0রাশেদ: কিরে বন্ধু, কই যাস? মুগ্ধ:দোস্ত ফটোকপির দোকানে! রাশেদ: (মুখে বাঁকা হাসি দিয়ে) ও আচ্ছা, তাইলে পরীক্ষার প্রিপারেশন তো বেশ ভালোই! মুগ্ধ: হ দোস্ত। আগের দুই পরীক্ষাতে ফাটাইয়া দিছি। রাশেদ: কস কি! আর আমাদের কপাল দেখ! গতদিন পরীক্ষায় আমাদের হলে সুবর্ণা ম্যাডাম গার্ডে পড়েছিল। এক্কেবারে অবস্থা খারাপ। পরীক্ষা ভালো হয় নাই। দেখ! আগামী দিন হয়তো
Category: বাংলা গল্প
0ভুত আফছানা খানম অথৈ বিজ্ঞান এখনো ভুত নামক প্রাণির কোন অস্তিত্ব খুঁজে পাননি।তাদের মতে এটা ভিত্তিহীন, এর কোন অস্তিত্ব নেই। কিন্তু মনুষ্য জাতি কখনো তা স্বীকার করে না। তাদের মতে ভুত নামক এক প্রকার মারাত্বক ক্ষতিকর প্রাণি আছে, যা সারাক্ষণ মানুষের পাশাপাশি ছায়ার মতো হাওয়ার সাথে বসবাস করে।বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন রুপ ধারণ করে মানুষের সামনে
0 রক্তাক্ত শরীর, এলোমেলো চুল, পুরো শরীর ধুলায় ধূসরিত, পরনের কাপড়ের বিভিন্ন জায়গায় ছেড়া ষাটোর্ধ্ব এক বৃদ্ধা, বাঁচাও বাঁচাও বলে দৌড়াতে দৌড়াতে মাদ্রাসার গেইটে এসে মাটিতে গড়িয়ে পড়লেন। এমন অবস্থা দেখে মাদ্রাসার দুজন ছাত্র দৌড়ে তার দিকে গেল। তাকে উঠিয়ে বসালো। ততক্ষণে অশীতিপর বৃদ্ধা জ্ঞান হারিয়েছেন। মুহতামিমের (প্রধান শিক্ষক) পরামর্শে বৃদ্ধাকে মুহতামিমের কক্ষে নিয়ে আসা হলো।
0ঝরাফুল আফছানা খানম অথৈ বীথি ম্যাট্টিক পরীক্ষার্থি। দেখতে শুনতে মন্দ না। হালকা পাতলা, সিমচাম বডি মায়াবী চেহারা,সুশ্রী গড়ন। কিন্তু মায়াবী চেহারায় কেন জানি মলিন চাপ। পড়া লেখা খাওয়া দাওয়া কোন কিছু ঠিক মতো করতে পারছে না। সব সময় কেন জানি মনমরা হয়ে বসে থাকে।তবুও সে লেখা পড়া চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে। সন্ধ্যা সাতটা সে সবেমাত্র
0ময়না আফছানা খানম অথৈ আবিদ হাসান কলিংবেল টিপতেই ক্রিং ক্রিং আওয়াজ হল।মা এগিয়ে এসে দরজা খুলে দিলো।কিন্তু একি দেখল পাশে একটা মেয়ে বউ বেশে ঘোমটা দিয়ে দাঁড়িয়ে আছে।মা ফারজানা খানমের চোখ উপরে উঠে গেল।তিনি অবাক দৃষ্টিতে মেয়েটির দিকে তাকিয়ে রইলেন।আবিদ হাসান ভয়ে আতঙ্কিত,কি বলবে না বলবে ভেবে পাচ্ছেনা।পরক্ষণে মা জানতে চাইল, মেয়েটি কেরে? আবিদ হাসান
0কমলার দীঘি আফছানা খানম অথৈ সুলায়মান রহমান ছিলেন অজয়পুর রাজ্যের রাজা।তিনি ছিলেন উদার ও মহানুবভতার প্রতীক।প্রজাদের সুখ দু:খ নিয়ে তিনি সর্বদা ভাবতেন।একদা রাজ্যে পানির খুব সংকট দেখা দেয়।পানির অভাবে রাজ্যে প্রজাদের মাঝে হাহাকার শুরু হয়।প্রতিদিন রাজ দরবারে পানি সংকট কিভাবে দূর করা যায় তা নিয়ে প্রজারা উপস্থিত হয়।রাজা কোন সমাধান দিতে পারছেননা।এদিকে পানি শূন্যতার কারণে
0 কুমারী আফছানা খানম অথৈ প্রেমা মাস্টার্স কমপ্লিট করেছে।বাবা অবসর প্রাপ্ত হাই স্কুল টিচার। মেয়ের পড়া-লেখা শেষ এবার বিয়ে দেয়া আবশ্যক।ঘটক ডেকে পাত্র দেখতে বললেন।দুএকটা প্রস্তাব এসেও গেছে ইতিমধ্যে।দুপক্ষের পছন্দ অপছন্দের ব্যাপার আছে যাক সেখানে বিয়ে হয়নি।ঘটক কিন্তু বসে নেই একটার পর একটা প্রস্তাব আনছে।পাত্রী অনেকের পছন্দ হয়, কিন্তু দেনা পাওনার হিসেবটা মিলছে না বিধায়
0আদর্শ বাবা আফছানা খানম অথৈ মিথিলা অনার্স ফাইনাল ইয়ার ইংলিশ মিডিয়ামে পড়ে।বাবা সামান্য একজন হকার, ষ্টেশনে গাড়ি যখন থামে তখন বিভিন্ন ইসলামিক বই নামাজ শিক্ষা,ইসলামিক হামদ নাতে রাসুল ইত্যাদি বই বিক্রি করেন।মা জোবেদা খাতুন বাসায় গৃহ কাজের পাশা-পাশি সেলাইয়ের কাজ করেন।তবুও একমাত্র মেয়েকে উচ্চ শিক্ষিত করার জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।নিজেদের আরাম আয়েশ সুখ শান্তির কথা
0আদর্শ স্বামী আফছানা খানম অথৈ রায়হান বাবা-মায়ের বাধ্য ছেলে।ছোট বেলা থেকে নামাজ পড়েন, রোজা রাখেন।পড়া লেখায় খুব ব্রিলিয়ান্ট।অনার্স মাস্টার্স কমপ্লিট করে অডিট অফিসার পদে জব করছে।পরিবারের ছোট ছেলে,পাঁচ ভাই-বোনের মধ্যে চার ভাই-বোনের বিয়ে শাদী শেষ।এখন রায়হানের পালা,বাবা-মায়ের বয়স হয়েছে পাছে রায়হান ভালো জব করছে বিয়ের বয়স হয়েছে এখনই বিয়ে করা আবশ্যক।তাই রায়হানের মতামত জানতে চাইলে
0আলোর মিছিল আফছানা খানম অথৈ জসিম মাস্টারের স্ত্রী বিবি কুলসুম পানতা ভাত আর আলুর ভরতা রেডি করে খেতে ডাকছে।সেকী! মাস্টার এখনো উঠেনি,নাক ঢেকে ঘুমাচ্ছে।এমন সময় হাবলুর মা ছুটে আসল।আজ তার অংক পরীক্ষা।অংকে সে খুব কাঁচা।যতই বুঝায় কোন লাভ হয়না।এক কান দিয়ে ঢুকে আর এক কান দিয়ে বের হয়ে যায়।বাবা হারা হাবলুকে নিয়ে মায়ের যত চিন্তা।পরীক্ষায়