শ্যামা মা তুই কত দয়াময়ী

0শ্যামা মা, তুই কত দয়াময়ী- তোর কথা ভেবে আমি হয়েছি বিবাগী তাই। আমার নিজের প্রতি নেই রে মোহ আর- আমি তোর মোহে ডুবে ভুলেছি জগৎ সংসার। মা, তুই আমায় কত ভালোবাসিস- তোর মত কেউ তো ভালোবাসেনি আমায় আর। মা, তুই আমায় কত বুকে রাখিস- তোর মত কেউ তো বুকে রাখেনি আমায় আর। শ্যামা মা, তুই

জাতির জনক

0হয়েছি মোরা অত‍্যাচারিত হয়েছি অনেক লাঞ্চিত পরাধীনতায় কাটিয়েছি জীবন হয়েছি মোরা বঞ্চিত পাক সেনারা বাংলার মায়েদের করতো নির্যাতন তাদের অত‍্যাচারে বিসর্জিত হলো লাখো মায়ের প্রাণ অকালে অভিরামে গেলো কত যে জীবন ভয় পেয়ে আতঙ্কে মরে হাজার ও মানুষ এড়াতে পারেনি মরন দীর্ঘ ৯ মাস বাংলার বুকে শাসন চালিয়েছে পাক বাহিনীর দল ৭১ এর মুক্তি যুদ্ধে

প্রভু, শান্তি কোথা পাই

1প্রভু শান্তি কোথা পাই এ যে অশান্তির মন্ডল। শান্তি যে কোথাও নাই।। জীবন গ্রাসে তীব্র আশে স্বপ্ন মরে দিনে দিনে।। আমি মরি তিলে তিলে। সুখ যে কোথাও না পাই।। প্রভু শান্তি কোথা পাই।। শুনেছি তোমার কোলে চরম শান্তি তাই তোমার কোলে মাথা রাখতে চাই। একবার ডেকে নাও না কাছে আর কিছু না চাই।। জানি আত্মহত্যা

তুমি আর আমি

1তুমি আর আমি,একই সুতোয় গাঁথা বিধাতার সংস্পর্শে, হয়েছি, কবিতার পাতা তুমি আর আমি,একই গানের সুর বিধাতার সংস্পর্শে, দু’জন মিলে হারায় বহুদূর। তুমি আর আমি,একই গাছের ফুল বিধাতার সংস্পর্শে, আবেগে খায় দুল। তুমি আর আমি,নাটালি সুতোয় ঘুড়ি বিধাতার সংস্পর্শে, দূর আকাশে ওড়ি। তুমি আর আমি,যতটুকু চাই বিধাতার সংস্পর্শে, ঠিক ততটুকুই পাই। তুমি আর আমি,ঝগড়ায় মাতি অল্প

স্বার্থের নগরীতে সবাই

1বিপ্লবে অগ্নি,জ্বলে আর নিভে,বক্ষে সমাজের নিয়ম,এমন হয়ে গেছে সত্য কথা বললে,নেই আর রক্ষে চেতনার চারা গাছ, শুকিয়ে গেছে বহুদিন,বহু কাল হবে, মানুষের স্বাধীনতা হরন হয়ে গেছে ফিরে আসবে কবে? মানুষের অতঙ্ক,বারুদ গুলিকে ঘিরে আশার রবি,এখনো ওঠেনি পূবে, জালিমের করাঘাতে,ঝরে কত প্রাণ জুলুমের রবি,কখন জানি ডুবে? ঐক্য,শান্তি,শৃঙ্খলা,কোথাও নেই নিঃস্তব্ধ চারদিক,তেলবাজের হাসি কেনো এমন হয়ে গেছি আমরা?

স্বাধীনতা তুমি

0স্বাধীনতা তুমি বসন্ত বিকেলে,কোকিলের গাওয়া গান, স্বাধীনতা তুমি দুর্বার চলা,রুপালী নদীর বাণ। স্বাধীনতা তুমি মায়ের মুখের,মিষ্টি মিষ্টি হাসি, স্বাধীনতা তুমি রাখাল ছেলের,ছন্দ সুরের বাঁশী। স্বাধীনতা তুমি ফুল বাগানে,স্নিগ্ধ সুরভি ফুল, স্বাধীনতা তুমি অথই সাগরে,শান্তি সুখের কুল। স্বাধীনতা তুমি অগ্রগামীদের,সম্মুখে পথ চলা, স্বাধীনতা তুমি ঘোর আঁধারে,আলোর মশাল জ্বলা। স্বাধীনতা তুমি আষাঢ়ে বৃষ্টির,রিম ঝিমঝিম শব্দ, স্বাধীনতা তুমি

সুরঞ্জনা

0শত পদ্য বিষাদ বিবর্ণ যখন লিখো বিষাদের কোন কাব্য, লাখো পুষ্প পদে চূর্ণ যেন কনক তুল্য তব ভাগ্য। হাসিতে তব ঝরে মুক্তো হাসিতে মাতোয়ারা এই ভুবন, হাসিতে দূর সকল শুক্তো হাসি দেখিয়া ধন্য জীবন। তব কেশ যেন কালো মেঘ উড়ালো এক দিক ভোলা পবন, এলো কেশী কে বেসেছি ভালো মেঘলা কেশে দেখেছি শ্রাবণ। হরিণী চোখের

আপোষহীন এক যুদ্ধ

1কষ্টের তীব্রতা যখন বেড়ে যায় মানুষ তখন,নিশ্চুপ হয়ে থাকে, খারাপ অনুভূতি থেকে জন্ম নেয় হাজারো পাপ, রাগে মানুষ জ্বলে যায়,পুড়ে যায় আর,ছাই করে দেয় কলিজাটা কে নিকোটিন কিংবা অযত্নে তখন হৃদয় মরে যায়, আর একটু একটু করে হতাশায় ডুবে যেতে হয় অবহেলার, বুদবুদ নৈরাজ্যে। অন্ধকারের গলি ধরে হাঁটতে হয় দিশাহীন এক গন্তব্যে। জানা থাকে না

কোনো এক সন্ধ্যা নামার পর

1কোনো এক সন্ধ্যা নামার পর তোমাকে নিয়ে, লেমপোষ্টের আলো ধরে হেটে যাবো, সেই ফুচকা মামার দোকানে। তুমি আপ্লুত হয়ে যাবে,ফুচকা খেতে অধীর আগ্রহে,বসবে আমার পাশে ফুচকা মামার দোকানে, সেই কাঙ্ক্ষিত,ফুচকা খেতে। মুখে থাকবে তোমার, এক চিলতে হাসি মনের সাথে মন মিশিয়ে, বলবো আমি তোমায় ভালোবাসি! অতঃপর, তুমি ফুচকা খাবে,টক আর ঝাল চোখ দুটি হবে লাল,

20221014 105434

নরকের প্রান্তরে

1নরকের প্রান্তরে – সিয়াম আকন্দ নরকের দুয়ার থেকে চেয়েছি তুমায়, প্রেম ভালবাসা দিবে আমায়, ও অদৃশ্য প্রেমী এসো তুমি,আমার নীড়ে ফিরে, সম্মান দিয়ে রাখবো তুমায় মনের কুটিরে, নরকের ওপারে আমি আছি দাঁড়িয়ে, স্বর্গের কুলে স্বপ্নের ভুবনে, ঠিকানা আজ নরকের তরে, বিরহে আজ মুগ্ধ আমি, নিতে চায় সুখের তীব্রতা তাহার তরে, আজ আমি পথহারা, মায়াহীন বাধনে,