0সন্দেহ আফছানা খানম অথৈ মোহাম্মদ আলীর একমাত্র মেয়ে লিলির আজ বিয়ে।গভ:মেন্ট প্রাইমারী স্কুল টিচার শামীমের সঙ্গে।বেশ জাকজমকভাবে বিয়ের আয়োজন করা হয়েছে।বাড়িভর্তি মেহমান,হাসি আনন্দে বাড়িঘর মুখরিত।সময়মতো বর এসে মজলিসে আসন পেতে বসল।বরযাত্রী মজলিস পরিপূর্ণ। চারদিকে গান বাজনা বেশ আনন্দঘন মুহূর্ত।বিয়ে পড়ানোর প্রস্তুতি চলছে।ঠিক সেই মুহূর্তে জিল্লু নামের এক ছেলে তার দলবল নিয়ে উপস্থিত।এসে বলে লিলি তার
Category: বাংলা গল্প
0দজ্জাল শ্বাশুড়ী আফছানা খানম অথৈ আবীর এম এ পাশ করেছে এখনো বেকার। চাকরীর জন্য বিভিন্ন পদে এক্সাম দিচ্ছে।কিন্তু চাকরী হচ্ছে না।বর্তমানে চাকরী হতে ঘুষ লাগে,হ্যালো হ্যালো লাগে।আবীরের এসব নেই বিধায় এখনো তাকে বেকার জীবন-যাপন করতে হচ্ছে।এদিকে সংসারেও অভাব তাই সে টিউশনি করছে।কোনমতে দিনকাল যাপন করছে আবীর।একদিন আবীরের বাবাকে ঘটক হুজুত আলী বলল, ভাইজান আমি সেই
0ভুলতে পারি না তোমায় আফছানা খানম অথৈ কনিকা মাস্টার্স ফাইনাল ইয়ারের ছাত্রী।কোন এক বিকেলে দেখা হলো লাইব্রেরীতে আদিত্য’র সঙ্গে। আদিত্য ও মাস্টার্স ফাইনাল ইয়ারের ছাত্র।দুজনের সামনে ফাইনাল এক্সাম।তাই দুজনে বই কিনতে গিয়েছিল লাইব্রেরীতে। আর অমনি দেখা দেখি চোখা চোখি তারপর আলাপ পরিচয়।এরপর থেকে দুজনের মাঝে ফোনালাপন চ্যটিং ড্যাটিং চলছে রীতিমত।শুধু তাই নয় দুজন দুজনের প্রতি
0আমি সেই মেয়ে আফছানা খানম অথৈ অরুপ চৌধুরী বিশিষ্ট ব্যবসায়ী।গাড়ি বাড়ি ব্যাংক ব্যালেন্স টাকা পয়সা কোন কিছুর কমতি নেই।তবে একটা কথা তার স্বভাব চরিত্র তেমন একটা ভালো না।ব্যবসার কাজে বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে বেড়ান আর সুন্দরী মেয়েদের নিয়ে আবাসিক হোটেলে রাত কাটান আনন্দ ফুর্তি করেন।অরুপ চৌধুরী বড় লোক বিধায় কেউ এসব নিয়ে মাথা ঘামান না।আর ঘামালে
0 আমি তোমাকে অনেক বেশি ভালোবাসি আফছানা খানম অথৈ মাসুদ বাবা-মায়ের ছোট ছেলে।মাস্টার্স কমপ্লিট করে একটা প্রাইভেট কোম্পানিতে জব করছে।সেই ছোট বেলা থেকে সে খুব লাজুক স্বভাবের।মেয়েদের দিকে কখনো ফিরে ও তাকাতো না।এই নিয়ে বন্ধুরা অনেক হাসি তামাসা করতো।শুধু তাই নয়,তাকে দেখলে সবাই ক্ষ্যাত বলে ডাকতো।এতে সে মনে মনে বিরক্তি হলেও মুখ ফোটে কিছু বলতো
