বনলতা সেন তুমি আছ সারাবেলা

0বনলতা সেনের বাড়িতে আমি কতবার গিয়েছি কেউ জানেনা। বনলতা সেনের বাড়িতে আমি রোজ রাতে যেতাম। সে চুপিচুপি আমার কাছে আসত। এসে বলত, ‘তোমাকে আমি ভালবাসি, তোমাকে ছাড়া আমি বাঁচবনা ‘। একদিন তো আমাকে শর্বতী মিঠা’র গুড় খাইয়ে ছেড়েছিল। আজ সেই বনলতা সেন মারা গেছে, আজ আমি কি করব? আজ আমি তার জন্য প্রার্থনায় বসব? তার

যাত্রা – ভাস্কর পাল

0যাত্রা ভাস্কর পাল   পথে বড্ডো বিপর্যয় উড়িয়া আসে ধূলি স্মরণে স্তম্ভিত ফেলে আসা পথ গুলি- নির্জন আলোতে পাতানো সব পথ যাত্রীরা ছুটে চলে নিজ নিজ গন্তব্যে সব।   আশায় আশায় স্বপ্ন গুলো ভাঙলো কেমন মনের আগোল বাঁধন ভাঙিয়া ছুটে চলে দুমড়ে মুছড়ে ইচ্ছা সকল।   পথের দিশা নেই যে জানা কোণ পথেতে যাওয়ায় মানা!

তব প্রতি – ভাস্কর পাল 

0তব প্রতি ভাস্কর পাল   ওহে অন্তরিত পুষ্প কুঁড়ি, ফুটিয়া ওঠো তুমি চরণও যুগলে স্থান নিয়ে উজ্জ্বল করো ভূমি, নিষ্ঠুর পীড়নে নিংড়ে লও বৃক্ষ রসের ক্ষুধা কত রাগিনী ছন্দ বাঁধে, অমর অমৃতের সুধা।   মৌন শান্তি সু-গম্ভীর তন্দ্রা, চন্দ্র সাঁঝে সজ্জিত অকন্ঠীত সুরের মাধুরী গীতও মাঝে পুজ্জিত। হে জলাধীর স্রোত মায়া স্নিগ্ধ শীতল অজানা ধারা

সময় – ভাস্কর পাল

0সময়  ভাস্কর পাল   সময় কাটছে ছিন্ন বেগে প্রহর গুনছি দ্রুত কত অজানা লুকিয়ে আছে সময়ের ভিড়ে নত; ভোরের শুরু করেছে সূর্য, অস্ত গিয়ে আনছে আঁধার চন্দ্র ছাড়া অমাবস্যা রাত ঘোর কালো অন্ধকার।   ঘড়ির কাটা স্তব্ধ নয়, চলছে একই ভাবে শান্ত শুধু চারপাশটা বেদনা শোনা যাবে, নীল আকাশের মেঘের চলন থেমে যায়নি কভু সময়

হারানো স্মৃতি – ভাস্কর পাল

0হারানো স্মৃতি  ভাস্কর পাল   শহরের সেই ডাকবাক্স গুলো, হারিয়েছে আজ হারিয়েছে আলাদিনের সেই আশ্চর্য প্রদীপ।   রোজই তো হারাচ্ছে! এ আর নতুন কি! বিশ্বাসটাও হারিয়েছে আজ, অন্তরের থেকে।   তুমি – আমি তবু আছি টিকে, এ স্তব্ধতার অচীন বুকে।   বাঙালির কাছে বাংলাই হারিয়েছে আজ বাংলা ভাষাটাকে মিটাচ্ছে, করছে নাশ   নবাগতরা চেনা না

ভালোবাসার প্রতি – ভাস্কর পাল

0ভালোবাসার প্রতি ভাস্কর পাল   বারে বারে আসে বসন্ত, আসে কত গাঁথা; লয়ে যায় উড়ায়ে কত সুখ, আনন্দের মুখরতা।   তুমি আসিয়াছো নিয়ে এক মধুরও ধ্বনি, উঠিল বাজিয়া জল-তরঙ্গ, নিশ্চুপে শুনি।   অঙ্গে অঙ্গে লাগিয়াছে বিরাট স্পন্দন, কাটিয়াছে মধ্যরাতের ঘোর আর্তনাদের ক্রন্দন।   অনন্ত হৃদয় মাঝে, কুণ্ডলীত আসন এ কি শুনি হে, বিচিত্র অন্তরের সুপ্ত

পদতলে – ভাস্কর পাল 

0পদতলে ভাস্কর পাল   থাকিনু তোমার চরণও যুগলে লুটায় মম প্রাণ তোমারও পদতলে দিও মোরে কেবল স্থান।   নির্ভয়ে অর্পণ করি জীবনের সুপ্ত বার্তা গুলি তুমি কেবল শুনিও সময় লয়ে সুপ্ত গল্প খানি।   স্তব্ধতা এনো ঠোঁটের কোণেতে শিথিল হয়ে বসে- আমি চাহিবো তোমা মুখপানে, চাতক পাখির বেশে।   শক্তি মোর অতি অল্প, তুমি দিও

ছোটো বেলার স্মৃতি গুলো – ভাস্কর পাল

0ছোটো বেলার স্মৃতি গুলো ভাস্কর পাল   এইতো কদিন আগেও মাগো খাইয়ে দিতে তুমি- ছোটো বলে আগলে আগলে রাখতে সারাটা দিন।   এরই মধ্যে কত বড়ো হয়ে গেলাম আমি- সারাটা দিন একা একা নেই সেসব দুষ্টামি।   বড়ো হয়ে মাথার উপর হাজার রকম চাপ- ছোটো ছিলাম ভালোই ছিলাম ছিল না এসব সমস্যার ধাপ।   এখন

স্বাধীনতার সুরে – ভাস্কর পাল 

0স্বাধীনতার সুরে ভাস্কর পাল   স্বাধীন হলো দেশটা আমার, এক দিনেতে নয়! হাজারও মানবের রক্ত, অসম্ভবকে করেছে সম্ভব। স্বাধীন হয়েছে দেশটা আজ নেই আর গোরা মানুষের অত্যাচার, দেশটাকে আজ স্বাধীন করে মৃত্যুঞ্জয়ীরা অমর হলেন   যাক না যতই দূরে চলে মৃত্যুঞ্জয়ীরা মোদের ছেড়ে, স্বাধীনতার মিষ্টি সুরে আমরা তাদের রাখবো ধরে। প্রতিবাদের গন্ধে আমরা- যুগে যুগে

কিছু প্রশ্নেরা – ভাস্কর পাল

0কিছু প্রশ্নেরা ভাস্কর পাল   কিছু প্রশ্নেরা দিগন্তে বিস্তৃত, নীলিমা ছাড়িয়ে যারা উন্মাদিত সময়ে অসময়ে শ্রুতি টেনে এনে ভাঙে মনের আগল। সেসব প্রশ্নঃ করাই যায়, লিখে রাখা যা পাতায় পাতায় সেসব প্রশ্নের নেই পূর্ণমান,, উত্তরের নেই সীমানা দিগন্ত ছাড়িয়ে কেবল মহাশুন্যে ভাসমান তারা সেসব প্রশ্নঃ জবাব চায়নি অহেতুক করেনি জেদ কেবল উঠে এসেছে সময়ে সময়ে