গল্প বিলম্বিত বাসর আফছানা খানম অথৈ

0বিলম্বিত বাসর আফছানা খানম অথৈ লতিফ মাস্টার একজন সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষ।তিনি পড়া-লেখায় খুব ভালো ছিলেন।প্রতিটি পরীক্ষায় প্রথম ছাড়া দ্বিতীয় হতেন না।খুব ভালোভাবে বি এ পাশ করেন।এরপর ও তার চাকরী হয়নি।কারণ চাকরী হতে হ্যালো হ্যালো লাগে,ঘুষ লাগে।লতিফ মাস্টারের এসব নেই।তাই চাকরী হয়না।একবার সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে লিখিত পরীক্ষায় তিনি পাশ করেন।আনন্দে তার বুকটা

গল্প পরকীয়া প্রেম আফছানা খানম অথৈ

0পরকীয়া প্রেম আফছানা খানম অথৈ অনার্স ফাইনাল ইয়ারে পড়া মেয়ে তানিয়ার বিয়ে ঠিক হলো ধনাঢ্য ব্যবসায়ী সুমন শিকদারের সঙ্গে। তারা তিন ভাই বোন।দু’বোন বড়। তাদের বিয়ে আগে হয়ে গেছে।সুমন শিকদার পরিবারের একমাত্র আদরের ছেলে। তার উপরে ধনাঢ্য ব্যবসায়ী।বাবা মারা গেছেন। মা এখনো জীবিত আছেন। একমাত্র ছেলের বিয়ে বলে কথা মহাধুমধাম তো হবে। ব্যান্ড পার্টি, নায়ক,গায়ক,মিউজিক

গল্প প্রিয়জন আফছানা খানম অথৈ

0প্রিয়জন আফছানা খানম অথৈ নাফিসা বাবা-মায়ের একমাত্র আদরের মেয়ে।অনার্স মাস্টার্স কমপ্লিট করেছে সবেমাত্র।বাবার অফিসের কর্মচারী সায়ানের সঙ্গে বিয়ে ঠিক করেন।নাফিসা এই ব্যাপারে কিছুই জানে না।মায়ের মুখে কথাটা শুনামাত্রই মাথায় আকাশ ভেঙ্গে পড়ে।সে ছাপ ছাপ জানিয়ে দেয় এই বিয়ে করবে না।কিন্তু বাবা কিছুতেই মানতে রাজী না।তার এক কথা বিয়ে তাকে করতেই হবে।তা না হলে বাবা শরীফ

গল্প- সৎ ভাই- আফছানা খানম অথৈ

0সৎ ভাই আফছানা খানম অথৈ কাব্যর বয়স যখন সাত বছর তখন তার বাবা-মা দুজনে মারা যায়।এখন আপন বলতে তার আর কেউ নেই।একমাত্র বড় বোন আরিফা এখন তার অবিভাবক।আরিফার মা মারা যাওয়ার পর কাব্যর মাকে বিয়ে করে তার বাবা।কাব্যকে দেখভাল করার দায়িত্ব দেয়া হয় বড় বোন আরিফাকে।কিন্তু সে নিতে নারাজ। তবুও গ্রামবাসী অনেক বুঝিয়ে কাব্যকে তার

গল্প- এখনো তোমাকে ভালোবাসি- আফছানা খানম অথৈ

0আকাশ ও শিলা দু’জনের রিলেশনের বিয়ে।আকাশ পরিবারের সেঝো ছেলে মাস্টার্স পড়ে। বড় দু’ভাই এখনো বিয়ে করেনি। তাই বিয়েটা আপাতত গোপন রাখা হয়েছে।শিলা পরিবারের ছোট মেয়ে।এখনো লেখা পড়া শেষ হয়নি অনার্সে পড়ে।পরিবারের কাউকে না জানিয়ে বিয়ে..। তাছাড়া একটা বেকার ছেলেকে বিয়ে কেউ মেনে নেয়নি।দুই পরিবার অসন্তোষ্ট।দু’জনে হোস্টেলে থেকে লেখা পড়া করতো।বিয়ে করার পর হোস্টেল ছেড়ে দিয়ে

