হাসপাতালের শয্যা- কবিতা

হাসপাতালের শয্যা থেকে বলছি  – সুজন চন্দ্র দাস

1

আমি হাসপাতালের শয্যা থেকে বলছি

দিন শেষে বলি, এইতো আরো একটা দিন বেঁচে গেছি

নরকের যন্ত্রণা সহ্য করে বেঁচে আছি

প্রতি প্রহর পাড় করার পরে

মনে হয় শুয়ে ছিলাম এক শতাব্দী ধরে।

হাসপাতালের শয্যা থেকে বলছি

আমি হতোভাগা, আমি পুরা কপালি তাই বুঝেছি

রোজ কতো কষ্ট,যন্ত্রণা,আর্তনাদ দেখছি,

কারো হাত,কারো পা,কারো চোখ নাই

মরণেই একমাত্র শান্তি‌ যেখানে সুখ খুঁজে পাই।

 

 

1

SUJAN CHANDRA DAS

Author: SUJAN CHANDRA DAS

পরিচিত পর্বঃ সুজন চন্দ্র দাস( Sujan Chandra Das), ১২ এপ্রিল, ১৯৯৮ সালে ময়মনসিংহ জেলার ফুলপুর উপজেলার সলঙ্গা গ্রামের এক টি সাধারণ পরিবারে জন্ম । সেখানের স্নিগ্ধ ও কোমল প্রকৃতির পরিবেশে বেড়ে উঠা ।ছোটবেলা থেকেই গল্প, কবিতা, উপন্যাস প্রভৃতির প্রতি ভালো লাগা কাজ করা। লিখতে এবং পড়তে খুব ভালোবাসি। বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার পর লিখালেখির স্বপ্নগুলো হাতে ছুঁই ছুঁই এতোটাই কাছ থেকে দেখতে পাওয়া । বিভিন্ন দৈনিক পত্রিকা, জাতীয় পত্রিকা এবং অনলাইন জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে অসংখ্য কবিতা। বেশ কয়েকটি ম্যাগাজিনেও প্রকাশিত হয়েছে কবিতা। ইতিমধ্যেই যৌথভাবে দুটি যৌথকাব্যগ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছে। বর্তমানে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় অর্থনীতি বিভাগে অধ্যয়নরত। বিভিন্ন ধরনের সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠনের সাথে যুক্ত আছি। সাংবাদিকতার হাতেখড়ি হয় প্রবাসীর দিগন্ত নিউজের মাধ্যমে আর ভালোবাসা থেকে এখনো এখানে আছি। এসবি পুলক নামে অনেকের কাছে পরিচিত

Related Posts

পেয়ারীর রায় — সুজন চন্দ্র দাস

অপরাধ করার পরও অপরাধী যতটুকু না শাস্তি পায় কাউকে সত্যিকার ভালোবেসে অধিক শাস্তি হয় পেয়ারীর রায়; মানুষ তার প্রেমেই পড়ে

ভারত মাতা- Dipankar Saha (Deep)

নমঃ নমঃ নমঃ      ভারত মাতা। তব চরণে করি     নত মাথা।। তুমি আমাদের   জন্মদাতা- এই জীবনের শক্তিদাতা।। দুঃখ
পঞ্চকবি, পঞ্চপান্ডব, অমিয় চক্রবর্তী, বিষ্ণু দে, বুদ্ধদেব বস্য, সুধীন্দ্রনাথ দত্ত, জীবনানন্দ দাস

বাংলা সাহিত্যের পঞ্চপান্ডব এবং পঞ্চকবি

বাংলা সাহিত্যের পঞ্চকবি এবং পঞ্চপান্ডব রয়েছে।  পঞ্চপান্ডব বলে পরিচিত কবিরা রবীন্দ্রনাথের জীবদ্দশায় রবীন্দ্র বলয়ের বাইরে গিয়ে কবিতা রচনা করেছিলেন। এই পাঁচজন

শান্তি

অনেক আগে লীগ অব নেশনস্ দূর করতে চেয়েছিলো টেনশান। কিন্তু, তারপরেও দেখেছিলো বিশ্ব জাপানের হিরোশিমা আর নাগাসাকির দৃশ্য। তারপর ১৯৪৫

Leave a Reply