম অথৈ ঘড়িতে তখন রাত বারোটা। সুমনা সবেমাত্র ঘুমিয়েছে। তখনি মোবাইল ফোনে রিং বেজে উঠল। একবার, দুবার, তিনবার বাজনার পর তার ঘুম ভেঙ্গ গেল। সে আড়মোড় খেয়ে জেগে উঠল। অতপর মোবাইল হাতে নিয়ে রিসিভ করে বলে উঠল। হ্যালো আসসালামু আলাইকুম, কে বলছেন? অপর প্রান্ত চুপচাপ কথা বলছে না। সুমনা কিন্তু থেমে নেই