সিয়াম বা রোযা ভাঙ্গলে কি করতে হবে

0

সিয়াম বা রোযা যদি নষ্ট হয় কিংবা ভাঙ্গলে চারভাগে তার (লাউয়াজিম) মানি ক্ষতি পূরণ করতে হবে। কাজা রোযা রাখতে হবে, কাফ্ফারা আদায় করিতে হইবে, ফিদিয়া আদায় করিতে হইবে এবং রোযাদারদের অনুকরণে সারাদিন পানাহার না করে থাকতে হবে।
শর্ত অথবা শর্তহীন প্রত্যেক মুসলমানকে রোযা রাখতেই হবে। হায়েজওয়ালী ব্যাক্তিকে পরে কাজা রোযা রাখতে হবে। পুরুষের বীর্যপাতে রোযা নষ্ট হলেও তাকেও একই নিয়ম পালন করতে হবে। তবে অবিশ্বাসী, অপ্রাপ্ত বয়স্ক এবং মজুরদের জন্য রোযা ফরজ নয়।
রমজান মাস উপলক্ষে যে সকল রোযা ভাঙ্গা হয়েছে তা একাধারে পালন না করে বিরতিসহ বিভিন্ন সময়ে করা যেতে পারে। এমনকি এক নাগাড়েও করা যেতে পারে।
শুধুমাত্র একটিমাত্র যৌন – সম্ভোগের কারণে যে রোযা নষ্ট হয়ে গেছে শুধু সে ক্ষেত্রেই কাফফারা আদায় করিতে হইবে – অন্য ক্ষেত্রে নয়। বীর্যপাত, পানাহার ক্ষেত্রে কাফফারার প্রয়োজন নেই। একজন কৃতদাসকে মুক্তি দিয়েও কাফফারা আদায় করা যায়। যদি এ কাজ সম্ভব না হয় তাহলে একাধারে দু-মাস মানি ষাট দিন রোযা রেখে কাফফারা আদায় করা যেতে পারে। এটিও যদি সম্ভব না হয় তাহলে সে ক্ষেত্রে ষাট দিন কোন গরীব লোককে খাওয়াতে হবে এবং তাকে এক সের গম, কিংবা যব কিংবা খেজুর দান করতে হবে এবং তার কাফফারা আদায় করা হয়ে যাবে।
যে বিনা কারণে রোযা ভেঙ্গেছে অথবা রাখেনি তাকে বাধ্যতামূলকভাবে বাকী দিনটা পানাহার না করে কাটাতে হবে। তবে, পাক-পবিত্র হয়ে গেলে হায়েজওয়ালীকেও বাকী দিনটা পানাহার থেকে বিরত থাকা বাধ্যতামূলক নয়। গর্ভবতী হওয়ার ফলে যে মহিলার রোযা নষ্ট হয়েছে তার উপর ফিদিয়া আদায় বাধ্যতামূলক। অচল বৃদ্ধদেরকেও রোযা ভাঙ্গার জন্য অনুরূপ একসের গম দিতে হয়।

 


আরো পড়ুন-


56
বিজ্ঞাপনঃ মিসির আলি সমগ্র ১: ১০০০ টাকা(১৪% ছাড়ে ৮৬০)

0

নিচের লেখাগুলো আপনার পছন্দ হতে পারে

হযরত আলী (রা:) এর জীবনী

হযরত আলী ইবনে আবি তালিব (রাঃ) ছিলেন ইসলামের ইতিহাসে এক অনন্য ব্যক্তিত্ব, যিনি সাহস, জ্ঞান, ন্যায়বিচার এবং তাকওয়ার জন্য সুপরিচিত।

খলিফা ওমর বিন আবদুল আজিজের নসিহত : একটি চিরন্তন আদর্শ ও বর্তমান উম্মাহর বাস্তবতা

ইতিহাসের এক গুরুত্বপূর্ণ সময়ে খলিফা ওমর বিন আবদুল আজিজ একটি যুদ্ধের প্রাক্কালে তার সেনাপতি মানসুর বিন গালিবের উদ্দেশ্যে একটি উপদেশপূর্ণ

কবিতা আল কোরআনের প্রতীক আফছানা খানম অথৈ

আল কোরআনের প্রতীক আফছানা খানম অথৈ মা আমেনার গর্ভেতে জন্ম নিলো এক মহামানবের, নাম হলো তার মুহাম্মদ রাসুল আসলো ভবের

ফোরাত নদীতে স্বর্নের পাহাড় আফছানা খানম অথৈ

ফোরাত নদীতে স্বর্নের পাহাড় আফছানা খানম অথৈ ইমাম মাহাদী (আ:) আগমনের পূর্বে ফোরাত নদীর তীরে স্বর্নের পাহাড় ভেসে উঠা কেয়ামতের

Leave a Reply