পেয়ারীর রায় — সুজন চন্দ্র দাস

1অপরাধ করার পরও অপরাধী যতটুকু না শাস্তি পায় কাউকে সত্যিকার ভালোবেসে অধিক শাস্তি হয় পেয়ারীর রায়; মানুষ তার প্রেমেই পড়ে বারবার যে থাকে সাধ্যের বাইরে তোমার আমার।   1

ভারত মাতা- Dipankar Saha (Deep)

2নমঃ নমঃ নমঃ      ভারত মাতা। তব চরণে করি     নত মাথা।। তুমি আমাদের   জন্মদাতা- এই জীবনের শক্তিদাতা।। দুঃখ অশনি তথা তারি মাঝে মঙ্গল ধ্বনি গাঁথা। দুঃখ সুখ দৈন্য লেশ হীনমন্যতা তুমি আমাদের ভাগ্য বিধাতা।। নমঃ নমঃ নমঃ      হে শ্রেষ্ঠা ঐক্য বন্ধন ঐক্যতা। স্বর্গ সুখ,অলকানন্দা- অবিরত বহে সকল দেবতা।। হিন্দু মুসলিম খ্রিষ্ঠান

হাসপাতালের শয্যা- কবিতা

হাসপাতালের শয্যা থেকে বলছি  – সুজন চন্দ্র দাস

1আমি হাসপাতালের শয্যা থেকে বলছি দিন শেষে বলি, এইতো আরো একটা দিন বেঁচে গেছি নরকের যন্ত্রণা সহ্য করে বেঁচে আছি প্রতি প্রহর পাড় করার পরে মনে হয় শুয়ে ছিলাম এক শতাব্দী ধরে। হাসপাতালের শয্যা থেকে বলছি আমি হতোভাগা, আমি পুরা কপালি তাই বুঝেছি রোজ কতো কষ্ট,যন্ত্রণা,আর্তনাদ দেখছি, কারো হাত,কারো পা,কারো চোখ নাই মরণেই একমাত্র শান্তি‌

পঞ্চকবি, পঞ্চপান্ডব, অমিয় চক্রবর্তী, বিষ্ণু দে, বুদ্ধদেব বস্য, সুধীন্দ্রনাথ দত্ত, জীবনানন্দ দাস

বাংলা সাহিত্যের পঞ্চপান্ডব এবং পঞ্চকবি

0বাংলা সাহিত্যের পঞ্চকবি এবং পঞ্চপান্ডব রয়েছে।  পঞ্চপান্ডব বলে পরিচিত কবিরা রবীন্দ্রনাথের জীবদ্দশায় রবীন্দ্র বলয়ের বাইরে গিয়ে কবিতা রচনা করেছিলেন। এই পাঁচজন কবি হচ্ছেন- অমিয় চক্রবর্তী, বুদ্ধদেব বসু, জীবনানন্দ দাস, বিষ্ণু দে এবং সুধীন্দ্রনাথ দত্ত। তারা সবাই কল্লোল পত্রিকায় লিখতেন। এই পঞ্চপান্ডবেরাই আধুনিক বাংলা কবিতার সূচনা করেছিলেন। শুধু রবীন্দ্রবলয়ের কথা বললে তাদেরকে খাটো করে দেখা হবে, মৌলিকত্ব

শান্তি

2অনেক আগে লীগ অব নেশনস্ দূর করতে চেয়েছিলো টেনশান। কিন্তু, তারপরেও দেখেছিলো বিশ্ব জাপানের হিরোশিমা আর নাগাসাকির দৃশ্য। তারপর ১৯৪৫ এর অক্টবরে গঠিত হলো জাতিসংঘ শান্তির বার্তা নিয়ে। ভেবেছিলাম শান্তি থাকবে বজায়, কিন্তু কী হলো সিরিয়ায়! কেন হলো ১৯৪৭ এর ভারতবর্ষ শাষন? কেন হলো মিয়ানমারে রহিঙ্গা অপসারণ? কেন কাদঁছে ফিলিস্তিনের শিশু? তাহলে কোথায় গেল শান্তি?

আমায় মোনাজাতে রাখিয়

0  চলার পথে অনেকেই হারিয়েছি বলার মতন নয় জানি না কোনদিন তাদের মত হারিয়ে যাব পার যুদি মোনাজাতে আমায় সরণ রাখিয়।। ঘর থেকে কবরের পথে দ্রুত যেয় সমাধির শেষে কবরের উপর খেজুরের ডাল দিয় সব শেষে মোনাজাতে আমার নাম ধরে পরপারে শান্তির কামনা করিয়।। পৃথিবীতেকে নেওয়ার কিছু নাই তাই আজ খালি হাতে যাই জগত বাসী

একুশ আমার খুশি

0একুশ আমার খুশি একশে দিন ভাষার মাসে ছন্দ জাগে বাংলা ভাষা অতি মিষ্টি কী যে করুণ লোহু সৃষ্টি শ্রদ্ধা মেখে সুপ্তি জাগে উষার আগে। অন্ধ ভোরে ওড়াল দিয়ে রঙ মাখিয়ে রক্তজবা সবুজ বোঁটা শুভ্র কালো জামায় ছোটা পুলকে মন ডানায় ভরা শোক আঁকিয়ে। সজীব রেশে পুষ্প হাতে আমার খুশি শোচন বাহী আটকে রাখি বুকের কোণে

শুভ্র ভালোবাসা

1মুগ্ধ দ্যুতি মনটা ঘোরে সুবাস ঝিলে সূর্য হলে জ্বলবে তুমি গাত্র হবে শীতল ভূমি ইচ্ছে হলে ঘুরতে যাব চরণ বিলে। বারিৎ হলে তরি হইয়ো লহর ভেসে সুখ লগনে নিশি তখন চাঁদিমা ভান এষা তখন মায়া আলোয় লোহু ক্ষরণ আবেশ ঘেঁষে। উতল বীচি পৌঁছে দেবে প্রভাত ঘোরে শুভ্র প্রীতি অমর হবে অদ্রি তাপে জ্বলন রবে সিত

ধিক্কার

0  পেটে আজ বড্ড ক্ষুদা কি যে করি একটু খাবার আশায় খুঁজে ফিরি ভেঙে তাই লকডাউনের নিয়ম শর্ত চলে যাচ্ছি অন্যত্র । যেথায় খাবার মিলবে যত্রতত্র। সেথায় গিয়ে দেখি একি অবস্থা খাবারের নাই কোনো ব্যাবস্থা । নিজের পেটের ক্ষুদা সামলে নিলেও পারি নাহি সন্তানকে অভুক্ত রাখতে , একটু খাবারের আশায় তাই আমি লকডাউন নিয়ম ভাঙ্গি।

আমিও আজ দোষী

2একদিন সবাই মিলে আমাকে দোষী ঘোষনা করলো, তখন আমি অট্টহাসি হাসলাম নীরবে। আমি নাকি সবাইকে বেমালুম ভুলে গেছি, আমি নাকি আরাম প্রিয় হয়ে গেছি। তাদের ঘোর এই অভিমানে, করেছে আমাকে অভিযোগ দেওয়া হয়নি আমাকে কোনো সুযোগ তাইতো সবার চাওয়াতে আমাকে দেওয়া হলো মৃত্যুদন্ড । আজ আমাকে আর কেউ চায় না , আমার সকল কিছু আজ