মা বাবা

0বাবাও নাই মাও নাই তারপরও সে মানুষ । তার  মানে?  মা বাবা ছেড়ে যাওয়ার পর কোন এক ভিখারি তাকে মানুষ করেছে। তাহলে? ভিখারীকেই মা বাবা বলতে হবে। যদি এই মা বাবাও ছেড়ে যায়? তাহলে অন্য মা বাবাকে মা বাবা বলতে হবে। ধরলাম সেই মা বাবাও ছেড়ে চলে গেল, তখন? নতুন যে মা বাবা আছে তাকে

কবিতা বেঈমান মুনাফিক আফছানা খানম অথৈ

0বেঈমান মুনাফিক আফছানা খানম অথৈ বেঈমান আর মুনাফিকে ভরে গেছে দেশ, সত্য মিথ্যা যাছাই করা এখন বড় কঠিন কাজ। মিথ্যা বলে গুজব ছড়ায় সত্য যায় ঢেকে, মূহূর্তে ছড়িয়ে পড়ে মিথ্যা বাক্য দেশে। কোনটা আসল কোনটা নকল বুঝা বড় মুস্কিল এমন বয়ান করেন তারা যেন সত্যিকারের আলেম। আলেম সেজে ধরছে বেশ করছে বয়ান নানান দেশে, বিশ্বাস

কবিতা ঘর জামাই আফছানা খানম অথৈ

0ঘর জামাই আফছানা খানম অথৈ ঘর জামাই ঘরে থাকে বউয়ের আঁচল তলে, সব সময় চলতে হয় বউয়ের মন যুগিয়ে। সকাল সন্ধ্যা টিপতে হয় বউয়ের পা দুখানি একটু খানি ভুল হলে খাই বউয়ের পিটুনি। ঘর জামাই বড়ই অলস করতে চাইনা কোন কাজকর্ম, তাই উঠতে বসতে শুনতে হয় বউয়ের গালমন্দ। বউ থাকেন সিংহাসনে বসে জামাই থাকেন পায়ের

কবিতা শৈশবের মধুর স্মৃতি আফছানা খানম অথৈ

1শৈশবের মধুর স্মৃতি আফছানা খানম অথৈ শৈশবের মধুর স্মৃতির দিনগুলির কথা মনে হলে হারিয়ে যেতে ইচ্ছে করে সেই তেপান্তরে। মায়ের চোখ ফাঁকি দিয়ে করতাম মিছেমিছি বনভোজন রান্না করতাম ধুলোবালির মজা করে খেতাম সবাই মিলে। পড়ার ঘরে না দেখে মা ছুটে আসতেন খুঁজতে, মাকে দেখে দিতাম দৌড় পালাইতাম তেপান্তরে। সন্ধ্যা হলে ফিরলে ঘরে খেতাম মায়ের বকুনি,

কবিতা বিজয় স্মৃতি আফছানা খানম অথৈ

1বিজয় স্মৃতি আফছানা খানম অথৈ বীর বাঙালি অস্ত্র ধর জীবন দিয়ে যুদ্ধ কর শত্রু সেনাদের পরাস্ত্র কর বিজয় মালা চিনিয়ে আন। বাঙালি জাতি বীরের জাতি মাথা নোয়াবার নয়, রক্ত দিয়ে ছিনিয়ে এনেছেন স্বাধীনতার বিজয়। বছর ঘুরে আসে যখন বিজয় স্মৃতির দিন, জাতির মাঝে ভেসে উঠে রক্তঝরা অতীত স্মৃতি । ভুলতে চাইলে যায় না ভুলা রক্তঝরা

কবিতা আঁখিজল আফছানা খানম অথৈ

0আঁখিজল আফছানা খানম অথৈ মাইশা হলো নিষ্পাপ যার নেই কোন পাপ, মাইশার জন্য খোলা আছে বেহেশতের দুয়ার। ফুলের মতো পবিত্র অবুঝ শিশুর চরিত্র, তবুও কেনো মরতে হলো এটাই জাতির প্রশ্ন? মায়ের চোখের মনি আদরের খনি, নাড়ি ছেঁড়া ধন মাইশার হলো মরন। মায়ের পাগল মন মানে না বারন, আঁখিজল ভিজে সারাক্ষণ। ডাক্তার না কসাই বুঝা বড়

কবিতা শুভদিন আফছানা খানম অথৈ

0 শুভদিন আফছানা খানম অথৈ নতুন বছর নতুন দিন আসছে ঘুরে শুভদিন, পুরাতন বছরকে বিদায় নতুন বছরকে স্বাগতম। বাংলার আকাশে বাতাসে উড়ছে নতুন বছরের পতাকা, জোয়ান বুড়ো সবাই মিলে গাইছে শুভ নববর্ষ। নতুন বছরের উল্লাসে মুখরিত বাংলার মাঠঘাট নাচে গানে তাল মাতাল বাংলার নওজোয়ান। এদিক সেদিক সবদিকে বসেছে মেলা মাঠেঘাটে ক্রেতা বিক্রেতার উপছে ভিড় বেচা

কবিতা কেউ দেখে না আফছানা খানম অথৈ

0কেউ দেখে না আফছানা খানম অথৈ কেউ দেখে না ফিরে গরীব দু:খীর দিকে। কত দিন কত রাত কাটে তাদের উপবাস। ফুটপাতে আর রেলভিডে কত শিশু না খেয়ে থাকে। কেউ রাখে না তাদের খবর কিভাবে কাটে দুখী জীবন। সারাদিন ঘুরে বেড়ায় কত পথ প্রান্তর। একটা টাকা ভিক্ষার জন্য ঘুরে লোকের দুয়ারে। কেউ দেয়, কেউ দেয় না

কবিতা দাজ্জাল আফছানা খানম অথৈ

0দাজ্জাল আফছানা খানম অথৈ কেয়ামতের পূর্বে দাজ্জাল আসবে নিজেকে খোদা বলে দাবি করবে, কাফের মুনাফিক যাবে তার দলে ঈমানদার মুমিন মুখ ফিরিয়ে নেবে। দাজ্জালের থাকবে এক চোখ কপালে থাকবে কাফের লেখা, ক্ষমতা থাকবে ব্যাপক দেখাবে কিছু আজব খেলা। মৃতকে জীবিত করবে জীবিতকে করবে মৃত অভাবীকে রিযিক দেবে কিছু সময়ের জন্য। ঈমানদারের ইমান নেবে বানাবে তার

মা (২৬)

0মা, বাবা, ভাই-বোন এ তিনে মিলে সংসার।অথচ মা আমাকে ভালবাসেনা।বলে, তুই বাবা ও ভাইকে বেশি ভালবাসস্।আমি বলি,না আমি তোমাকে বেশি ভালবাসি। মা বিশ্বাস করেনা। অবশেষে একদিন মা আমাকে খুন করতে আসে। খুন করতে আসলে আমি তার হাত থেকে দা কেড়ে নেই। মা বলে, তুই দা কেড়ে নিলি কেন? আমি বলি, তুমি যদি আমাকে খুন কর