8607c43410bd1a5d1a5175da26bacbdcc5 19 tony jaa.rsquare.w700

দ্যা আর্ট অফ এইট লিম্বস

0

মুয়ে থাই বা মুয়াই থাই হলো থাইল্যান্ডের একটি জাতীয় খেলা এবং পৃথিবীতে বহুল প্রচলিত মার্শাল আর্ট বা ফাইটিং সিস্টেমগুলোর একটি।

অনেকেই মার্শাল আর্ট বলতে কুংফু বা কারাতেকে-ই বুঝে থাকে।কিন্তু মার্শাল আর্ট শুধু কুংফু বা কারাতের মধ্যেই সীমাবদ্ধ না।কুংফু(চাইনিজ), কারাতে(জাপানিজ) ফাইটের ধরণ বা কলাকৌশল। এ বাদেও ভারত,থাইল্যান্ড, আমেরিকা,ভিয়েতনাম, কোরিয়াসহ প্রায় অনেক দেশের ই নিজস্ব ঐতিহ্যবাহী যুদ্ধবিদ্যা বা কলাকৌশল রয়েছে।

এর মধ্যে বর্তমানে বহুল প্রচলিত একটি মার্শাল আর্ট হলো মুয়ে থাই।যা থাইল্যান্ড এর ফাইটিং স্টাইল।মুয়ে থাই এর উৎপত্তি মূলত আত্নরক্ষার জন্য।এটি আরেকটি মার্শাল আর্ট পদ্ধতি মুয়ে বোরান(MUAY BORAN) থেকে আবির্ভূত। কত সালে কে এই ফাইটিং পদ্ধতি আবিষ্কার করেছে তা সম্পর্কে সঠিকভাবে জানা যায় না।তবে বিশেষজ্ঞদের মতে,সুকোথাই যুগে(১২৩৮-১৩৭৭) সর্বপ্রথম এটি খেলা হিসেবে প্রচলিত হয়।তখন এই বিদ্যায় পারদর্শী মহারথীরা নিজেদের কলাকৌশল প্রদর্শন করে জীবিকা নির্বাহের এক উপায় পেয়েছিল। ওই যুগে মুয়ে থাই খেলা হতো হাতে গ্লাভস কিংবা অন্য প্রটেকশন ছাড়া।যার ফলে,এই খেলায় মারাত্নক ভাবে আহত হওয়া কিংবা মৃত্যুবরণ করা অস্বাভাবিক কিছু ছিল না।

বর্তমানে আধুনিক যুগে এটি মিলিটারি ও সিভিলিয়ানদের আত্নরক্ষার্থে এবং স্পোর্টস হিসেবে শিখানো হয়। টিভিতে আমরা যে,কিক বক্সিং দেখে থাকি, তার কনসেপ্ট মূলত এই মুয়ে থাই থেকেই নেওয়া।

মুয়ে থাইকে বলা হয় আর্ট অফ এইট লিম্বস বা আট অঙ্গের বিজ্ঞান।কেননা এই খেলায় শুধুমাত্র আটটি অঙ্গ ব্যবহার করে ফাইট করা হয়।এই আটটি অঙ্গ হলো:

  • দুই হাত
  • দুই পা
  • দুই কনুই
  • দুই হাটু

মুয়ে থাই নিয়ে হলিউডে অসংখ্য সিনেমা নির্মিত হয়েছে এবং এটি কীভাবে থাইল্যান্ডের এর ঐতিহ্যের সাথে জড়িয়ে আছে,তা দেখানো হয়েছে।এমন কিছু মুভি যা মুয়ে থাই নিয়ে নির্মিত:

  1. Bangkok knockout
  2. Born to fight
  3. Duel of Fists
  4. A prayer before dawn
  5. Salt(2010)
  6. Ong bak:A muay thai warrior

এদের মধ্যে সবচেয়ে বিখ্যাত ও জনপ্রিয় হলো Tony jaa অভিনীত Ong bak মুভিটি।

0
(Visited 42 times, 1 visits today)

JKD Jahid

Author: JKD Jahid

Knowledge seeker

আরো লেখা খুঁজুন

আপনার সক্রিয়তা পয়েন্টঃ

Related Posts

অনবসিত উচ্ছাস

রাফাত আহমেদ অসমাপ্ত এক বইয়ের গল্প, লেখকের লেখার গল্প আজ বলবো। বইয়ের নামে সরলতা আছে, আবার কঠিন বাস্তবতাও আছে। লেখক

বাস্তবটা তিক্ত

তোমাদের হাসিটাও যেন, শুধুমাত্র আমার কৃত্তিম সফলতা-তেই। বরাদ্দ করা আছে, সীমিত পরিসরে। তাতে আমার হাসি বিলুপ্তি ঘটুক না কেন!কেন জানি

বাস্তবতা

যে মানুষটা ছেড়ে যাওয়াতে আপনি পাগলের মতো নিজেকে অগুছালো করে ফেলছেন সে ঠিকি সুস্থ ভাবে অন্য কাওকে নিয়ে নিজের মতো

প্রকৃত জীবন

জীবন হলো এমন এক গল্প, যে গল্পের উদ্দেশ্য, চরিত্র, দৃশ্য উন্মোচন কি হবে? কোথায় হবে? সেটা কখনই আগে থেকেই বলাবাহুল্য

Leave a Reply