0অসাড় জাতি ভাগ্যের জোরে নির্ভর করে চলে, বলছে জাতি লিখন আছে পাবো সময় হলে। এমন জাতি আঁধার ঘুচে আলোর দেখা পাবে? পিঠের দাঁড়া ভাঙ্গা জাতি চাকর হয়ে যাবে। অলীক স্বপ্ন ভাগ্যের উপর আশার স্বপন ঢাকা, অক্ষম জাতি ভাবতে থাকে সচল ভাগ্য চাকা। ভাগ্যের স্রোতে গা ভাসিয়ে মরবে জাতি ডুবে! আঁধার ঢাকা আলোর রেখা দেখবে তবে
Category: নতুন লেখকদের লেখা
0আমার মাও ভাল, বাবাও ভাল ;কাকে আমি বেশি ভালবাসব?মা বলে, আমি তোকে বেশি ভালবাসি , বাবা বলে, আমি তোকে বেশি ভালবাসি। একদিন পরীক্ষা হয়ে গেলঃ বাবা আমাকে পিটতে আসল, মা ছোড়াল।সেই থেকে মাকে আমি বেশি ভালবাসি। কিন্তু মা আমাকে দেখতে পারেনা, বলে, আমি তোকে যখন বাবার কাছ থেকে ছোড়াই তখন তুই আমাকে ভালবাসছ্ এছাড়া তুই
0নদীতে যখন ঢেউ উঠে মানুষ তখন কি ভাবে? আমি যদি নদী হতাম।আজ কি আমি নদী? না।তাহলে? ” আমি কবে নদী হব?” নদী হলে কি হবে? আমার নদীতে শুধু ঢেউ উঠবে, শুধু ঢেউ উঠবে। আমি সাগরে ভেসে যাব।আমার চাওয়ার পাওয়ার কিছুই থাকবেনা। আমি হব এক অমোঘ নদী। তাহলে? ” সেই দিনটি কেন আসেনা!” 0
0তুমি যখন হাসতে থাক তখন আমি কাঁদতে থাকি, তুমি যখন কাঁদতে থাক তখন আমি হাসতে থাকি, বলি, তোমাকে আমি পেলামনা, তোমাকে আমি পেলামনা। তুমি কি আমার সে কথা শোন? না, শোননা।তাহলে? আমার সারাক্ষণই কাঁদা উচিত। আমি কি কাঁদব? কেঁদে লাভ কি! তার চেয়ে বরং হাসি! 0
0আমি যে ফুল ভালবাসি সে সে ফুল ভালবাসেনা।একদিন বললাম, এই তুমি এ ফুল ভালবাসনা কেন? বলল, দুইয়োজনে একই ফুল ভালবাসলে হয়? বললাম, তাহলে? বলল, একজন এক ফুল ভালবাসবে। কেমন? তুমি ভালবাসবে গোলাপ, আমি ভালবাসব জবা।বললাম, জবার ঘ্রাণ তো গোলাপের মত নয়।সেই থেকে সে গোলাপ ভালবাসে। এখন আমি তাকে নিয়ে কি করব বলেন।কারন, গোলাপ তো একটাই
0তুমি যদি আর কোনদিন না হাস আমি কি করব? আমি মরে যাব? কোনদিনই মরবনা, বলব,আবার হাস আবার হাস।তারপরও যদি না হাস? চেয়ে থাকব কখন তুমি হাস।যদি একেবারেই না হাস?বলব, একদিন না একদিন তো হাসবে কারন হাসি ছাড়া তো কেউ বাঁচতে পারেনা। 0
0আমার সময় হয়েছে চলে যাবার অথচ সে আমাকে যেতে দিচ্ছেনা।এই তুমি আমাকে যেতে দিচ্ছনা কেন? তুমি না থাকলে আমার ভাল লাগেনা। তাহলে আমাকে বেঁধে রাখ। কি দিয়ে বাঁধব? দড়ি দিয়ে বাঁধ।কই দড়িতো নাই।তাহলে কাছি দিয়ে বাঁধ।কই কাছিও নাই। তাহলে বুকের ওড়না দিয়ে। ওড়না দিয়ে বাঁধলে সমস্যা আছে।কি সমস্যা? আমি পরব কি! তাহলে একদম বুকের সাথে
0যার জন্য আমি রক্ত দিয়েছি সে আমার জন্য রক্ত দেয়নি। একদিন বললাম, তুমি আমার জন্য রক্ত দিলেনা কেন? বলল, আমার শরীরে তো রক্ত নেই। আমি কেটে দেখলাম তার শরীরে আসলেই রক্ত নেই। এখন আমি তার জন্য কি করব? সে যদি বলে তোমার শরীর থেকে এক বোতল রক্ত দাও, আমি দেব।কিন্তু সে আমার শরীর থেকে এক
0আমি যতবার তার কথা ভাবি আমার চোখে জল এসে যায়।অথচ একবারও সে আমার কথা ভাবেনা।একদিন বললাম, তোমাকে কি নাম দেব? বলল, আমার কোন নাম নেই। বললাম, তাহলে তুমি ‘নামহীনা’ হলে কেন? বলল, যাদের কোন নাম নেই তাদের নামহীনাই হতে হয়।সেই থেকে আমি তাকে নামহীনা বলেই ডাকি।কিন্তু নামহীনা বলে ডাকলে সে অসন্তুষ্ট হয়ে যায়।বললাম, তাহলে তোমাকে
0আমার বাবার যে হাত লম্বা সে হাত দিয়ে বাবা আমাকে আদর করে। একদিন বাবাকে বললাম, তোমার হাত লম্বা বলেই তুমি আমাকে আদর কর। বাবা বলল, আমার এ হাত লম্বা না হলেও আদর করতাম।এখন আমাকে বাবা বেশি বেশি আদর করে, বাবাকে কি বলব? বাবা যদি কোনদিন এ পৃথিবী ছেড়ে চলে যায় আমি কি কাঁদব? অবশ্যই কাঁদব,