অধ্যায় – ভাস্কর পাল

0জীবনের এই ছোট্ট সময় বিভাজিত খন্ডে খন্ডে সময়ের শেষ হয় নতুন নতুন অধ্যায়ের সূচনাতে।   বয়ে যায় কত ঋতু বছর হতে বছরের তরে, যেমন আঁধার নেমে আসে মেঘলা বৈকালে।   সূচনাতে কেবল চোখে পড়ে সরলতার সূক্ষ্মতা গভীরে নিমজ্জিত হলে বোঝা যায় জটিলতার গাঢ়ত্বটা।   এই ভাবেই কাটে এক অধ্যায় শুরু হয় নতুন সমাপ্তির শেষে মেলে

চিহ্ন – ভাস্কর পাল

0চিহ্ন  ভাস্কর পাল   বইয়ের ভাজে ভাজে পাতার মাঝে মাঝে কত চিহ্নিত সব অজানা চিহ্ন সময়ের সাথে সাথে উদ্দেশ্য বদলে হয়েছে সবই ভিন্ন, কোন সুদূরে ভাসিয়ে আসা কত না গোপন ভাষা কোথাও চিহ্ন বহিছে দূরে, শহরের এই ব্যাস্ত ভিড়ে।   অজানা মুহূর্তরা ভেসে গেছে স্রোতে সবই চিহ্নিত ছাপ বালুচরে রয়েছে চুপিচুপি, পত্র গুলো জীর্ণ খুবই,

অসময়ের বৃষ্টি – ভাস্কর পাল

0অসময়ের বৃষ্টি ভাস্কর পাল   অসময়ের বৃষ্টি নেমেছে- বিবর্তনের আভাস দিয়ে শীতের এক স্তব্ধ রাতে আকাশ ভেজা কান্না ঝরছে! অজানা এক ভিনদেশি মেঘ; সকাল থেকেই ঘনিয়ে ছিল মধ্য রাতের সাড়া ফেলে- আকাশ ভেঙে ঝোরে পড়ল। জানালা থেকে বাহির পানে চেয়ে দেখি মধ্য রাতে! এ তো নয় বৃষ্টি!! মধ্যরাতে, কারোর ঘর ভাঙার গুঙানীর অশ্রু রাশি। চারিদিকের

উপসংহার – ভাস্কর পাল

0উপসংহার ভাস্কর পাল   প্রতিটি বছর কাগজের পাতায় লেখায় কত না স্মৃতি, ভূমিকা থেকে উদ্দেশ্য গুলো ধরে রাখার চিঠি।   আসে প্রভাত নিয়ে পুরাতন রবি নবীন আলোর আভায়, প্রতিটি দিন ইতিহাস গড়ে নিত্য নতুন ঘটনা শৈলের শোভায়।   জীবন্ত সব গল্প লেখে প্রতিটি প্রাণ নিজের হাতে- বন্ধ চোখে স্বপ্ন সাজয়, খুব গোপনে নিজের করে।  

শিক্ষা গুরু – ভাস্কর পাল

0শিক্ষা গুরু ভাস্কর পাল   মাগো তুমি ছোটো থেকেই শিক্ষা দিয়ে যাচ্ছ এখনো তো ভুল করলে কানটি টেনে ধরো। বাবা তোমার শিক্ষা গুলো নিচ্ছি মাথায় তুলে তোমার শিক্ষায় তোমার মতোই ভালো মানুষ হবো বলে। তোমারা আমার প্রথম গুরু তোমাদের নিয়েই জীবন শুরু সাড়া জীবন এই ভাবেতেই তোমারা আমার থেকো পাশে। কখনো কোনো ভুল করলে- শাসন

অভাব – ভাস্কর পাল

0অভাব ভাস্কর পাল   ভাতের থালায় কান্না ঝরে ফেনা ভাতেও নুন নাই যে- অভাবের চিহ্ন হাতড়ে মারে উদ্বাস্তুদের মনের ঘরে।   কত আছে ধ্বনি মানব তিনবেলা খাবার নষ্ট করে- অপর দিকে এমনও আছে একবেলা পায় না, পেট পুড়ে খেতে।   তাদের নিয়ে উপবাস চলে করুনার খাতায় ছবিও তোলে- তবুও তাদের দয়া করে একটি বারও দেয়

শহরের বুকে – ভাস্কর পাল

0শহরের বুকে ভাস্কর পাল   এ শহরের বুকে, রাত নেমে আসে ঠিক যেন দিনের শেষে। কাজ সেড়ে বাড়ি ফেরে- অজানা কত ভিড়; যারা দিনের শুরুতে বেরিয়েছিল নিয়ে অজানা সুখের তরী! গলির মোড়ে মোড়ে, রাস্তার ধারে ধারে; ভিড় ঠেলে এগিয়ে চলে- শহরের বুকে নেমেছে কত অজানা প্রাণ। মাঝ রাতে যেখানে হানা দেয় কিছু লেলি কুত্তার দল।।

বাউন্ডুলে – ভাস্কর পাল

0বাউন্ডুলে ভাস্কর পাল   সেই তো ছিল পাড়ার রক, দশটা বাজার সাথে সাথেই ছুটে যাওয়া। সেই তিনটে মূর্তি এক হওয়া। রোজ শিশুরা যেত স্কুলেতে তাকিয়ে থাকতো সেই রকের দিকে চেয়ে। সিগারেটের ধোঁয়া আর হাতে তাসের পাতা, পড়াটাকে মাতিয়ে রাখতো হুংকারে।। সবাই জানতো হবে না কিছুই- এভাবে তাস পিটিয়েই যাবে চলে ছোকরা তিনটের। নেই তাদের ভাবোনা

তুই উচ্ছাস, আমি চুপচাপ – ভাস্কর পাল

0তুই উচ্ছাস, আমি চুপচাপ ভাস্কর পাল   তুই উচ্ছাস আমি চুপচাপ। ঐ মেঘেদের বাড়ি যাবি চল।।   হবে উল্লাস কত পলাশ। ঝরে পড়বে ঝোড়ো হাওয়ায়।।   শুরু করবো শত গল্প। ঐ মেঘেদের মাঝে আমাদের ঘর।।   ঝরে পড়বে কত পুষ্প। বিছাবে চাদর আমাদের গায়।।   যাবো দূরে বহু দূরে। ঐ মেঘের নৌকা দেবে পাড়ি।।  

জীবন ধারা – ভাস্কর পাল

0জীবন ধারা ভাস্কর পাল   জীবন হলো চলমান নদী থেমে থাকে না এ প্রবাহ, উৎস থেকে ফুটে উঠে নদী যেমন নেমে আসে, দূরন্ত প্রবাহে শিশুরা তেমনি, মায়ের কোল থেকে; পালিয়ে পালিয়ে বেড়ায়। তখন শক্তির উৎস অফুরন্ত সব কিছু করে ধ্বংস। এই ভাবে কেটে যায় শিশুকাল- আসে শৈশব। ফুটে ওঠে বাহ্যিক রূপ, সে আর কত সময়!