0ভাবনায় ভাস তুমি আফছানা খানম অথৈ অর্নব অনার্সে ফাস্ট ক্লাস পেয়ে ইউনিভার্সিটিতে মাস্টার্সে ভর্তি হয়েছে সবেমাত্র।পড়ালেখা ছাড়া আর কোন কাজে সে সময় ব্যয় করেনা।ক্লাশের ফাঁকে যেটুকু সময় পায় লাইব্রেরীতে গিয়ে মনোযোগ দিয়ে বই পড়ে।প্রেম ভালোবাসা এসবের দিকে তার তেমন একটা খেয়াল নেই।লেখাপড়া করে চলেছে আপন নিয়মে।গ্রামের হতভাগা দরিদ্র কৃষকের ছেলে অর্নব অনেক কষ্টে এতদূর এগিয়েছে।তার
0ভুতের বাড়ি আফছানা খানম অথৈ কনকনে ঠাণ্ডা, এখনো শীতের আভাস কাটেনি।তবুও খুব ভোরে ঘুম থেকে উঠে পড়লো রাজন।হাত মুখ ধুয়ে ফ্রেস হয়ে নিলো। ততক্ষণে মা নাস্তা রেড়ি করে ডাক দেয়, রাজন খেতে আয়। এইতো মা আসছি। তড়িঘড়ি করে রাজন নাস্তার টেবিলে বসে পড়লো।সঙ্গে মামাতো ভাই দোলন ও আছে।দুজন একই ক্লাস সপ্তম শ্রেণিতে পড়ে।বার্ষিক পরীক্ষার পর
0গলায় দড়ি আফছানা খানম অথৈ বিশ বছরের টগবগে যুবতি মেয়ে জিনাত রেহানা,গায়ের রং শ্যামলা,বড়ি ফিটনেস ভালো সুস্বাস্থের অধিকারী।পাঁচ ভাইয়ের এক বোন।গরীব হলেও খুব আদর আহলাদে সে বড় হয়েছে।বাবা গরীব হওয়ার কারণে পঞ্চম শেণি পাস করার পর মেয়েকে আর পড়াতে পারেননি।বাবা বেলায়েত হোসেনকে সংসার চালাতে খুব হিমশিম খেতে হচ্ছে প্রতিনিয়ত। কারণ বড় তিন ছেলে বিয়ের পর
0জোর করে ভালোবাসা হয় না আফছানা খানম অথৈ সুরভি অনার্স ফাইনাল ইয়ারের ছাত্রী খুব কিউট, স্মার্ট,ভদ্র নম্র,রুচিশীল।ক্রাশ খেয়েছে কত শত ছেলে তার কোন হিসেব নেই। সে কোন ছেলেকে পাত্তা দিচ্ছে না,লাভ লেটার প্রেমের প্রোপোজ কোনকিছু তার মন গলাতে পারছে না। সে মনে মনে বলে এমন যদি হয় ছেলেদের নোংরামি তাহলে মেয়েরা লেখাপড়া করবে কিভাবে যত্তসব
0পকেটমার আফছানা খানম অথৈ নাজিম মোল্লা দিন মজুর, খেতে খামারে কাজ করে।সকল প্রকার কাজে সে অভ্যস্ত,সিজন অনুযায়ী যে কোন প্রকার কাজ করে থাকে।নিজ গ্রামে ফলন লাগানো শেষ,এখন আপাতত ফ্রি।গরীব মানুষ বসে থাকলে সংসার চলবে না।তাই মাটি কাটার কন্ট্রাকটারের সঙ্গে অন্য জেলাতে কাজ করতে গেল।নাজিম মোল্লা মধ্য বয়সী,ছেলে মেয়ে বিয়ে দেয়া শেষ।ছেলেরা বউ নিয়ে আলাদা থাকেন,মা-বাবার