গল্প কালরাত আফছানা খানম অথৈ

0কালরাত আফছানা খানম অথৈ আমাদের সমাজে কিছুকিছু ছেলে-মেয়ে আছে মাতৃভক্ত। মায়ের কথা ছাড়া কোনকিছু করে না।নিজের পছন্দ অপছন্দ সবকিছু নির্ভর কতে মায়ের পছন্দের উপর।এমনকি বিয়ে ও মায়ের পছন্দে করে।শুধু তাই নয়, শ্বশুর বাড়ি যাতায়াত ও মায়ের অর্ডারে করে।এমনি এক কাহিনী উপস্থাপন করছি আজ আপনাদের সামনে।বিবি কুলসুমের পাঁচ ছেলে।চার ছেলের বিয়ে শেষ,এখন ছোট ছেলে তাসরিফের বিয়ের

গল্প কুসন্তান আফছানা খানম অথৈ

0গল্প কু’সন্তান আফছানা খানম অথৈ সামাদ মাস্টার একজন প্রাইমারী স্কুল টিচার ছিলেন।তার স্ত্রী রাজিয়া সুলতানা আদর্শ হাউজ ওয়াইফ। তাদের তিন ছেলে, কোন মেয়ে নেই। তাদের স্বপ্ন ছিল,তিন ছেলেকে উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত করাবে। তাই ছোটবেলা থেকে ছেলেদের লেখা পড়ার প্রতি খুব টেককেয়ার করতেন। ঠিকমত স্কুলের বেতন, পরীক্ষার ফি, সেশন ফি,কাগজ কলম, বই পুস্তুক সব কিছু সময়মতো

গল্প রাক্ষস আফছানা খানম অথৈ

0গল্প রাক্ষস আফছানা খানম অথৈ একদেশে বাস করত এক রাজা, নাম তার আরমান শেখ।একদা তিনি শিকারে বের হলেন। গভীর অরন্যের ভিতর ঢুকে পড়লেন।মেটো পথে হাটতে হাটতে খুব ক্লান্ত হয়ে পড়লেন। একটু জিরোতে গাছের নিচে বসে পড়লেন।গুম পাড়ানি মাসি পিসির আর সহ্য হলো না।রাজার চোখে ঘুম পাড়িয়ে দিলো।কিছুক্ষণ পর এক মেয়েলি কণ্ঠের কান্নার সুর ভেসে উঠল।সুর

গল্প একাত্তরের দিনগুলি আফছানা খানম অথৈ

0গল্প একাত্তরের দিনগুলি আফছানা খানম অথৈ লেখক রফিকুল ইসলাম রাফি অনার্স মাস্টার্স শেষ করে বেকার ঘুরছেন।চাকরীর চেষ্টা করে ব্যর্থ হলেন।অবশেষে লেখালেখিতে মন দিলেন।কিন্তু তাতেও ফেরে উঠতে পারলেননা।নতুন লেখক তাই প্রকাশকরা তেমন গুরুত্ব দিচ্ছেনা।পাণ্ডুলিপি কেউ পড়ে, কেউ পড়েনা।অনেকে বস্তা পঁচা লেখা বলে ফিরিয়ে দেন।তবুও হাল ছাড়েননি রাফি, প্রকাশকদের ধর্না ধরে চলেছে। একদিন এক প্রকাশক ঝাড়ি দিয়ে

গল্প ভালোবাসা ভালোবাসা আফছানা খানম অথৈ

0গল্প ভালোবাসা ভালোবাসা আফছানা খানম অথৈ রুমা অনার্স ফাইনাল ইয়ারে পড়ে।ছোট বেলায় মা মারা যান।তারপর বাবাই তার সব কিছু।বাবা আলম চৌধুরী বড় ব্যবসায়ী ।তিনি দেশ বিদেশে ব্যবসা বাণিজ্য নিয়ে ব্যস্ত থাকেন সব সময়।মেয়ের দেখভাল ঠিকমতো করতে পারেন না।রুমার দেখভাল কাজের লোকেরা করে থাকে।বাবা যখন বাসায় ফিরেন রুমা তখন ঘুমিয়ে যান।। তাই বাবা মেয়ের মাঝে তেমন

