0তোমার জীবনের যত দুঃখ আছে সব মোছাব আমার ভালোবাসা দিয়ে। তোমার জীবনের যত কষ্ট আছে সব ঘোচাব আমার ভালোবাসা দিয়ে। তোমার জীবনের যত ব্যথা বেদনা আছে সব দূর করব আমার ভালোবাসা দিয়ে। তোমাকে সদা আনন্দে ভরিয়ে রাখব আমার ভালোবাসা দিয়ে। — অর্ঘ্যদীপ চক্রবর্তী ২১/৭/২০২৪ 0
Category: বাংলা ভাষা
অনেক কঠিন সত্যের পথে থাকা,
অনেক সহজ মিথ্যার পথে থাকা।
সত্যের পথে সবাই থাকতে পারে না,
যারা পারে তারাই পায় ভগবানের ভালোবাসা।
মিথ্যার পথে থাকলে সুখ দু’দিনের,
সত্যের পথে থাকলে সুখ চিরদিনের।
মিথ্যার পথে যে থাকে ভগবানের কাছে সে পছন্দের নয়,
সত্যের পথে যে থাকে ভগবানের আশীর্বাদ সর্বদা সে পায়।
মিথ্যার পথ সহজ হলেও নয় সে বাঁচার উপযুক্ত পথ,
সত্যের পথ কঠিন হলেও সে পথই বেঁচে থাকার আদর্শ পথ।
মিথ্যার পথে যে সারা জীবন থাকে
মরণের পরে তার স্থান হয় নরকের আগুনে,
সত্যের পথে যে সারা জীবন থাকে
মরণের পরে তার স্থান হয় ভগবানের শ্রীচরণে।
তাই তো বলি কখনও থেকো না মিথ্যার পথে,
সর্বদা থাকো সত্যের পথে।
— অর্ঘ্যদীপ চক্রবর্তী
২৯/৭/২০২৪
2বাংলা সাহিত্যের আদি নিদর্শন চর্যাপদ লেখা হয়েছে সপ্তম থেকে দ্বাদশ শতাব্দির মধ্যে। এই সময়ে বাংলায় পাল রাজাদের রাজত্ব ছিল। পাল রাজারা ছিলেন বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী। চর্যাপদের কবিরা এই সময়ে চর্যাগুলো রচনা করেছিলেন। চর্যাপদের পদকর্তাদের নাম চর্যাপদের পদকর্তাদের সংখ্যা নিয়ে মতভেদ আছে। সুকুমার সেনের মতে ২৪ জন এবং ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহর মতে ২৩ জন পদ রচয়িতা চর্যাপদ
0ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর এর প্রকৃত নাম ঈশ্বরচন্দ্র বন্দোপাধ্যায়। তবে, তিনি স্বাক্ষর করতেন ঈশ্বরচন্দ্র শর্মা নামে। বিদ্যাসাগর উপাধিটি সংস্কৃত ভাষা ও সাহিত্যে তাঁর অসাধারণ পাণ্ডিত্যের স্বীকৃতিস্বরূপ নামের সাথে যুক্ত হয়েছে। বাংলাদেশের পাঠ্যপুস্তকে তাঁর লেখা গদ্য এবং সংস্কারমূলক কর্মকাণ্ডের বর্ণনা পড়ানো হয়। ভারতের পশ্চিমবঙ্গের পশ্চিম মেদিনীপুরে ‘বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালয়’ নামে একটি বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে। বিদ্যাসাগর সেতু তাঁর নামেই উৎসর্গীকৃত। পরিচয়