গল্প অপূর্ব প্রেম আফছানা খানম অথৈ

0লিনা ইন্টারমিডিয়েটে পড়ে। দু’ভাই বোন ও বাবা মা মিলে তাদের ছোট্ট সংসার।সুখ শান্তি যেন উপছে পড়ছে।বাবা যেখান থেকে আসেন মেয়ের জন্য কিছু একটা নিয়ে তবে ফিরেন।লিনা ও বাবাকে খুব করে ভালোবাসে।বাবা মেয়ের মাঝে অসম্ভব রকম ভালোবাসা যার বর্ণনা এই সংক্ষিপ্ত গল্পে শেষ করা যাবে না।বাবার ইচ্ছে মেয়েকে বড় বিদ্যান বানাবে।অনেক বড় স্বপ্ন তার বুকে।লেখা পড়ার

মা- ৬

0একদিন সকাল বেলা ঘুম থেকে উঠে দেখি আমার মা ঘরে নেই। আমি আমার মাকে খুঁজতে বের হলাম। গিয়ে দেখলাম কোন এক বনের ধারে তিনি বাসন-কোসন মাজছেন।আমি বললাম, তুমি এখানে কেন?  বললেন, এখানে না আসলে আমার ভাল লাগেনা। এখানে যে আমার তৃতীয় সন্তান মারা গিয়েছিল। আমি বললাম আমিতো আছি, আমাকে দেখে তাকে ভুলে থাক। মা বললেন,

আইসক্রিম

0হঠাৎ বাসার কারেন্ট চলে গেছে। দুপুরের কাঠ পোড়া রৌদ্রে কারেন্ট যাওয়া মানে মৃত্যুর প্রহর গোনা। প্রচন্ড গরমে কার শরীর সুস্থ থাকে? ঘামের পুকুরে যেন সবাই হাবুডুবু খাচ্ছে। উফ! মাথা নষ্ট! এত কঠিন গরমে কোন বেচারার বেঁচে থাকার ইচ্ছা আছে? পাশের বাসার তাকিয়া ও তার আম্মু তাই্যয়েবার বাসায় চলে এলো। কারণ, তাই্যয়েবাদের বাসায় তাকিয়াদের বাসার থেকে

উপন্যাস- ত্রিকালদর্শী- লুবনা নিগার- লেখক ডট মি

উপন্যাস- ত্রিকালদর্শী

0ত্রিকালদর্শী লুবনা নিগার শরতের নীল আকাশে সাদা মেঘ ভেলার মতো ভেসে বেড়াচ্ছে । ঘাসের ডগা গুলো সতেজ । নদীর তীরে ফুটেছে কাশ ফুল । শরণখোলা গ্রামে চলছে দুর্গা পূজার প্রস্তুতি চলছে। দেবী দুর্গা কৈলাস থেকে এই শরৎ কালে মর্তলোকে আসেন। লক্ষ্য তার অসুর নিধন। স্বর্গের দেবতারা অসুরের সাথে পরাজিত হয়ে যে অকাল বোধন করেছিলেন, তাদের

অনুগল্প- ভালোবাসার ছোঁয়া

0লেখা স্বংরক্ষিত ০৬.০৪.২৩”>অনুগল্প 💕ভালোবাসার ছোঁয়া💕 ✍️সুচন্দ্রিতা ঘোষাল চক্রবর্তী অফিসের দরকারি কাজে চুমকিকে বস দিল্লি পাঠালো। তড়িঘড়ি ফ্লাইটের টিকিট ধরিয়ে দিল,অফিসের বস। একসপ্তাহের কাজ সেরে ফেরা। মেয়েকে মায়ের কাছে রেখে বেরিয়ে গেল। ৯.২০ দিল্লি গামী প্লেনে বসেছে, পাশের সিটে বসা মানুষটিকে দেখে অবাক হয়ে গেলো। এ কি তুমি?দুজনের একটা কথা, এক নিশ্বাসে বলে ফেললো। আটবছর পর