বাংলাদেশ

চেতনা থেকে স্বাধীনতা

টুঙ্গিপাড়ার একটি যুবক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব যাঁর নাম, দেখিয়েছিলেন মুক্তির পথ নায়ক বাংলার মুক্তির চেতনার। বুকে নিয়ে দেশ প্রেম বাজি রেখে প্রাণ, জাগ্রত করেছিল বাংলার জনতা স্বাধীনতার স্বপ্ন করেছিল সঞ্চার। যাঁর কন্ঠের বজ্র ভাষণে গর্জে উঠেছিল লাখো প্রাণ, জাতি শুনেছিল মুক্তির বার্তা জীবন করেছিল দান। রক্তে রঞ্জিত হয়েছিল রাজপথ বাংলার মাটি, ঘাস, মাঠ-ঘাট, আকাশে বাতাসে

সুখের প্লাবন

সুখের প্লাবন —– ম্যাকি ওয়াদুদ ———————————— বর্ষায় টইটুম্বুর দিঘীর স্বচ্ছ জলে তোমার রুপে মন যে ছুটে চলে। বৃষ্টিভেজা প্রকৃতিতে প্রাণ দোলে হৃদয়ে ভেজাভেজা প্রেম খেলে।   কালবৈশাখীর ভয়ঙ্কর ধ্বংস-লীলায় মুসলধারে বৃষ্টিতে সুখ-স্মৃতি পালায়। প্রকৃতির গাঢ় মৃত্তিকায় পলি বিলায় প্রতিটি প্রাণ-পল্লবে সজীবতা মিলায়।   মাঝরাতে দীর্ঘ বৃষ্টিতে মন পাতাই প্রগাঢ় জল-জোসনায় প্রাণ হারাই রিমঝিম সংগীতে কান

Rainy day

বাদল দিনে

মেঘগুলো এসে দিয়েছে ধরা নেমেছে বৃষ্টি হয়ে ধরণীতে, ঘুচেছে মনের সকল খরা সুখ জমেছে সুখের তরণীতে। প্রকৃতি মুগ্ধ আনন্দ স্নানে তারা কেউ তাকায়নি ফিরে, মুখরিত বায়ু বৃষ্টির গানে পাখিরা ফিরেছে নীড়ে। কল্পনারা যেন বাঁধন হারা মন নিয়ে পালায় অজান্তে, বয়ে যাওয়া বাদল ধারা ছুটে চলে দূরে দিগন্তে। পুরানো স্মৃতিময় শৈশব মনকে ধরেছে ঘিরে, হায় পুরানো

মা

মা

ছোট্ট একটি শব্দ মা তবু বিশাল তার পরিধি, জন্মের আগেই সূচনা যা বৃস্তিত তা মরণ অবধি, মা কথাটি ভুলিতে বারণ। যবে হতে গর্ভে ধারণ আপন গর্ভে করেছেন লালন, সয়ে জালাতন হয়নি টালন যত্নে তবু করেছেন পালন, মা কথাটি শিশুর প্রথম উচ্চারণ। মায়ের মুখটা মমতা মাখা ভুবন ভোলানো মায়ের পরশ, মায়ের মনে কষ্ট দিলে কেঁপে ওঠেন

এক গুচ্ছ কামিনী

এখনি যেও না চলে একটু দাড়াও হে রমনী, ভালোবেসে হাতে দেব তুলে এক গুচ্ছ কামিনী। এখনি যেও না ফেলে নামবে হৃদয়ে যামিনী, মাত্র সবে তো এলে প্রিয়া অমার সজনী। তুমি পাশে আছো বলে মুখরিত লাগে এই ধরণী, সুগন্ধ বাগিচায় ফুলে সুবাস বিলায় চামেলী। তুমি পাশে আছো বলে আলোকিত এই রজনী, জোছনা বিলায় চাঁদ ভুবন ভোলানো

