সেলাই জীবন

0ভোর বেলাতে জাগছে তারা কাজ চালাতে দুই, মেশিন চলে খটখটানি স্বপ্ন বোনে সুই। হাজার রঙের সুতো দিয়ে কাপড়গুলো ধুই, নিজের সুখের বাগানটাতে রোপণ করি জুঁই। উঁচু বাড়ির সাহেব তারা আমরা কেবল ভুঁই, পেটের দায়ে জীবনটাকে নিঙড়ে নিয়ে নুই। চলছে চাকা দিন ফুরালে পাই না কিছু বুই, স্বপ্নগুলো ধুলোয় মিশে করছে শুধু চুই। মালিক হাসে অট্টালিকা

অ আ ক খ শিখলে পরে

0ইচ্ছে যদি থাকে মনে পড়তে তবে বসো, বিদ্যে দানে জ্ঞানের সাগর আপন মনে শেখো। অ আ ক খ শিখলে পরে খুলবে চোখের পাতা, ভরবে আলোর অবাক রঙে জীবন নামের খাতা। বইয়ের পাতায় লুকিয়ে রয় হরেক রকম দেশ, পড়লে তবেই কাটবে রে তোর অন্ধকারের রেশ। লেখাপড়া শিখলে সমাজ দেবে তোকে মান, সবাই মিলে গাইবে রে তোর

জল-জীবনের লড়াই

0নদীর কূলে নৌকা চলে জালে ইলিশ মাছ, জালটি মেলে রোদে পুড়ে করতে থাকে ভাঁজ। তুফান স্রোতে ঢেউয়ের নাচন জীবন যুদ্ধ ভাই, দিনের শেষে হাটে গিয়ে খুশির হাসি চাই। ভোর বেলাতে ডিঙি ভাসে পুবের আকাশ লাল, আশার টানে সাগর জলে জেলে ফেলে জাল। নদীর বুকে জীবন নাচে কঠিন খেলায় মেতে, স্বপ্ন ভাসে নোনা জলে ছিড়া জালটা

দাতা করে রেখো

0সবাই দাতা নিখিল বিশ্বে চাওয়াটা যে ভিন্ন, পাবার আশে চাইতে গিয়ে হচ্ছে আবার ছিন্ন। আসল মালিক ভুলে গিয়ে অন্য দারে খুঁজি, অধম জ্ঞানী থেকে গেলাম নিজ কে নাহি বুঝি। জীবন ভরে তোমার তরে দাতা হতে চাই, দাতা থাকলে আপন করে তোমায় পেয়ে যাই। গভীর রাতে তোমার কাছে দাতা বলে ডাকি, চাওয়ার মাঝে শীতল হৃদয় জলে

পরম প্রিয় দাদি

0পরম প্রিয় দাদির ছিল আদর মাখা মুখ, দেখলে দাদির সোনা মুখটা পেতাম মনে সুখ। দাদির সাথে খুব আদরে ছোট বেলা কাটে, দাদির হাতটা ধরে যেতাম ফসল ভরা মাঠে। গাঁয়ের বাড়ি ঘুরে বেড়াই দাদির কোলে চড়ে, হাতটা ছাড়া হাঁটতে গিয়ে যেতাম তবে পড়ে। দাদি আমায় চোখে চোখে রাখতো সারাক্ষণ, দাদির সাথে খেলায় মেতে খুশি থাকতো মন।

শাপ- এর আমন্ত্রন

1থাকেনা কেউই আজ সেখানে, ঐ পোড়ো রাজবাড়ির পাশে মোর ঘর। একসময় ওটি ছিল ঝাঁ চকচকে, আলোয় মোড়া স্বর্ণ সম দিঘীর চর।। সারাদিন কতো মানুষের আনাগোনা, লেঠেল ও পেয়াদা দের শোরগোল। বিচার বৈঠক আসনে বসে রাজা, করতেন পাপিদের ওল মাটি ঘোল।। প্রতিটা ক্ষন সর্ব মূহুর্ত, দেখা যেতো এক ধর্ম পরায়ন রাজার। সারা গ্রামের গুনি সমাজ, ওনার

কবিতা মাথার তাজ আফছানা খানম অথৈ

0কবিতা মহান গুরু আফছানা খানম অথৈ #booklovers #students #kobita #teaching শিশুকালে শিক্ষক আমাদের দিয়েছিলেন শিক্ষা তাদের মতো এমন করে কেউ দেয়নি দীক্ষা। শিক্ষক হলেন মহান গুরু দিলেন শিক্ষা দান তার ছোঁয়াতে জীবন মোদের হয়ে গেল ঘ্রাণ। ছাত্রছাত্রী সবার প্রতি ছিল তাহার টান শিক্ষা গুরুর পরম ছোঁয়ায় পেলাম যথা মান। পড়ালেখায় ছিলেন সেরা জ্ঞানে গুনে ভরা

অন্তর্লোকের কণ্টকবীথি

0অন্তর্লোকের শূন্যবাগানে চিন্তার বৃক্ষ জন্মে রাত্রির বীজ থেকে, বিষাক্ত নিঃশ্বাসের প্রাণীর কাঁটার জিহ্বায় হাসে প্রতারণার পরাগ, ঈর্ষা পোষে কৃত্রিমতায়, বিদ্বেষের শিশু ঘুমায় কৌশলের দোলায়, বিশ্বাসকে ছিন্ন করে অদৃশ্য নখে,  নিষ্করুণ মায়ার দেবতা, চোগলখোরতা ধর্ম,  মন্ত্র  বিভাজন, পূজা অন্যের অকল্যাণের উল্লাস, কথার ছায়া ছুঁয়ে মৃত আলো নেমে আসে মননের জানালায়।অহংকারের তাপে বিবর্ণ সততার পত্রপল্লব, মুখোশে ঢাকা আত্মা খুঁজে নিজেকে

কবিতা মহান গুরু আফছানা খানম অথৈ

0কবিতা মহান গুরু আফছানা খানম অথৈ কবিতা মহান গুরু আফছানা খানম অথৈ শিশুকালে শিক্ষক আমাদের দিয়েছিলেন শিক্ষা তাদের মতো এমন করে কেউ দেয়নি দীক্ষা। শিক্ষক হলেন মহান গুরু দিলেন শিক্ষা দান তার ছোঁয়াতে জীবন মোদের হয়ে গেল ঘ্রাণ। ছাত্রছাত্রী সবার প্রতি ছিল তাহার টান শিক্ষা গুরুর পরম ছোঁয়ায় পেলাম যথা মান। পড়ালেখায় ছিলেন সেরা জ্ঞানে

আমি নেই, সে নেই

0আমি নেই,সে নেই। লেখক: মোহাম্মদ রিফাত মন্ডল নিভৃত কথাগুলো কেন এত রহস্যময়? না-জানা বেদনা কেন এত ম্লানিমাময়? কী লুকিয়ে আছে এক জটলা-পাকানো নিভৃত কথায়…! এ কথা জানার জন্য একদিন মনঃক্ষুণ্ণ হয়ে জিজ্ঞেস করেছিলুম ফোয়ারাকে! ফোয়ারা গো ফোয়ারা! ফোয়ারা জলছল সুরে জবাব দিল— “কী হলো রে ভাই! কী হলো?” আমি বললুম, “ফোয়ারা, তুমি বলতে পারবে কী