তুই উচ্ছাস, আমি চুপচাপ – ভাস্কর পাল

0তুই উচ্ছাস, আমি চুপচাপ ভাস্কর পাল   তুই উচ্ছাস আমি চুপচাপ। ঐ মেঘেদের বাড়ি যাবি চল।।   হবে উল্লাস কত পলাশ। ঝরে পড়বে ঝোড়ো হাওয়ায়।।   শুরু করবো শত গল্প। ঐ মেঘেদের মাঝে আমাদের ঘর।।   ঝরে পড়বে কত পুষ্প। বিছাবে চাদর আমাদের গায়।।   যাবো দূরে বহু দূরে। ঐ মেঘের নৌকা দেবে পাড়ি।।  

বাউন্ডুলে – ভাস্কর পাল

0বাউন্ডুলে ভাস্কর পাল   সেই তো ছিল পাড়ার রক, দশটা বাজার সাথে সাথেই ছুটে যাওয়া। সেই তিনটে মূর্তি এক হওয়া। রোজ শিশুরা যেত স্কুলেতে তাকিয়ে থাকতো সেই রকের দিকে চেয়ে। সিগারেটের ধোঁয়া আর হাতে তাসের পাতা, পড়াটাকে মাতিয়ে রাখতো হুংকারে।। সবাই জানতো হবে না কিছুই- এভাবে তাস পিটিয়েই যাবে চলে ছোকরা তিনটের। নেই তাদের ভাবোনা

জীবন ধারা – ভাস্কর পাল

0জীবন ধারা ভাস্কর পাল   জীবন হলো চলমান নদী থেমে থাকে না এ প্রবাহ, উৎস থেকে ফুটে উঠে নদী যেমন নেমে আসে, দূরন্ত প্রবাহে শিশুরা তেমনি, মায়ের কোল থেকে; পালিয়ে পালিয়ে বেড়ায়। তখন শক্তির উৎস অফুরন্ত সব কিছু করে ধ্বংস। এই ভাবে কেটে যায় শিশুকাল- আসে শৈশব। ফুটে ওঠে বাহ্যিক রূপ, সে আর কত সময়!

ব্যাস্ততা – ভাস্কর পাল

0ব্যাস্ততা ভাস্কর পাল   হাজারও চিন্তার মাঝে, লুকিয়ে থাকা সেই ডাইরির পাতা, খুলে আর হয় না দেখা। হাজারো ব্যাস্ততা ঘিরেছে আজ সময়ের হিসেবে নিজের অভাব; আঁকা – বাঁকা পথ আর, প্রকন্ড সব দেওয়াল, মনের মধ্যে মন বিলিয়ে শহরের বুকে পথ হারিয়ে- বাস্তবতার ছাপ পড়েছে, ব্যাস্ততার প্রাচীর তলে। অজানাকে জানার তরে, চেনা সবই অজানা হয়ে; নিজের

হে মৃত্যু – ভাস্কর পাল

0হে মৃত্যু ভাস্কর পাল   হে মৃত্যু! তুমি অসনী সংকেত তুমি এক গুপ্ত ঝঞ্ঝাট। মনুষ্যের  মনের অদ্ভুত শঙ্কা, তুমি এক কলঙ্ক। হে মৃত্যু! নেই যে তোমার গতি। নেই যে তোমার স্থিতি। তুমি নিভৃত হৃদয়ের অচল দাস; তোমারে যায় না ধরা। যায় না তোমারে ছাড়া। তুমি গোপনে করো বাস।।   হে মৃত্যু! তুমি লিখিত ভাগ্যে, তুমি

আবহমান – ভাস্কর পাল

0আবহমান ভাস্কর পাল   নদীর বেগে বইছে জীবন সময় নেই যে থেমে, সূর্য উঠছে অস্ত যাচ্ছে চাঁদের আলোয় রাত কাটছে।   চক্রাকারে ঘুরছে ঋতু গ্রীষ্ম-বর্ষা-শরৎ-শীত বসন্তের সেই কাকলি সুরে, পাতা ঝরানোর আসছে দিন।   বইছে নদী এঁকে বেঁকে উৎস হতে মোহনাতে- কোথাও শান্ত ধীর গতিতে, কোথাও প্রবল খরস্রোতে।   একই ছন্দে তাল মিলিয়ে ঘড়ির কাঁটা

খোলা আকাশের নীচে – ভাস্কর পাল

0খোলা আকাশের নীচে ভাস্কর পাল   এক পড়ন্ত রোদের দিনের শেষে, খোলা আকাশের নীচে; একাকিত্বের সঙ্গী করে নেই দিগন্তে বিস্তৃত খোলা আকাশেকে।   আকাশটা আজ আমার মতোই শান্ত। আমার মতোই স্তব্ধ। জলভেজা আয়নার মতো সেই আকাশে দেখছি নিজের প্রতিচ্ছবি। রবি আজ বড্ড ক্লান্ত, ঢোলে পড়েছে পশ্চিম প্রান্তে! আকাশটাকে শোভিত করেছে কমলা রঙের ছন্দে। সেই আকাশে

আঁধার – ভাস্কর পাল

0আঁধার ভাস্কর পাল   আঁধার নামিবে বলে পাখির দল উড়ে চলে দূরের হতে ঘরের তরে! কীসের মায়াতে সন্ধ্যা নেমে আসে উদাস দিনের শেষে কাটে আলোর আভা, কাটে রবির প্রভা দিনের অন্তিম বৈকালে। ঢোলে পড়ে পশ্চিমে ক্লান্ত রবি বিশ্রামে দিনের অন্ত ঘটিয়ে।। আঁধার নামিবার তরে গৃহে গৃহে আলো জ্বলে জ্বলে ওঠে ল্যাম্পপোস্টের আলো আঁধার কাটাতে। কাজ

পেটুক – ভাস্কর পাল

0পেটুক ভাস্কর পাল   সকালের ব্রেকফাস্টে ঘি এ ভাজা লুচি চাই সাথে গোটা ছয় জিলিপিও থাকা চাই, মিহিদানা হলে সাথে মন্দ হয় না- রকমারি মিঠাই তার, মনে আনে বায়না। ঠাকুরের উপরতে সে বেজায় যায় চোটে, যখন পায় না ডিম, সকালের ব্রেকফাস্টে। সকালেতে দশটায় ব্যাগ হাতে ছোটে সে- মাছ-মাংস-সবজি হরেক রকম কেনার তরে; বাজারেতে গেলে পরে,

বইয়ের মাঝে – ভাস্কর পাল

0বইয়ের মাঝে ভাস্কর পাল   অজস্র সব রং বেরঙের কত শত বই হারিয়ে গেলে বইয়ের মাঝে খুঁজবে মোরে কেউ! কত লেখা কত বর্ণে সেজেছে বইয়ের পাতা পাতায় পাতায় পূর্ণতা পেয়েছে কত হৃদয়ের ভাষা। সেসব বইয়ের লেখার মাঝে নিজের ভাবনা খুঁজে পেতে- হারিয়ে যেতেও রাজি আমি সকল বইয়ের মাঝে।।   মাঝ গগনে সূর্যি যখন মেঘের মাঝে