লেখক ডট মি এর নতুন লেখা

স্বপ্ন হীন প্রতিদিন

এক সমুদ্র নোনা জল শুকিয়ে মনের আকাশে মেঘ হয়ে উড়ে চলে, সুবিশাল এক পাহাড়ের ঠিকানায় যার পাদদেশে আমার স্বপ্নের বাড়ি। পাহাড়টি আমার সুপরিচিত আমি প্রতিদিন তার যত্ন করি, পাহাড়ি আমার স্বপ্ন বাড়ি। আমি পাহাড়টি দিয়েই সূর্য কুড়াই শীতলতায় উত্তাপ ছড়াই, মেঘ ছুঁয়ে অশ্রু ঝরাই শুকিয়ে যাওয়া সমুদ্র আবার পূর্ণ করি। অপূর্ণতা দিয়ে শূন্যতা কমাই চোখের

লেখক ডট মি এর নতুন লেখা

ঘৃণা জন্মেছে ঘৃণা 😡😡😡

ঘৃণা – রাফিয়া নূর পূর্বিতা ঘৃণা জন্মেছে ঘৃণা আজন্ম লালিত ঘৃণা কালো চামড়ার মুচির ঘৃণা রুক্ষতম চামড়ায় লাগা , ধূলিকনার ঘৃণা । ট্রাম ,গাড়ি, বাসে ভরা রাস্তা ল্যাংড়া , কানা , খোড়াগুলো সস্তা ছন্দহীন কঠোর গদ্য হাতুরি আঘাত , বিবাগী পদ্ম মগজে আঘাত , কড়কড় ধ্বনি তীব্র রোদ চোখে অবনতি । ব্যথা ব্যথা প্রচণ্ড ব্যথা

বিশ্বাসে বড় ভয়😔😔

বিশ্বাসে বড় ভয় -রাফিয়া নূর পূর্বিতা +++++————– 😒😒😒😒😒————++++ নিঃশ্বাসে বিষাক্ততার গন্ধ দোলায়িত বিচ্ছিন্ন ছন্দ , শেষের কবিতা লিখনী মম প্রশান্ত সুর দ্বন্দ ।✌️ বিদায়ী বেলা রচন করি যদি ছেড়ে যাই পৃথ্বী ,😒 যদি ছেড়ে যাই বেদনা বাহুর মিথ্যো পরিতৃপ্তি ।👍 আকাশ বড় বিষাদ ছাওয়া ভীষণ কালো ঢাকা , রঙগু্লো সব হাওয়ায় হাওয়ায় দোলন এত মানা

কালো মেয়েটা

কালো মেয়েটা যখন রূপ যৌবনের কথা বলে তখন খুব বিরক্ত লাগে। এই সাম্যহীন পৃথিবীতে যখন কালো মেয়েটা ধবল মেয়েদের পিছু হটাতে চায় তখন খুব বিরক্ত লাগে। যখন কালো মেয়েটা বলে নিজেকে যোগ্য করে তুলবো তখন খুব বিরক্ত লাগে। যখন কালো মেয়েটা বলে সকলের উপরে থাকবো আমি তখন খুব বিরক্ত লাগে আচ্ছা ক’টা কালো মেয়ে পৃথিবীর

ঘূর্ণিঝড়ের নামের তালিকা

উপকূলীয় জীবন

ঘূর্ণিতে গুড়িয়ে স্বপ্ন বিধ্বস্ত হয়ে লোকালয়, বানে প্লাবিত চারপাশ শুধু ক্ষুধা আর হাহাকার। বিলীন সব গৃহ মলিন সব মুখ, নেই আর ঠাঁই নেই আর বাসস্থানের অধিকার। ভাঙ্গনে ভেঙ্গেছে বুক দুঃখ কেড়েছে সুখ বিলীন শেষ চিহ্ন, নেই স্বজনের সমাধি আর। নির্ঘুম জেগে চোখ জাগে শুধু বেদনা, ঝরিয়ে বহু অশ্রু চোখে অশ্রু জমে না আর। দৃষ্টি জুড়ে