আবার হবে দেখা

0লিখলাম যত গান লিখলাম যত কবিতা একদিন তো হারিয়ে গেলে দিলে না তো আর দেখা, শুধু একটি কাগজে লিখেছিলে আবার হবে দেখা। সেই থেকে আজ আঠারো বছর তোমার জন্য করছি অপেক্ষা কত বৈশাখ গেল কত শ্রাবন আসিলো এত কাল পরেও পেলাম না তোমার দেখা। কত সৃস্তি মোনে পড়ে ক্ষনিকের সেই জিবন চলায় আজ আমি একা

জম্নধাত্রী

0স্বার্থহীন তার ভালোবাসা কেউ তো তা জানেনা, তুমি কি তাকে দেখেছ কখোন সে আমার জম্নদাত্রী মা । গোলাপের ভালবাসায় থাকে কাঁটা প্রেমিকের ভালবাসায় থাকে ব্যাথা, মনে যার নাই অহংকার হিংসা তুমি কি তাকে দেখেছ কখোন সে আমার জম্নদাত্রী মা। আছে শুধু ভালবাসা নেই কোন চাওয়া অসুখে কতকাল তার চোখে দিয়েছে জলধারা, বাড়ি থেকে পালানোর রাত

মৃত্যু…

0  যত উপার্জন, খ্যাতি সম্মান ধূলাসম এইখানে, নিশ্চুপ এক কালব্যাধি সে মৃত্যুর অবদানে।   কত কালের কত নবাব, রাজা শাসক, জমিদার— মিশে গেছে কালের অতল গর্ভে খোঁজ কে বা রাখে তার?   এক সময় যে প্রতাপে, সুনামে চলেছে শক্তিধর, নিভে গেছে সে বাতি উজ্জ্বল হারিয়েছে যাযাবর।   কে জানে কবে কোনদিন কার মৃত্যুর আসে দিন,

খুকীর আবদার

0চার বছরের খুকী ঘুমায় মা’র গল্প শুনে– ঘুমিয়ে পড়ে, স্বপ্ন দেখে বাবাকে পড়ে মনে। মাথার উপর মাঝ দেয়ালে টাঙ্গানো বাবার ছবি মা বলেন- ‘সে মস্ত মানুষ তা-র মতন হবি?’ কোথায় আছে বাবা আমার বলোনা একটি বার– এনে দিলে তোমায় দেব পুরো –পুতুলের সংসার। খেলনা, জামা, গাড়ী, জুতো সব নিয়ে যাও তুমি, যেতে দিলে এক্ষুনি যাই

‘’অচেনা পথিক’’

0“পথিক তুমি চলেছ কোথায় কোন পাড়াতে ঘর, একটু জিরোও, পথ বন্ধুর কে বা আপন,পর?   স্রোতস্বিনী নদীর মত চলছি অবিরাম– আজন্ম মোর এই নিয়তি বলছ কেন থাম?   ‘’কে তুমি পথিক মুখ চিনিনা কাদের বাড়ী যাবে—‘’ ঘর চিনিনা, যাই বহুদুর পথেই আমায় পাবে।   যুগ যুগান্তর সকল কালে আমার বিচরন, এই পৃথিবীর জন্ম হতে চলছে

এখন ও কি…

0  দূর প্রবাসে পাঁচটি বছর যুগের মত লাগে, অর্থবিত্তে ভালই আছি তরল ভাবাবেগে।   অট্রালিকা, উঁচু দালান আকাশ অনেক দূরে– বাদ্য বাজনা, আলোর ঝলক চলছে সপ্তসুরে।   নির্ঘুম এই শহর বুঝি অনেক কথাই বলে, সবই আছে, কি যেন নেই মন কি চায় তা হলে?   নিশীথ রাতে চোখ বুঁজলে কাঁদার গন্ধ পাই– মাটির চুলায় মায়ের

সুযোগ পেলেই–

0  পড়ালেখাটা ঠিকঠাক করি স্কুলে যাই রেগুলার, “পরীক্ষাতে কেন গুবলেট কর?” অভিযোগ বাবা মা’র।   ভেবেছি দেখাব সুযোগ পেলেই আমার মাথার জোর, রেজাল্ট দেখেই বুঝবে কেমন— পরীক্ষার উত্তর !   বাবার মাইনেতে মাস চলেনা টানাটানি বারো মাস– মাইনে বাড়াবো বস্‌কে পটিয়ে যদি পাই অবকাশ।   রান্নাঘরের পাকে বাঁধা, মা’র– ঘুরাঘুরির বড় সাধ, সুযোগ পেলেই পড়ব

বাবার আবদার

0ব্যস্ত থাকি অফিস কাজে সন্ধ্যা নাগাদ ঘর, এই রুটিনে চলছে-ত বেশ জীবন নিরন্তর।   বাবুর স্কুলের পড়ার বোঝা রোজকার হোমওয়ার্ক– বন্ধু বান্ধব মিলে চলি সামলাই নেটওয়ার্ক।   মা’র ঔষধ, বাবার খরচ মাস শেষে দেই পাঠিয়ে, চিঠি ও লেখা হয়নাত আর সংসার নেই গুছিয়ে।   বাবা, মায়ের অনেক ঋন সবই আমি বুঝি– মাঝে সাঝে আপন মনে

প্রার্থনা

0প্রভু, আমায় দাও ” বায়োনিক ওম্যান” এর ন্যায় শক্তিধর বায়োনিক কান, যেন শুনতে পাই অসহায় নির্যাতিতের তাৎক্ষণিক আর্তি, আকাশ বাতাস বিদীর্ণ হাহাকারময় কাকুতি -মিনতি। প্রভু, দাও আমায় “গুপি গাইন বাঘা বাইন” এর সেই যাদুর চাদর, যেথায় চড়ে দুর দুরান্ত পথ ভেদ করে যেন তৎক্ষনাৎ য়েতে পারি নির্যাতিতের পাশে। অসহায় সেই জনের হবো সহায়ক, সকল অপশক্তির

কবিতা – ভালোবাসার অনুভূতি

0ভালোবাসার অনুভূতি  — আলী সোহেল — আবার দেখা হলে চোখে চোখ রেখে বলবো ভালোবাসি। সেদিনের সেই অনুভূতি গুলো মনের কোনে ছবি আঁকবো, কি অপরুপ দৃশ্য আমার হাতের স্পর্শ গুলো বিলিয়ে দেবো তোমার সারা অঙ্গে। আবার দেখা হলে হাতে হাত রেখে বলবো ভালোবাসি। সবার মতো করে তোমায় চেয়ে নেবো কোন এক চাঁদনি রাতে। যা কিছু দেওয়ার