কফিনের অন্তরালে – ভাস্কর পাল

0কফিনের অন্তরালে ভাস্কর পাল   চুপ কেন আজ, তবে কি শুনবে না কবিতা? ভোরে উঠেছে কত লেখায়, আমার কাব্য খাতা।   আগে তো রোজ বায়না করতে, একটা করে কবিতা শুনতে আজ কি আর ভালোলাগে না! কবিতারা বুঝি আর খোঁজে না?   আকাশ আজ তারায় ঢাকা, হয়না গুনে শেষ আমায় ছেড়ে তারাদের মাঝে তুমিও আছো বেশ!

ধ্বংস স্তূপ -ভাস্কর পাল

0ধ্বংস স্তূপ ভাস্কর পাল   পড়ে আছে কোন সে সময় জুড়ে- কত না ইতিহাসের ইতির চিহ্ন মুছে গেছে কত সৌধ কত ঐতিহ্য কোন বিপর্যয়ে হয়েছে সব ধ্বংস।। পড়ে আছে পৃথিবীর বুকে, ভূমিতলের ধূলি- ধূলিমা মাখায় সজ্জিত সব স্তূপ গুলি। নেমেছিল বৃষ্টি, ঘনায়ছিল কালো মেঘ রাশি গর্জেছিল হুংকারে অশনি সংকেত যুদ্ধ, যুদ্ধ!! সব ধূলিমা লিপ্ত –

আমি কে! – ভাস্কর পাল

0আমি কে! ভাস্কর পাল   আমি শুনেছি নিশি রাতের সেই কান্না- আমি দেখেছি পথের ধারে পরে থাকা, উদ্বাস্তুদের রান্না।। একবিংশে দাঁড়িয়ে দেখেছি কত দুর্নীতি দেখেছি মনের গোপনে খুন হয়ে যাওয়া কত স্মৃতি। দিগন্তের নীল গগনে ভাসতে দেখেছি কত মুখ- হারিয়ে ফেলেছি ক্ষনিকের পাওয়া কত বা সুখ।।   আমি কে! এ জগতের বুকে সামান্য ধূলি- নিশ্চুপে

মহুয়ার বনে – ভাস্কর পাল

0মহুয়ার বনে ভাস্কর পাল   মনে পরে সেই বর্ষ পেরিয়ে আসা গোপনে আদ্র মেঠো, অন্তরিত ভাষা কিংবা সবুজ, হৃদয়ের সুপ্ত পিপাসা মনে পরে সেই মহুয়া বনের কথা! সেই দূর প্রান্তে গ্রামের শেষে যেখানে পথ গেছে বেঁকে বেঁকে,, শহুরে ভিড়ে হালকা লুকিয়ে পরে ছুটে যাওয়া সেই একলা নদীর তীরে।।   হাজার মানুষ কোথায় যায় রোজই? কি

হে প্রেম – ভাস্কর পাল

0হে প্রেম ভাস্কর পাল   হে প্রেম; তোমা ছাড়া এ জগতে, নিঃস্ব প্রতিটি প্রাণ! হে প্রেম; তুমি আছো যতদিন! এ বসুধা নীলিমাচ্ছন্ন, মাধুর্যময় সৌন্দর্য আছে ততদিন। হে প্রেম! তুমি সেই বসন্তের কল ধ্বনি! তোমার স্পর্শে অন্তর হয় মধুময়, তুমি পলায়ন; তুমি ভেসে বেড়াও পালতোলা নাওয়ে, উজান বেলায়।।   হে প্রেম! তুমি এ জগতের বুকে অমূল্য

অস্তিত্ব – ভাস্কর পাল

0অস্তিত্ব ভাস্কর পাল   অস্তিত্ব মম আজ বড্ডো ক্ষীণ নাহি মোর চিহ্ন রক্ত মোর লীন। বারে বারে হই নত তব দ্বোরে- প্রত্যাশিত মনে আঘাতের চিহ্ন রচি তব পানে চাতকের মতো চাহিয়া আশ্রয় মম খুঁজি।।   শেষ চিহ্নের অক্ষর ধ্বনি ক্ষয়ে ক্ষয়ে যায় সময়ের তরে অমৃত মায়ায় বদ্ধ স্তম্ভ গলিত লাভার ন্যায় ঝরে পরে।   মায়ার

আর্তনাদ – ভাস্কর পাল

0আর্তনাদ ভাস্কর পাল   বাংলার বুকে রক্ত পলাশ আর যে ফোটে না, কোকিলের সেই কুহু কুহু তান আর যে শুনি না।   পাতা ঝরানোর দিন এসেছে শুধু শোনা যায়, ঝরা পাতার মর্মর ধ্বনি ঘোর আর্তনাদের ছায়াছন্নতায়; বিষাদিত আজ বাংলার মাটি।   বাংলার বুকে রক্ত ঝরছে রক্তে রঞ্জিত বাংলার মাটি, ঐ যে ভাই শুনতে পাশ ঐ

যুদ্ধ – ভাস্কর পাল

0যুদ্ধ ভাস্কর পাল   বিষণ্ণ সময়ের অবকাশে গর্জে উঠেছে মনুষ্য নেমে আসুক এক বৃষ্টি তাতেও কি হবে শান্ত! যুদ্ধ! যুদ্ধ! যুদ্ধ! সময়ের সাথে সাথে মানুষ্য ক্ষুব্ধ।।   কীসের তরে, কীসের আশায় কীসের জন্য আজই… লোভ লালসা ক্ষণিকের তরে, মিটে যাবে সবই একদিন। তবুও নেশায় মেতেছে সব অধিকার বোধের আশায় আঁধারে মেঘ ঘন কালো যুদ্ধ লাগবে

পাতা ঝরার দিনে – ভাস্কর পাল 

0পাতা ঝরার দিনে ভাস্কর পাল     সে পড়ন্ত রৌদ্রমাখা দিনের বৈকালে আমলকি আর দেবদারুর ছায়া তলে ব্যার্থ সময় অপেক্ষাতে পাতা ঝরানোর দিনের। কোমল মেঘের অজানা ভাষা উড়ন্ত সব বেনামী চিঠিরা- দিনের শেষে অন্তিম বৈকালে বাড়ির পথে ফেরে।।   নদীর ওপর ঐ যে কে তার, নৌকা লয়ে ছোটে ঐ দূরেতে কোন সে রাখাল বাঁশিতে সুর

সময়ের তরে – ভাস্কর পাল

0সময়ের তরে ভাস্কর পাল কোন স্বপনে আসিয়াছিলে কোন সে দিনের প্রাতে কোন ঋতুতে ফুটেছিল ফুল প্রেমের দলের সাথে। কাগজ কালির যুদ্ধ চলিত, ভোরে উঠতো খাতা জীবনের সব মুহূর্ত গড়ে কঠিন কঠিন ধাঁধা।।   বয়ে চলিছে কোন সে পথে সাদা মেঘের সজ্জা মৃদু বাতাস নাড়া দেয় আমার মনের দজ্জা। ঐ দূরেতে কৃষ্ণচূড়া, বাজায় বাঁশি রাখাল ছোড়া