1এক পলশা বৃষ্টি আকাশে মেঘ জমেছে মনে দুঃখ বাসা বেঁধেছে।। মেঘ গর্জন করা শুরু করেছে মনে ব্যথাগুলো অনেক ব্যথিত হয়েছে।। বাতাস এসে জানান দিয়েছে নেইকো বেশি দেরি সে আসার চোখের পাতাগুলো পিটপিট করছে অল্প সময়ে আগমন ঘটবে বর্ষার।। বৃষ্টির দুই ফোঁটা পরিষ্কার করেছে মেঘকে ওই চোখের দুই অশ্রু সরিয়ে দিয়েছে মনের মেঘকে।। এক পলশা বৃষ্টি
Category: বাংলা কবিতা
1গাছ-পালা,নদী-নালা ছড়িয়ে আছে বেশ, এসব নিয়েই আমাদের সুন্দর পরিবেশ। প্রতিদিনই মোরা করছি পরিবেশ দূষণ, পরিবেশের ওপর করি কত শোষণ। আশেপাশে জীব-জড় আছে যত আকার, পরিবেশ দূষণগুলো হলো চার প্রকার। আমাদের সুস্থ থাকতে হলে পরিবেশের যত্ন নেওয়া দরকার। আরো পড়ুন- অন্যপ্রকাশ প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত বই চিনি খাওয়ার নিয়ম সত্যজিৎ রায়ের বিখ্যাত সিনেমা অনুবাদক মাওলানা আমিরুদ্দীন
0নামটি তার সজল, মাথায় আছে গন্ডগোল। সারাদিন খায় মায়ের বকা, ক্রিকেটেতে হাঁকায় ছক্কা। পড়ালেখা কিছু নাই, খাই আর আর ঘুম যায়, আর কোন কাজ নাই, পরীক্ষাতে ডাব্বা পায়। লেখা পড়ায় টু পাশ, কাটে শুধু গরুর ঘাস। আরো পড়ুন- চিনির উপকারিতা ও অপকারিতা সত্যজিৎ রায়ের জীবনী কুরআনের প্রথম অনুবাদক কে? সেরা গল্পের বই ভিটামিন এ
1এক চিলতে হাসি হারিয়ে খুজে নিতে চাই মনকে ভাসিয়ে দিতে চাই তবু আপন মনে আপন করতে চাই এক চিলতে হাসি।। মেঘকে আড়াল করে সূর্যের প্রথম কিরণে চাই ফাল্গুনীর হাওয়ায় আমের প্রথম পল্লবে চাই এক চিলতে হাসি।। বড়ই ভালোবাসি এক চিলতে হাসি জীবনের শেষ নিঃশ্বাস বলবে আসি তখনো চাই যে তোমায় এক চিলতে হাসি।।
0হোন্ডার গান লুবাব হাসান সাফওয়ান হোন্ডা উড়ে হোন্ডা উড়ে রাস্তা জুড়ে আঁস্তাকুড়ে ধুল উড়িয়ে চুল উড়িয়ে বড্ড রেগে হাওয়ার বেগে আসছে কে রে হস্ত নেড়ে ব্যস্ত পথিক হয় বেগতিক রয় তাকিয়ে ঘাড় বাঁকিয়ে পথের শিশু হাগছে কিছু উড়ছে মাছি ভনভনিয়ে যাচ্ছে কে রে ঝনঝনিয়ে? ক্লাসের শেষে শান্ত বেশে শেষ বিকেলে
0সত্য আমার অহংকার লুবাব হাসান সাফওয়ান আমি যদি ভুল বলি ভাই দলীল দিয়ে প্রমাণ কর! মুগর দিয়ে মেরে আমার হাড্ডি মাংশ সমান কর! গালি আছে বিশ্বে যত দিস আমারে ইচ্ছেমত! মারিস জুতা, বলছি তবু সত্যটাকে ত মান কর! সত্য কথা বললে আমায় খেতেই হবে তীর যদি অস্ত্রধারীর হাতে আমার দিতেই হবে শির যদি!
0ছড়া ও পদ্য লুবাব হাসান সাফওয়ান ছড়া আর পদ্য দুজনে ভাইভাই ছোট ভাই ছড়াটি করে শুধু খাইখাই! এটা দাও, ওটা দাও বৃষ্টির ফোঁটা দাও, বাঁশ মোটা মোটা দাও আরো খাবো আরো দাও! শ’য়ে শ’, হাজারো দাও! হাসি খাবো, খুশি খাবো দামী দামী জুসই খাবো সব মজা চুষি খাবো অভাবেতে ভুষি খাবো!
1শীতের সকাল কুয়াশায় আচ্ছন্ন, শিশিরে ভেজা ঘাসের অরন্য। সুর্য আছে মেঘের পেছনে লুকিয়ে, রাস্তার মানুষ গুলো আছে সেই আলোর দিকে তাকিয়ে। সেই ঠান্ডায় ফেরিওয়ালাটিও বের হয় হাঁক দিয়ে, তার পেটটিও যেন আছে লেপের নিচে থাকা লোকগুলোর দিকে তাকিয়ে। রাস্তায় আরামে কুয়াশার নিচে রাতে শুয়ে থাকা শিশু, যাঁরা একটি টিনের ছাদের জন্য পিপাসু। রাতের কষ্ট টুকু
1সেই কবে যে গুলতি দিয়ে নারিকেল গাছের ডগায় বসে থাকা পাখিগুলোরে বিরক্ত করেছিলাম ভুলেই গেসি! কঞ্চি’র তীর ধনুক দিয়ে কলাগাছগুলোকে কতশতবার আঘাত করেছি তার ইয়ত্তা নেই! গাছগুলো, পাখিগুলো একটাও অভিযোগ করেনি! টু শব্দ পর্যন্ত করেনি!! বাঁশের সবুজ পাতা, খাতার খসখসে পাতা দিয়ে কত যে নৌকা বানিয়ে স্বপ্নের সাগরে ভেসে বেড়িয়েছিলাম তার হদিস নেই! হিসাব নেই
1অপেক্ষার প্রহর অপেক্ষার প্রহর একদিন শেষ করে দিবে বিশ্বাস অপেক্ষার প্রহর একদিন বুঝিয়ে দিবে তোমার জন্য নষ্ট করেছি আমার দিন বছর মাস অপেক্ষার প্রহর সেতো চলে যাবে শুধু রেখে যাবে একরাশ যন্ত্রণা অপেক্ষার প্রহর শিখিয়ে দিয়ে যাবে তোমার প্রতি অপরিসীম ঘৃণা অপেক্ষার প্রহর দিয়ে যাবে জীবনের মূল্যবান স্মৃতি বুঝিয়ে দিবে যাবে সময়ের মূল্য দেওয়ায় যে