0ত্রিকালদর্শী লুবনা নিগার শরতের নীল আকাশে সাদা মেঘ ভেলার মতো ভেসে বেড়াচ্ছে । ঘাসের ডগা গুলো সতেজ । নদীর তীরে ফুটেছে কাশ ফুল । শরণখোলা গ্রামে চলছে দুর্গা পূজার প্রস্তুতি চলছে। দেবী দুর্গা কৈলাস থেকে এই শরৎ কালে মর্তলোকে আসেন। লক্ষ্য তার অসুর নিধন। স্বর্গের দেবতারা অসুরের সাথে পরাজিত হয়ে যে অকাল বোধন করেছিলেন, তাদের
0গল্পের বই কখনো হাসায়,কখনো কাঁদায়।কখনো কখনো আমাদেরকে গল্পের ছলে শিক্ষাও দিয়ে থাকে যা আমাদের বাস্তব জীবনে কাজে লাগে। কখনো কখনো গল্প হয় কাল্পনিক, কখনো বা বাস্তব জীবনের ভিত্তিতে হয়।এই গল্পগুলোর কখনো শেষটা পূর্ণতা পায়, কখনো শেষটা অসম্পূর্ণই থেকে যায়।যেই গল্পগুলো অসম্পূর্ণ থেকে যায়, সেগুলোকে বলা হয় ছোট গল্প।রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ছোট গল্পকে আখ্যায়িত করেছেন এভাবে-“শেষ হয়েও
0একটি সুস্থ,সুন্দর জাতি গঠনের জন্য পড়া আবশ্যক।বর্তমানে পাঠক বইয়ের প্রতি ঝুঁকছে।ফলে বইয়ের ব্যবসাও জনপ্রিয় হয়ে এসেছে।কয়েক বছর আগেও বই প্রকাশনাকে ব্যবসা হিসেবে মনে করা হতো না।ফলে,সকল পণ্যের মতো বইয়ের প্রচার, প্রসার ঠিকমতো করা হতো না।অথচ, সকল পণ্যের মতো বইও একটি পণ্য।বই শুধু ছাপালেই হবে না, এটিকে বিক্রিও করতে হবে বিপণনের মাধ্যমে। বই বিক্রির জন্য বইয়ের
0পৃথিবীতে বহু বই পাঠকের কাছে বেশ জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে।এই বইগুলো লিখেছেন বিশ্বের বিভিন্ন দেশের লেখক বিভিন্ন ভাষায়।এইসব বই গুলো বিভিন্ন ভাষায় অনুবাদের ফলে সারা বিশ্বের মানুষ সেই বইগুলো পড়তে পারছে।এবার জেনে নেওয়া যাক, ইংরেজি থেকে বাংলায় অনুবাদিত ৭ টি বই সম্পর্কে – ৭ টি ইংরেজী থেকে বাংলা অনুবাদ বই ১.থ্রি এ এম সিরিজ লেখক নিক
0কিংবদন্তি লেখক হিসেবে হুমায়ূন আহমেদ পরিচিত। তিনি তার লেখনী দিয়ে আমাদের মাঝে অমর হয়ে আছেন,থাকবেন। তাঁর প্রকাশিত বেশ কিছু বই রয়েছে যা অন্যপ্রকাশ প্রকাশনী সহ বিভিন্ন প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত হয়ে পাঠকের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছে। অন্য প্রকাশ ঠিকানা 34 Bangla Bazar Rd, Dhaka 1100। তাদের ফেসবুক পেজ হচ্ছে- Anyaprokash- Facebook Page । এছাড়া বিভিন্ন অনলাইন
0ভাষা দিবসের উপহার • [ভুল সংশোধনী ছড়া] লুবাব হাসান সাফওয়ান • [রচনা: ২০১৮] অনেক লেখক লিখছে দেখি ‘সখি’ থেকে ‘সখ্যতা’ অন্ত্যমিলের লোভে কবি জুড়ছে নিচে ‘দক্ষতা’ প্রিয় লেখক, ‘সখ্যতা’ নয়, শুদ্ধ হবে ‘সখ্য’ যে লিখতে গেলে অনেক দিকে রাখতে হবে লক্ষ্য যে! ‘সখিত্ব’ও লিখতে পারো, ভুলেও নয় ‘সখ্যতা’ লিখবে সখা, লাগবে সাথে