গল্প প্রতারণা আফছানা খানম অথৈ

0প্রতারণা আফছানা খানম অথৈ মিথিলা ইঞ্জিনিয়ার পাস করে সবেমাত্র চাকরীতে যোগ দিয়েছে।ফ্যামিলির বড় মেয়ে। বাবা ছিলেন কলেজ টিচার মা হাই স্কুল টিচার।উনারা চাকরী থেকে অবসর নিয়েছেন।তাই শিক্ষা জীবন শেষ করার পর পর মিথিলার চাকরীর প্রয়োজন পড়েছে।সারাদিন অফিসের কাজে ব্যস্ত থাকেন মিথিলা।যখন ফ্রি হই তখন ফেসবুক নিয়ে ব্যস্ত থাকে।একদিন রাতের বেলা মেসেঞ্জার অপশানে কল আসে মিথিলার।

অপেক্ষা। পর্ব-০২। লেখিকা : সুমাইয়া আক্তার বৃষ্টি

0সবগুলো পর্ব পড়ুন- অপেক্ষাঃ পর্ব- ০১ অপেক্ষাঃ পর্ব- ০২ অপেক্ষাঃ পর্ব- ০৩ ❝আলো আমার, আলো ওগো, আলো ভুবন-ভরা। আলো নয়ন-ধোওয়া আমার, আলো হৃদয়-হরা॥ নাচে আলো নাচে, ও ভাই, আমার প্রাণের কাছে– বাজে আলো বাজে, ও ভাই হৃদয়বীণার মাঝে–। জাগে আকাশ, ছোটে বাতাস, হাসে সকল ধরা॥ আলোর স্রোতে পাল তুলেছে হাজার প্রজাপতি। আলোর ঢেউয়ে উঠল নেচে

অপেক্ষা। পর্ব-০১। লেখিকা : সুমাইয়া আক্তার বৃষ্টি

0সবগুলো পর্ব পড়ুন- অপেক্ষাঃ পর্ব- ০১ অপেক্ষাঃ পর্ব- ০২ অপেক্ষাঃ পর্ব- ০৩ সাল ১৯৯৩… তাফীফ : কিরে আলো! কই যাস? আলো : আহা মরন! চোখে দেখছ না ইস্কুলে যাইতাছি? তাফীফ : হো দেখতাছি তো। আলো : তাইলে আবার জিগাস কেন? তাফীফ : মন চাইছে তাই জিগাইছি। যা তো এনতে, এতো প্যান প্যান না কইরা। আলো

গল্প একজন অসহায় নারীর গল্প আফছানা খানম অথৈ

0একজন অসহায় নারীর গল্প আফছানা খানম অথৈ আমেনা খাতুন একজন গৃহিণী।এক ছেলে এক মেয়ে হওয়ার পর তার স্বামী মারা যায়।এরপর সংসারের হাল ধরতে হলো তাকে।অন্যের বাড়িতে কাজ করে কোন মতে সংসার চালাচ্ছেন আমেনা খাতুন।একদিন কাজ করে ফেরার পথে তার উপর চোখ পড়ল গ্রামের আদম বেপারি বারেক’র।তার কাজ হলো নারীদের বিদেশে চাকরী দেয়ার নাম করে পাচার

অণুগল্প : লাল শাড়ি। লেখিকা : সুমাইয়া আক্তার বৃষ্টি

0নীলু : দূর! বিয়েতে গোলাপি রঙের শাড়ি ভালো লাগে নাকি? বিয়েতে তো টকটকে লাল রঙের শাড়ি পড়তেই ভালো লাগে। বিয়ে বিয়ে একটা ফিল আসে। নীলুর কথা শুনে নীলুর মা সাহারা খাতুন মেয়ের দিকে তাকিয়ে একটু মুচকি হেসে জবাব দিলেন- সাহারা খাতুন : কি আর করার? তোর শ্বশুর বাড়ি থেকে যেহেতু এই রঙের শাড়ি দিয়েছে সেহেতু

