তোমাকেই শুধু চাই

0তুমি কখনও জানতে চাওনি তুমি কত সুন্দর। তাইতো তুমি জানতে পারনি তুমি কত সুন্দর। তুমি সুন্দর আকাশের মত যে আকাশ অনেক সুন্দর করে হাসে। হাসতে হাসতে সে বলে আমি তোমাকে ছাড়া বাঁচবনা। সেই থেকে আমি তাকে ভালবাসি। এখন আমার একটি দিনও তাকে ছাড়া কাটেনা। তাকে একদিন না দেখলে মনে হয় হাজার দিন দেখিনি। সে রোজ

বরষণ শেষে – ভাস্কর পাল

0বরষণ শেষে ভাস্কর পাল   ঈশান কোণে মেঘের দাপট এই উঠিল ঝড় গুড় গুড় গুড় শব্দ শুনি নামলো বরষণ। টিপ টিপ থেকে টুপ টাপ করে আসতে আসতে বিশাল তেজি ঝড়ের দাপটে সবই হচ্ছে উথাল পাথাল। ঐ শোনা যায় গর্জনেতে গর্জে ওঠে গজও মেঘের আড়ালে মেঘনাদের সেই বিপুল অট্টহাস্য। গাছেরা সব দুলছে বড্ডো তাল মিলিয়ে তালে

প্রলয় শেষে – ভাস্কর পাল 

0প্রলয় শেষে ভাস্কর পাল   ঐ যে দেখো, দিগন্তের সেই পশ্চিম পানে উঠেছে এক মেঘের ধারা। মুহূর্তেই অন্ধকারিত, আকাশ হইলো মেঘে কালো। পাগলা হাওয়া বয়ে আসিছে, হাঙ্কারিত স্বরে; মেতেছে আজ মেতে উঠেছে পাগলা ভোলা উঠেছে ক্ষেপে।   ঐ যে ওই দূরেতে, ঢং ঢং ঢং কাঁসর, ঘন্টা বাজিছে কোন মন্দিরেতে- আকাশ জুড়ে দুই প্রহরে, সূর্য গেছে

বসন্তের অপেক্ষায় – ভাস্কর পাল 

0বসন্তের অপেক্ষায় ভাস্কর পাল   গোটা কয়েক বছর আজ পেরিয়ে এসেছে খুবই দ্রুত। বোঝার জন্য ছিল না তখন বোঝার আবেগ টুকুও,, সেই বসন্তের হলদে ঝরা পাতার মাঝে বসেছিলাম দোলনচাঁপা গাছের তলে এক পার্কের বেঞ্চিতে। কুড়িয়ে পেয়েছিলাম সেই তল হতে পরে থাকা একটা পৃষ্ঠা যা ছিঁড়ে পড়েছিল চারটে টুকরো হয়ে। আবেগের বসে জড়ো করে মিলাতে থাকি

বিবর্তন – ভাস্কর পাল 

0বিবর্তন ভাস্কর পাল   বদল এসেছে এ সমাজে মনোভাব আজ বদলে গেছে, মৃত মানুষ উঠছে বেঁচে জীবন্ত প্রাণ খুন হচ্ছে; আজব দেশের সব আজব নিয়ম দেশে আনছে বিবর্তন।   ইচ্ছাটাকে বাসনা করে অনিচ্ছাটাকে দিচ্ছি তুলে, নিজের স্বপ্ন অন্যের হাতে গড়া ভাঙার এই দুনিয়ায়, বিবর্তনের ঘূর্ণি ঝড় আজ সারা দেশে বয়ে যায়।   সন্ত্রাস এর এই

জেগে ওঠো – ভাস্কর পাল  

0জেগে ওঠো ভাস্কর পাল   জেগে ওঠো, তুমি জেগে ওঠো আর যে এখন নেই রাত্রির, ঘুমকে দাও বিদায় ওগো মৃত আগ্নেয়গিরির ফুলিঙ্গ হয়ে স্তব্ধতা কাটিয়ে বেরিয়ে এসো। মাথার উপর উঠেছে সূর্যি, দিগন্তের নীচে একলা তুমি আর থাকলে হবে না স্তব্ধ এবার তুমি জেগে ওঠো।   ঐ দূর দেশেতে, ডাকছে তোমায় যাদের মাথায় বিপদ ঘনায়মান তাদের

দু-নয়নে – ভাস্কর পাল 

0দু-নয়নে – ভাস্কর পাল   রেখেছি তোমারে বারংবার অশ্রু ভরা দু-নয়নে গল্পটাকেই কল্পনাতে সত্য বলে নিয়েছি মেনে। গড়ে তুলেছি হাজারও স্বপন দু-নয়নের সম্মুখনে, বাতাসে বইছে ফাগুন হাওয়া গগন তলে ঝরছে আলো। হাজারও কোমল মেঘেরও বর্ষণ আজব এক টান-পেরণে অকাল লেগেছে মনের গোপনে। যখন লাগে একলা ভারী চলে যাই সেই নদীর ধারে ভাসিয়ে আসি স্বপ্ন গুলো

সময়ের স্তব্ধতা – ভাস্কর পাল

0সময়ের স্তব্ধতা ভাস্কর পাল   সময় যেন হিসেবে হিসেবে বাড়িয়ে যাচ্ছে পা সময়ের তরে সবই যেন কেবলই ভ্রান্ততা- সময় শেখায় কঠিন হতে বাস্তবতা বুঝে নিতে, সময় যেন আঘাত আনে দুর্বলতার সুযোগ মেপে। উড়িয়ে দেওয়া পথের ধূলি, কিংবা কিছু চিহ্ন দিশা বদলে নিজের পথে নিজেই হয় ভিন্ন।।   কোথাও পাহাড় মস্ত উঁচু দাঁড়িয়ে আছে স্তব্ধ কোথাও

আমার এক পাঠক ছিল – ভাস্কর পাল

0আমার এক পাঠক ছিল -ভাস্কর পাল   আমার এক পাঠক ছিল- রোখা মেজাজ, স্তব্ধ মুখে স্বপ্ন গুলো জুড়ে দিত। নিদ্রা প্রেমী হয়তো বোধহয়! ঘুম আসতো বইয়ের পাতায়। সন্ধ্যে হলেই একটা-দুটো অনেক গুলো তারার মতোই,, কবিতা গুলো শুনতো কেবল প্রশ্ন গুলো চেপে রেখে।। ঠিক জানি না কেমন করেই প্রতি রাতের আঁধার পরেই- অপেক্ষাতেই থাকতো চেয়ে রোখা

সেই মেয়েটি- – ভাস্কর পাল

0দশটা পাঁচটার লোকাল ট্রেনে চলতি গাড়ির যাত্রী সে- সেই পথেই যেতাম আমি ব্যাগ ঝুলিয়ে চাকরিতে। ব্যাস্ত শহর ব্যাস্ত ভীড়ে, তপ্ত মুখের নিঝুম বেশে- সেই মেয়েটি স্বপ্ন বোনে, বৃথাই সেই কল্পনাতে।   চোখেতে মৃদু পাওয়ারের চশমা চুল, কোনো রকমে গোছ করা; মুখে করুনার ছোঁয়া- তার মধ্যেই উত্তপ্ত এক প্রতিবাদের উজ্জ্বলতা। বাবা নাকি কেশ লড়তেন, বিখ্যাত এক