0যদি তুমি ফুল হতে চাও? হবে! যদি তুমি নদী হতে চাও? হবে! যদি তুমি পাখি হতে চাও? হবে! শুধু একটা জিনিস হইওনা, তুমি আমার ভালবাসা! সেটা হলে আমি মরে যাব! আরো পড়ুন- বাংলা নববর্ষ পহেলা বৈশাখের প্রবর্তক কে? হুমায়ুন আহমেদের সেরা ১০ টি বই টাকা ইনকাম করার গেম ডেভিড কপারফিল্ড ‘গল্পের পাঠ-পরিচিতি অয়ন
Category: বাংলা কবিতা
0প্রকৃতি দিয়ে ছটফট আমার বাহিরে, উঠছে সূর্যের মাধুর্য বিভোরে। বৃষ্টির দুলে মন দুঃখিত হয়ে, গরমের কাব্য কবিতা চলে আসে। জ্বলজ্বলে মাঠে পড়ে বিকেলের শুরু, পাতা নাচানো শিমুলের তরু। সবুজের ছায়ায় শিশিরে মলয়ে, গরমকালের সুর সাদা আলো ছায়ে। পাখিরা গান গায় মুখে আবেগ, আঁধার ছায়ায় প্রেম বেগে। ঝড়ে বাতাসে হয় চঞ্চল নাচ, গরমের মাঝে সুখের আলো
0‘২১’ তুমি অমর ভাস্কর পাল বাংলা আমার মাতৃভাষা, বাংলা আমার প্রাণ বাঙালি বলে চিৎকারেতে, আছে গর্বের টান। আমরা ভুলিনি সেই দিনটা ফেব্রুয়ারীর একুশ- কত বাঙালিই রক্ত ঝরায় মাতৃ ভাষার জন্য; বাংলা মোদের সুখ-দুঃখ বাংলাই মোদের মাতৃ দুগ্ধ বাংলা তুমি অমর হে, একুশ তুমি অমর। বিশ্ব জুড়ে এই দিনটি বাংলা জয়ের স্মরণ।। আরো পড়ুন-
0ভাবনারা ভাস্কর পাল উদাস দিনের শেষে আসে বিষণ্ণ ভাবনারা খেলে যায় প্রত্যেশিত বৈকালে উন্মুক্ত চেতনা পড়ন্ত রৌদ্রের দিনে কোনো এক স্তব্ধ দ্বিপ্রহরে ভাবনারা ভোরে ওঠে উদাসীনতার ঘোরে।। পথহারা কত ভাবনারা হয়েছে আজ ছিন্ন কত বয়ে যাওয়া বর্তমান করেছে কত অনুমান অনুভূতি শিহরিত, কত অতীতের কত চিহ্ন উড়িয়ে দিয়ে ধূলি আকাশের বুকে নিয়েছে স্থান।।
0খোলা জানালা ভাস্কর পাল স্তব্ধ দুপুরের রৌদ্র মাখা দিনে, চমকিত সূর্যের আলো- খেলা করে আমার জানালা পানে। আমার টেবিলে রাখা কত গুচ্ছ গুচ্ছ খাতা- আর পরে থাকা সেই খোলা কলম। ঘরের কোণে রাখা চেয়ারে, আমি বসে একলা ঘরেতে- চাতকের মতো চেয়ে জানালা পানে। বসন্তের সেই স্তব্ধ দুপুর চেতনা জাগায়- আমার উন্মাদিত
0কবিতারা ভাস্কর পাল গল্প বাঁধে মনের গোপনে শব্দরা করে খেলা- মন খারাপের সময় কাটায় অজানা কবিতারা। মাধুরী রাতের মাধুর্যতা অথবা জোৎস্নারাতের আলো, কবিতারা সব ঘর বেঁধেছে উড়িয়ে মনের ধুলো।। কখনো বা ছন্দে ভরা কখনো বা ছন্দহীন, কখনো মাতানো বিরহের সুর, কখনো বা বেদনাহীন। গল্প বেঁধে শব্দরা সব, মনের খাতা ভরালো কখন ফুটে উঠলো
0সেই পথে ভাস্কর পাল দিনের শেষে সৃজন বেলায় ছায়াবৃত্ত সেই চলতি পথে, ধরণী থেকে পালিয়ে, সেই পথ চলেছে অচিন দেশে। সেই পথেতে যাওয়া মানা সেই পথ নাকি ঘোর অজানা সেই পথেতে পাড়ি দিলে, স্বপ্ন গুলো যায় যে ভেঙে। বট-অশ্বত্থের গভীর ছোঁয়ায় রবির আলো নাহি পৌঁছায় চির আলোহীন সেই পথে, শঙ্কা ঘেরা কান্না হারায়।
0মধ্যদিবার বৃষ্টি ভাস্কর পাল এ কোন ধারা নামলো’রে আজ, শ্রাবণ আসার আগেই আসার কথা ছিল আষাঢ়ে, এলো বৈশাখ শেষের আগে মাতলো মেঘের পুঞ্জরা সব আকাশ ছাইলো অন্ধরাতে পাখিরা সব ফিরলো বাসায়, দিন শেষের আগেই। তেজি হাওয়া সাড়া ফেলে, জলের শব্দে মাতায় দিলে গুড় গুড় গুড় আকাশ ডাকে, কাঁদুনি ধ্বনি যায় শোনা যে ঝিরিঝিরি
0কৃষ্ণ প্রেম ভাস্কর পাল রঙের খেলায় মেতেছে আজ কৃষ্ণ সনে রাঁধা। গোপীকাদের হৃদয়েও যেন কানু নামটি বাঁধা।। বসন্ত এলো রঙিন রঙে রাঙাতে আবির রঙের সাজে, সোহাগের রঙ জাগে, গোপীকারাও দেখছে তাই- তাদেরও সনে নাচে কানাই।। রাধিকার সাথে কৃষ্ণ নাচে আনন্দ উল্লাসে! তাই দেখে গোপীকাদের অজান্তেই ঈর্ষা আসে। একি এমন লীলায় মেতেছে দোল পূর্ণিমার
0প্রাণের ভাষা ভাস্কর পাল অ-আ-ক-খ থেকে শুরু করে ‘৺ ‘-র চাঁদ এই ভাষাতে রয়েছে অমৃতের স্বাদ। মায়ের গন্ধ লুকিয়ে বাংলা ভাষাতে- ‘মা’ ডাকটি বাঙালির প্রথম ধ্বনি যে। বাংলা হলো, আমাদের দেহের বর্ম বাংলাই বাঙালির জীবনের কর্ম। বাংলায় রয়েছে সুখের পরশও বাংলায় লুকিয়ে জীবনও রসদ। গর্বিত বাঙালি বাংলার এই সুরে বাংলা ভাষাতে মোরা ‘মা’