0পরী আফছানা খানম অথৈ পনেরো ষোলো বছরের টগবগে যুবক করিম টাইফয়েড জ্বরে আক্রান্ত।বাবা রিক্সা চালক মা গৃহিণী।দুজন অন্ধকার জগতের বাসিন্দা মানে অন্ধবিশ্বাস ও কুসংস্কারে আছন্ন।তাই ছেলেকে ডাক্তারের কাছে না নিয়ে গ্রাম্য ভাষায় যাকে খনকার ও গুনিন বলে ডাকে তার কাছে নিয়ে গেল।গুনিন ও খনকার বলতে বুঝানো হয়েছে যারা ঝাড় ফুঁক তাবিজ কবজ তেলপড়া পানিপড়া ইত্যাদি
Category: বাংলা গল্প
0নষ্ট পুরুষ আফছানা খানম অথৈ তুসি বি বি এ প্রথম বর্ষের ছাত্রী।কোন এক ক্ষণে ক্যান্টিনে দেখা হয় তপনের সঙ্গে।তপন মাস্টার্স ফাইনাল ইয়ার,মাত্র কদিন পর এক্সাম।দুজনের মাঝে আলাপ পরিচয় হয়।তারপর ভালো বন্ধুত্ব,বন্ধুত্বের সুত্রধরে ভালোবাসা।একে অপরকে খুব ফেয়ার মহব্বত করে।রাত জেগে ফোনালাপন,চ্যাটিং ডেটিং,শুধু তাই নয় ভিডিও কলে একে অপরকে খুব ভালোবাসাবাসি,বলতে গেলে মন প্রাণ উতালা।তারপর দুজন সময়
0অসম প্রেম আফছানা খানম অথৈ আরমান লন্ডন থেকে উচ্চতর ডিগ্রী শেষ করে বাংলাদেশে ফিরেছে।বাবা আফজাল চৌধুরী একমাত্র ছেলের হাতে ব্যবসা বাণিজ্য বুঝিয়ে দিলেন।তিনি যে একেবারে ব্যবসার হাল ছেড়ে দিয়েছেন তানা, মাঝে মাঝে তিনিও অফিসে বসেন।আরমানের ইচ্ছা তাদের গ্রামের উন্নয়ন করবে, গ্রামে একটা ফ্যাক্টরী করবে,যাতে গ্রামের বেকার ছেলে-মেয়েরা কাজের সুযোগ পায়।এতে বাবা আফজাল চৌধুরী সাপোর্ট করেন
0বউ পাগল ছেলে আফছানা খানম অথৈ নিলয় আর নীহা দুজন পাশা-পাশি গ্রামের বাসিন্দা।দুজনের বয়সের ব্যবধান দুতিন বছরের হবে।পড়ালেখায় ও অনুরুপ তাই।নিলয় নীহার চেয়ে এক ক্লাস উপরে।স্কুল জীবন থেকে দুজনের মাঝে ভালো বন্ধুত্ব।বরাবরই দুজন পরীক্ষায় ফাস্ট হয়।কারো চেয়ে কেউ কোন অংশে কম না।পড়ালেখা,চেহারা চুরুত…।শুধু আর্থিক অবস্থার দিক দিয়ে নিলয় একটু দূর্বল।নীহা কিন্তু অনেক উপরে, তার বাবার
0ঘন কালো মেঘে ছেয়ে গেছে ঢাকা, কেউ বাইরে বেরোতে পারছেনা, বাইরে শুধু বৃষ্টি আর বৃষ্টি, এমন অঝোর ধারায় বৃষ্টি হচ্ছে যে কারো বাইরে বেরোনোর শক্তি নেই। এমন সময় দুটি মেয়ে তরতর করে হেঁটে যাচ্ছে। একজন আরেকজনকে বলে তুমি আমাকে ভালবাস? অপরজন বলে, তুমি আমাকে ভালবাস? দুইওজনের মুখে পজিটিভ উত্তর শোভা পায় । এখন একজন আরেকজনকে
0সাগরিকা আফছানা খানম অথৈ সাগরিকা ভার্সিটির সেরা সুন্দরী ও ব্রিলিয়ান্ট ছাত্রী।এক বাক্যে বলা চলে সকল সুন্দরীদের সেরা। অনেক ইয়ং যুবক ক্রাশ খেয়েছে। যে পারবে সেও বলেছে আই লাভ ইয়ু,যে পারবে না সেও বলেছে আই লাভ ইয়ু। এই নিয়ে দুএকদিন পরপর অফিস কক্ষে বিচার হয় এবং দুএকজনকে বহিস্কার ও করেছেন ভার্সিটি কর্তৃপক্ষ।অপরদিকে ভার্সিটির সেরা ব্রিলিয়ান্ট ছাত্র
0শূন্য হৃদয় আফছানা খানম অথৈ তুষার মাস্টার্স কমপ্লিট করেছে সবেমাত্র।এখনো চাকরী হয়নি।তবে চাকরীর জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। একদিন ইন্টারভিউ শেষ করে ফেরার পথে গাড়ির জন্য ষ্টেশনে দাঁড়ালো।একি দেখল আহামরি এক রুপসী মেয়ে রাজকন্যা বেশে তার সামনে দিয়ে হেটে যাচ্ছে।তুষার ও তার পেছনে পেছনে গেল।দুজনের একই উদ্দেশ্য গাড়ির জন্য অপেক্ষা।একটা বেঞ্চিতে দুজন পাশা-পাশি বসলো।তুষার পলকহীন ভাবে
0অবুঝ মন আফছানা খানম অথৈ মৌমিতা বাবা মায়ের একমাত্র মেয়ে। অতি আদরে মেয়েকে মানুষ করছেন বাবা হাবিবুর রহমান ও মা আফরিন সুলতানা।মৌমিতা খুব কিউট, মায়া মায়া চেহারা,কাজল কালো ভ্রু,পলাশ রাঙা ঠোঁট।সবে মাত্র ইন্টার ফাস্ট ইয়ারে ভর্তি হয়েছে।এরই মধ্যে অনেক ছেলের নজর কেড়েছে।প্রেমের প্রোপোজাল,লাভ লেটার আর ও অনেক কিছু।মৌমিতা একটু অন্য স্বভাবের তার মতে প্রেম, ভালোবাসা
0এক অসহায় বালকের গল্প আফছানা খানম অথৈ রমাজন মাস সিয়াম সাধনার মাস, ফজিলতের মাস।এই মাসে যে যত বেশি ইবাদত করবে,দান খয়রাত করবে সে তত বেশি ফজিলত পাবে।আর এই মাসের একটা ঘটনা নিয়ে লেখা এই গল্পটি। বাদল বারো তেরো বছরের একজন বালক। বাবা গাড়ি একসিডেন্টে পা হারিয়ে ঘরে বসে আছেন।ছোট বোন রাজনা বয়স আট বছর ।দুদিন
0তুই শুধু আমার আফছানা খানম অথৈ রাহুল আর হেনা দুজন ভালো বন্ধু। ছোটবেলা থেকে এক সাথে বড় হয়েছে।রাহুল বাবা-মায়ের একমাত্র ছেলে।তার বাবা বড় ব্যবসায়ী।আর হেনা তার বাবার অফিসের কেরানির একমাত্র মেয়ে।রাহুলের বাবা দয়া করে হেনার বাবাকে তাদের একটা বাসায় থাকতে দিয়েছেন।ভাড়া নিচ্ছেন না কারণ কেরানি হলেও হারুনুর রশিদ খুব ভালো একজন মানুষ।অফিসিয়াল হিসেব নিকেশে কোন