0রোমিও জুলিয়েট আফছানা খানম অথৈ জুলিয়েটর বাবা নামী দামী একজন বিশিষ্ট শিল্পপতি। জুলিয়েট মাস্টার্স ফাইনাল ইয়ারের পড়ে।সে খুব জাকজমকভাবে চলাফেরা করে ।খুব ফ্রি ভাবে চলাফেরা করে বন্ধু বান্ধবীদের সাথে।একদিন শপিং করতে গিয়ে দেখা হলো রোমিওর সঙ্গে।দু’জনের সাথে আলাপ পরিচয় হয়।তারপর দুজনের মাঝে বন্ধুত্ব তৈরী হয়।এই বন্ধুত্ব থেকে দুজনের মাঝে গভীর ভালোবাসার সৃষ্টি হয়।দুজন দু’জনের প্রেমে
Category: বাংলা গল্প
0“ভাবি মেয়েতো বড় হয়ে গেলো বিয়ে টিয়ে দিবেন না নাকি? জানেন তো মেয়েরা যে কুড়িতেই বুড়ি। আপনার মেয়ের তো ২২ পেরিয়ে গেলো। আপনাকেও ওর বিয়ে নিয়ে কিছু ভাবতে দেখি না। তো মেয়ের কি কোনো সমস্যা আছে না কি?” পাশের বাসার ভাবির এমন কথায় কোনো প্রতিক্রিয়া করলেন না রাহেলা খাতুন। কারন উনাকে মাঝে মাঝেই পাড়া-মহল্লার লোকদের
0একজন প্রবাসী স্ত্রীর গল্প আফছানা খানম অথৈ রিমির আব্বু বিদেশ থাকে।আম্মু প্রতিদিন রিমিকে নিয়ে স্কুলে যাই।মেয়েকে স্কুলের ভিতর ঢুকিয়ে দিয়ে মা অন্যান্য ভাবীদের সঙ্গে বাইরে অপেক্ষা করে।রিমির আম্মু নিগার সুলতানা তেমন একটা কথাবার্তা বলে না,চুপচাপ বসে থাকে।অন্যান্য ভাবীরা কিন্তু সে রকম না, হাসি আনন্দ খোশগল্পে মেতে থাকে সর্বদা।রিফাতের আম্মু আরেক ভাবীকে বলে ভাবী আমি কাল
0 আলো জহির রায়হানের পাশে দাঁড়িয়ে চাতক পাখির মতো অপেক্ষার প্রহর গুনছে। কখন এই অসভ্য লোকটি চায়ের কাপে চুমুক দিবে আর আলো নিজের প্রতিশোধে সাফল্য লাভ করবে এই আশায়। এর মাঝে জহির রায়হান বলতে লাগলেন,”ওহ হ্যাঁ আলো। এই হলো রোশান, রোশান সিকদার। আমার খুব কাছের বন্ধু নাসিম সিকদারের ছেলে। রোশান পড়ালেখায় অনেক ভালো, ওকালতি পড়ছে।
0 ছোট্ট অন্বেষ স্কুলের মাঠে একা একা বসে ছিলো। হঠাৎ তার নজরে শহুরে বালক শুভ্র এলো। তার সাজসজ্জা অন্বেষকে ভাবঘুরে বানিয়ে তুললো। সাময়িক পর কিছু একটা ভেবে অন্বেষ শুভ্রর কাছে গিয়ে নিজের ইচ্ছে প্রকাশ করতে লাগলো। ❝বলি সন্ধি করবে আমার সাথে? লাভ বৈকি হবে না ক্ষতি কেন জানো? তবে শুনো বলি- নিত্যনতুন খেলবো দুজন❞ শুভ্র
0নষ্টা বউ আফছানা খানম অথৈ আজ কলেজে বার্ষিক সাংস্কৃতিক ক্রীড়া অনুষ্ঠান। সুমা ডান্স করবে।সে ভালো নাচতে পারে।বিভিন্ন অনুষ্ঠানে সে ড্যান্স করে।গ্যালারিভর্তি দর্শক তার ড্যান্স দেখার অপেক্ষায়…। শুরু হলো সুমার ড্যান্স।সে গানের তালে তালে নাচ্ছে।সে খুব ভালো নাচলো।গ্যালারিভর্তি দর্শক হাত তালি দিয়ে তাকে সংবর্ধনা জানালো।এই অনুষ্ঠানে আসা কবির মাস্টার তার প্রেমে পড়ে যায়।শুধু তাই নয়,তাকে মনে
0রাজাকার আফছানা খানম অথৈ ১৯৭১ সালের ২৬ শে মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ডাকে সারা বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধ কমিটি গঠন করা হয়।গ্রামের ছেলে রফিক’র নের্তৃত্বে বৈঠক বসে ইউনিয়ন পরিষদে।বৈঠকে আলোচনা হয় মুক্তিযুদ্ধ প্রসঙ্গে এবং কারা মুক্তিযুদ্ধে অংশ গ্রহণ করবে তাদের তালিকা তৈরী করা হয়।কিছু সংখ্যক ছেলে নিয়ে রফিক মুক্তিযুদ্ধে যোগ দেয়।এদিকে গ্রামের হারিছ মোল্লা ও গ্রামে
0 সকাল থেকেই আলো তাফীফকে খুঁজে বেড়াচ্ছে। তবে তাফীফের দেখা আর পাচ্ছে না। স্কুলে যাওয়ার সময় ও আসার সময় বারবার আশেপাশে তাকিয়েছে আলো। কিন্তু তাফীফের দেখা মেলেনি। তাই মন খারাপ করে গালে হাত দিয়ে বাগানের সেই কৃষ্ণচূড়া গাছটার নিচে বসে রইলো আলো। চারপাশে মৃদু হাওয়া বয়ে যাওয়ার কারনে আলোর উন্মুক্ত চুলগুলো বাতাসে উড়ছে কিছুটা। যা
0স্রোতস্বিনী নদীর পানিতে পা ভিজিয়ে একা একা স্মৃতিচারণ করছি। দীর্ঘ তিন বছর পর এলাম এখানে। আগে প্রায় প্রতিদিন’ই আসা হতো। তবে তখন সাথে প্রিয় মানুষটা থাকতো। অথচ আজ তার কোনো খুজ খবর নেই। সে কোথায় আছে, কেমন আছে, বিয়ে করেছে কিনা তা আমি জানি না। এমনকি এটাও জানি না সে বেঁচে আছে নাকি মরে গেছে।
0সবগুলো পর্ব পড়ুন- অপেক্ষাঃ পর্ব- ০১ অপেক্ষাঃ পর্ব- ০২ অপেক্ষাঃ পর্ব- ০৩ পড়ন্ত বিকেলে নদীর কিনারায় বসে আছে এক অষ্টাদশী। অদূর পানে তাকিয়ে সূর্যাস্ত দেখায় ব্যাস্ত সে। এই সূর্যাস্ত দেখতে কেনো জানি মারাত্মক ভাবে ভালো লাগা কাজ করছে। এই ভালো লাগার কারন কি বলবো? প্রকৃতি সুন্দর তাই দেখছে? নাকি এটা বয়স আঠারো’র দোষ? তাফীফের থেকে