ছোট গল্প : পথশিশু। লেখক : সুমাইয়া আক্তার বৃষ্টি

0হিরা অনাথ পথশিশু। বয়স সবেমাত্র নয় পেরোল। গতবছর কলেরায় বাবা-মা দুজনেই গত হয়েছেন। এখন হিরা খোলা আকাশের পাখি হয়ে উড়ে বেড়ায়। শাসন করার মতো কেউ নেই। না আছে আদর করে মাথায় হাত বুলিয়ে দেওয়ার মতো কেউ। বিকেলের শেষের ভাগে হিরা তার দলবল নিয়ে প্লাস্টিকের বোতল কুড়াতে রাস্তায় নেমেছে। সাথে আছে একটা প্লাস্টিকের বস্তা। একসময় দলের

গল্প এক মেয়ে দুস্বামী আফছানা খানম অথৈ

0এক মেয়ে দু’স্বামী আফছানা খানম অথৈ মীম বি এ প্রথম বর্ষের ছাত্রী।তেমন একটা সুন্দরী না,আবার একেবারে খারাপ ও না।গায়ের রং শ্যামলা সিমচাম বডি,হালকা পাতলা,মোটামুটি ভালো।একদিন বাস ষ্টেশনে দেখা হয় রাতুল’র সঙ্গে।রাতুল একই কলেজে পড়ে বি এ ফাইনাল ইয়ারে।কিছু সময়ের মধ্যে দুজনের মাঝে আলাপ পরিচয় হয়।ইতিমধ্যে দুজনের কন্টাক নাম্বার একে অপরের মোবাইলে সেভ করে নেয়া হয়।এরপর

গল্প অপূর্ব সত্য ভালোবাসা আফছানা খানম অথৈ

0অপূর্ব সত্য ভালোবাসা আফছানা খানম অথৈ একদা কবি শেখ ফরিদ সফরে গিয়েছিলেন।পথে তিনি খুব ক্ষুধার্ত হয়ে পড়লেন।তিনি আর হাটতে পারছিলেন না। ক্লান্ত হয়ে নদীর ধারে বসে পড়লেন।হঠাৎ নদীর জলে ভেসে আসল একটা ছেবফল।তিনি ক্ষুধা নিবারনের জন্য ঐ ছেবফলটি খেয়ে পেলেন।কিছুক্ষণ পর তিনি মনে মনে ভাবেন, ফলের মালীকের অনুমতি ছাড়া যে ফলটি খেয়ে ফেললাম তার জন্যতো

গল্প স্মার্ট ফোন হবো আফছানা খানম অথৈ

0স্মার্ট ফোন হবো আফছানা খানম অথৈ আফরুজা লাবন্য সরকারী প্রাইমারী স্কুল টিচার।স্বামী একটা বেসরকারী কোম্পানিতে চাকরী করেন।একদিন বাচ্চাদের পরীক্ষার পেপার দেখছেন আফরুজা লাবন্য।দেখা শেষ হতে না হতে তার চোখ থেকে গড়িয়ে গড়িয়ে পানি পড়ছে।তখনি তার স্বামী জিজ্ঞেস করলেন, প্রিয়তমা কাঁদছ কেনো? তিনি উত্তর দিলেন, তৃতীয় শ্রেণির একটা বাচ্চা রচনা লিখেছে। তার জন্য কাঁদতে হয় নাকি?

গল্প স্বপ্নের আমেরিকা আফছানা খানম অথৈ

0স্বপ্নের আমেরিকা আফছানা খানম অথৈ আসিফ লটারীর ভিসায় পেয়ে স্বপরিবারে আমেরিকা যায়।বড় ছেলে কাফির বয়স সাত বছর,মেঝো ছেলে রাফির বয়স পাঁচ বছর,ছোট মেয়ে তানহার বয়স তিন বছর।যাক তারা সেখানে বসবাস শুরু করে।সিরিয়াল অনুযায়ী তিন সন্তানকে স্কুলে ভর্তি করান।আমেরিকাতে আমাদের বাংলাদেশের মতো জাতীয় ভাষা বাংলা না।আমেরিকান ভাষা হলো ইংরেজি।বাচ্চাদের ইংরেজি শিখতে প্রথমে একটু অসুবিধা হলেও পরে