0মরনের পরে মানুষ কি করে? শুধু হা হুতাস করে যদি আবার ফিরে যেতে পারতাম! কিন্তু মানুষ কি পৃথিবীতে ফিরে যেতে পারে? না।তখন সে কি করে? শুধু হতাশায় ভোগে, হায় এমন জন্ম কেন হল! তাহলে? আমাদের জন্মই বৃথা। তাহলে? ঈশ্বর আমাদের আবার জন্ম দিক্। 0
Category: নতুন লেখকদের লেখা
0বাবার মুখে হাসি, ছেলের মুখেও হাসি। বাবা বলে, বাবা তুই হাসছিস কেন? ছেলে বলে, তোমার মুখে হাসি!তার মানে ছেলে বাবার মত হাসে।আমার আজ বাবা নেই, আমি কার মত হাসব? বাবা তুমি যেখানেই আছ ফিরে আস!না, না বা আমার পক্ষে ফিরে আসা সম্ভব নয়! তাহলে তুমি বাবা হতে গেলে কেন? 0
0“তুমি আমার প্রেমে পাগল? না, তুমি পাগল একটি বাসন্তী ফুলের প্রেমে।সে ফুল তোমাকে কি দেবে? কিছুই দেবেনা। তাহলে তুমি পাগল কেন? সে ফুল অনেক সুন্দর। এ সৌন্দর্য দিয়ে তুমি কি করবে! কিছুই হবেনা! তুমি শুধু সে ফুল ভালবাসবে কিন্তু ফুল তোমাকে কিছুই দেবেনা কারন ফুল তার নিজেকে নিয়ে বাঁচবে। তাহলে তোমার কি করা উচিত? আমাকে
0আমজনতা —-বিরাট কষ্টে রাখছে কে’বা খেয়াল, তাল বেতালের রাজনীতিতে শান্তি দেশের বেহাল! রাজ ভবনে —-ময়ূর পুষে দিলেন খাদ্য দানা, এমন সাধ্য কার আছে যে করবে তাকে মানা! খিদের জ্বালা বেজায় কষ্ট লাগছে পেটে খিল, চটলে বেশি করবে নিরব পড়বে পিটে কিল। বিপদ দেখি —সবখানেতে কাবু সকল জনে, রাজা-মন্ত্রী –আপন-স্বজন বেজায় খুশি মনে! আমজনতার —কঠিন প্রশ্ন
0এই সেই নদী যেখানে তুমি আমি সাঁতার কাটতাম।একদিন আমি ডুবে যাচ্ছিলাম, তুমি আমাকে টেনে তুললে, তুমি বললে,তুমি যদি ডুবে যাও আমি বাঁচব কি করে! । সেই থেকে আমাদের ভালবাসা। আজ আবার সেই ভালবাসা ফিরে এল।আজ আবার ডুবে যেতে ইচ্ছে করছে। আজ ডুব দিলে আমি তোমাকে টেনে তুলতে পারবনা। কেন? আজ আমার সেই শক্তি নেই। তাহলে
0আমি যা চাই তুমি তা চাও? না।তারপরও আমরা একে অপরকে ভালবাসি। কেন? আমাদের কোথায় যেন একটি সুন্দর মিল আছে। সে মিলটি কি কেউ কি আমাদের বলে দিতে পারবে? যদি না পারে তাহলে তার কেন জন্ম হল! তার তো জন্ম নেওয়া ঠিক হয়নি! তার জন্ম হয়েছে আকাশের ধ্রুব তারা ঘরে বসে বসে গুণে দেখার জন্য। তাহলে
0ঈশ্বরের কাছে কতবার একটি ফুল চাইলাম ঈশ্বর দিলনা।শেষ পর্যন্ত সবিতা আমাকে একটি ফুল দিল।সবিতাকে বললাম, তুমি এ ফুল না দিলে আমি কি করতাম? সবিতা বলল, কেঁদে মরতে।বললাম, কেঁদে মরলে তুমি খুশি হতে? সবিতা বলল, খুশি হতাম কারন, তুমি ঈশ্বরের চাইতে আমাকে বেশি ভালবাসতে। ঈশ্বরের চাইতে কাউকে বেশি ভালবাসা যায়? হ্যাঁ যায়, যে তোমাকে ঈশ্বরের চাইতেও
0তুমি আজ আমাকে একটি কথা দাও চিরদিন তুমি আমার থাকবে। না, না আমি কোনদিনই তোমার ছিলামনা।তাহলে সেদিন বললে যে তুমি আমার? সে ছিল আমার সালতাতামি।দেখতে চেয়েছি তুমি কি বল।তাহলে সবই তোমার অভিনয়? হ্যাঁ, সবই অভিনয়। এ অভিনয় করলে কেন? এ অভিনয় না করলে যে তুমি আমাকে মনে গাঁথবেনা।আমি কি তোমাকে কোনদিন মনে গাঁথিনি? গেঁথেছ, যেটুকু
0শব্দ করে হাসত রেখা।একদিন বললাম, তুমি এমন শব্দ করে হাস কেন? বলল, তোমাকে দেখানোর জন্য। বললাম, তাহলে এখন একটু শব্দ করে হাসতো।হো হো করে উঠল রেখা।সে শব্দ যে কি শব্দ ছিল যে শুনেছে সেই জানে।আজ রেখা নেই, আজ আমি কোথায় সেই হো হো শুনব? একজনকে বললাম, একটু হো হো করতো।তার হো হো হলনা।আমি কোথায় গেলে
0আমি কবি, আমি কবিতা লিখি মনের আনন্দে। কেউ যদি আমাকে বাধা দেয়, আমি তার ঘায়ে ছুরি চালিয়ে দেই।আর যদি কেউ বাধা না দেয় আমি তার ঘায়ে কোন ছুরি চালাইনা।আজ আমাকে কেউ বাধা দেয়নি। তার মানে আজ আমি কারো ঘায়ে ছুরি চালাইনি।তার মানে আজ আমার একটি কবিতাও লেখা হয়নি। আবার যদি এমন কোন দিন আসে আমাকে