গল্প দজ্জাল বউ আফছানা খানম অথৈ

0দজ্জাল বউ আফছানা খানম অথৈ   রাজু মাস্টার্স কমপ্লিট করে বড় একটা চাকরী পেয়েছে।পলি নামের এক মেয়ের সাথে সে রিলেশন গড়ে তুলে।বছর খানেক কেটে গেল তার রিলেশনের মেয়াদ। পলির বাবা বড় ব্যবসায়ী , এক মেয়ে দু’ছেলে। পলি সবার ছোট।সবেমাত্র অনার্স প্রথম বর্ষে ভর্তি হলো।এরই মধ্যে রাজুর সাথে প্রেমের রিলেশন গড়ে তুলল।একে অপরকে না দেখে থাকতে

গল্প রেমিট্যান্স যোদ্ধা আফছানা খানম অথৈ

0রেমিট্যান্স যোদ্ধা আফছানা খানম অথৈ রেমিট্যান্স যোদ্ধা রাকিব হাসান পাঁচ বছর পর দেশে ফিরে বিয়ে করেন বাবা-মায়ের পছন্দে।ছুটিমাত্র ছয়মাস।তাই তাড়াহুড়া করে বিয়ের কাজ শেষ করেন। কিন্তু সে কী!বউ শ্বশুর-শ্বশুড়িকে মানতে পারছে না।একজনের সাথে একজনের বনিবনা হচ্ছে না।বউ শ্বাশুড়ির মাঝে প্রায় সময় ঝগড়া লেগে থাকে।রাকিব পড়েছে মহাবিপদে কাউকে বুঝাতে পারছে না।বউকে বুঝাতে গেলে বলে,মায়ের পক্ষে বলছে।মাকে

গল্প কাজের বুয়া আফছানা খানম অথৈ

0কাজের বুয়া আফছানা খানম অথৈ হাজেরা বেগমের স্বামী মারা যাবার পর দুই ছেলে সাজ্জাত আর আনোয়ার বলে, মা তোমাকে এখানে দেখার কেউ নেই।আমরা দুভাই শহরে থাকি।যখন তখন আসতে পারিনা।তাছাড়া যখন তখন আসা আমাদের পক্ষে সম্ভব নয়।তাই বলছি আমাদের ঘরবাড়িসহ যেটুকু সম্পদ আছে বিক্রি করে ফেলি। সে কী! ঘরবাড়ি বিক্রি করলে থাকব কোথায়? কী যে বলো

গল্প শিমুল পারুল আফছানা খানম অথৈ

0শিমুল পারুল আফছানা খানম অথৈ শিমুল জমিদার বাড়ির ছেলে,বনেদী বংশ।আর পারুল একজন গরীব কৃষকের মেয়ে।বাবা বর্গা জমি চাষ করেন।জমিদার বাড়ির বর্গাচাষা।সেই সুবাধে পারুলের বাড়িতে শিমুলের যাতায়াত।দুজনের এক সাথে বেড়ে উঠা,পড়ালেখা। একে অপরের ভালো বন্ধু। দুজনের পরিণত বয়স।এ বয়সে যা হয় আর কি?দুজনের ভাবসাবে বুঝা যায়,একে অপরকে ভালোবাসে।কিন্তু কেউ কাউকে বলে না।অপেক্ষা আর অপেক্ষা,আর কত…। শিমুল

গল্প কন্যা সন্তানের জন্য মা দায়ী নয় আফছানা খানম অথৈ

0কন্যা সন্তানের জন্য মা দায়ী নয় আফছানা খানম অথৈ ময়না সপ্তম শ্রেণিতে পড়ে। বয়স চৌদ্দ পনেরো হবে, খুব সুন্দরী ও বটে। তার পিছে পিছে ঘুরে ডজন খানেক বখাটে। সুন্দরী মেয়েদের সেইফ রাখা খুব রিক্স।বড় লোক হোক আর গরীব হোক।বড় লোকদের বেলায় দু’এক ক্ষেত্রে টাকা পয়সা দিয়ে কিছুটা ম্যানেজ করতে পারলে ও গরীবের বেলায় তা মোটেও